ইমরুল শাহেদ(ওয়ার্ল্ড ডেস্ক):
কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত আল উরুবাহ টেলিভিশন জানায় এক অডিওবার্তায় গাদ্দাফি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। মৃত্যু অথবা জয় এ ত্রিপোলিতেগাদ্দাফির দুর্গ বাব আল আজিজিয়া কম্পাউন্ড বিদ্রোহীরা দখলে নেওয়ার পরএ, ত্রিপোলির একটি রেডিও স্টেশনে বুধবার গাদ্দাফির অডিওবার্তা প্রচার করা হয়। তাতে গাদ্দাফি অঙ্গীকার করেন, ন্যাটো এবং লিবীয় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে 'হয় শহীদ নয়তো জয়'। প্রচারিত ওই বার্তায় গাদ্দাফি আরো জানান, ‘’তার বাব আল আজিজিয়া কম্পাউন্ড ন্যাটোর ৬৪ দফা হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।‘’
দুটোর একটিকেই তিনি বেছে নেবেন বলে বুধবার ঘোষণা দেন।
ঘোষণা দিলেন।উরুবাহ টেলিভিশন জানায়
তিনি
এদিকে, গাদ্দাফির দূর্গ বাব আল আজিজিয়া বিদ্রোহীদের দখলে গেলেও গাদ্দাফি কোথায় আছে তা এখনো পর্যন্ত জানা যায় নি। এই কম্পাউন্ডই শেষমুহূর্ত পর্যন্তগাদ্দাফির নিয়ন্ত্রণে ছিল। মুয়াম্মার গাদ্দাফির দুর্গ বাব আল আজিজিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তার মূর্তি ভেঙে এবং শূন্যে গুলি ছুড়ে ৪১ বছরের 'স্বৈরশাসনের' অবসান উদযাপনকরেছে বিদ্রোহী বাহিনী। টানা কয়েক ঘণ্টার তুমুল লড়াইয়ের পর মঙ্গলবার লিবিয়ার বিদ্রোহী বাহিনীর সদস্যরা ভারি অস্ত্র নিয়ে পিকআপ ও ট্রাকে করে বাব আল আজিজিয়া কম্পউন্ডে ঢুকে পড়ে। আকাশ থেকে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের কাজ আরেকটু সহজ করে দেয় ন্যাটোর বিমান। এই দুর্গে বসেই গত চার দশক ধরে পশ্চিমা নেতাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লিবিয়া শাসন করে আসছিলেন কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি। দুর্গ পতনের পর ওই বিশাল কমপ্লেক্সের কোনো ভবন বা বাংকারে গাদ্দাফি বা তার ছেলেদের কেউ আছেন কি না- তা জানা সম্ভব হয়নি। বিকালের দিকে কয়েকশ বিদ্রোহী যোদ্ধা কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়লে গাদ্দাফির অনুগত সৈন্যদের গুলির শব্দ থেমে যায়। টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কম্পাউন্ডের ওপর দিয়ে কালো ধোঁয়া উড়ছে। ভেতরে বিদ্রোহীরা শূন্যে গুলি ছুড়ে উল্লাস প্রকাশ করছে।এ সময় কয়েকজনকে গাদ্দাফির একটি মূর্তি ভাঙতে দেখা যায়। কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই কমপ্লেক্সের ভেতরে ডজনখানেক ভবনে তল্লাশি চালাতে থাকে বিদ্রোহীরা।গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর ফেলে যাওয়া সমারিক সরঞ্জাম ও যান জব্দ করে তারা।লুটতরাজও চলে।
অবশ্য পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহী জাতীয় কাউন্সিলের প্রধান মুস্তফা আব্দেল জলিল এখনই চূড়ান্ত বিজয়ের ঘোষণা দিতে রাজি নন। তিনি বলেন, "ত্রিপোলিতে যুদ্ধজয় হয়ে গেছে- এমন কথা এখনই বলা যাচ্ছে না। গাদ্দাফি আর তার ছেলেদের না ধরা পর্যন্ত চুড়ান্ত বিজয় আসবে না।" এদিকে বিদ্রোহীরা এক দিন আগে গাদ্দাফির তিন ছেলেকে বন্দি করার দাবি করলেও মঙ্গলবার সকালে আকস্মিকভাবে গাদ্দাফি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিদেশি সাংবাদিকদের দেখা দেন সাইফ আল ইসলাম, যাকে গাদ্দাফির উত্তরসূরি হিসেবে মনে করা হয়। গাদ্দাফির দ্বিতীয় ছেলে সাইফ বলেন,বিদ্রোহীরা ফাঁদে পড়েছে। তার বাবা প্রাসাদে আছেন বলেও দাবি করেন সাইফ
দুটোর একটিকেই তিনি বেছে নেবেন বলে বুধবার ঘোষণা দেন।
ঘোষণা দিলেন।উরুবাহ টেলিভিশন জানায়
তিনি
এদিকে, গাদ্দাফির দূর্গ বাব আল আজিজিয়া বিদ্রোহীদের দখলে গেলেও গাদ্দাফি কোথায় আছে তা এখনো পর্যন্ত জানা যায় নি। এই কম্পাউন্ডই শেষমুহূর্ত পর্যন্তগাদ্দাফির নিয়ন্ত্রণে ছিল। মুয়াম্মার গাদ্দাফির দুর্গ বাব আল আজিজিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তার মূর্তি ভেঙে এবং শূন্যে গুলি ছুড়ে ৪১ বছরের 'স্বৈরশাসনের' অবসান উদযাপনকরেছে বিদ্রোহী বাহিনী। টানা কয়েক ঘণ্টার তুমুল লড়াইয়ের পর মঙ্গলবার লিবিয়ার বিদ্রোহী বাহিনীর সদস্যরা ভারি অস্ত্র নিয়ে পিকআপ ও ট্রাকে করে বাব আল আজিজিয়া কম্পউন্ডে ঢুকে পড়ে। আকাশ থেকে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের কাজ আরেকটু সহজ করে দেয় ন্যাটোর বিমান। এই দুর্গে বসেই গত চার দশক ধরে পশ্চিমা নেতাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লিবিয়া শাসন করে আসছিলেন কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি। দুর্গ পতনের পর ওই বিশাল কমপ্লেক্সের কোনো ভবন বা বাংকারে গাদ্দাফি বা তার ছেলেদের কেউ আছেন কি না- তা জানা সম্ভব হয়নি। বিকালের দিকে কয়েকশ বিদ্রোহী যোদ্ধা কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়লে গাদ্দাফির অনুগত সৈন্যদের গুলির শব্দ থেমে যায়। টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কম্পাউন্ডের ওপর দিয়ে কালো ধোঁয়া উড়ছে। ভেতরে বিদ্রোহীরা শূন্যে গুলি ছুড়ে উল্লাস প্রকাশ করছে।এ সময় কয়েকজনকে গাদ্দাফির একটি মূর্তি ভাঙতে দেখা যায়। কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই কমপ্লেক্সের ভেতরে ডজনখানেক ভবনে তল্লাশি চালাতে থাকে বিদ্রোহীরা।গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর ফেলে যাওয়া সমারিক সরঞ্জাম ও যান জব্দ করে তারা।লুটতরাজও চলে।
অবশ্য পশ্চিমা সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহী জাতীয় কাউন্সিলের প্রধান মুস্তফা আব্দেল জলিল এখনই চূড়ান্ত বিজয়ের ঘোষণা দিতে রাজি নন। তিনি বলেন, "ত্রিপোলিতে যুদ্ধজয় হয়ে গেছে- এমন কথা এখনই বলা যাচ্ছে না। গাদ্দাফি আর তার ছেলেদের না ধরা পর্যন্ত চুড়ান্ত বিজয় আসবে না।" এদিকে বিদ্রোহীরা এক দিন আগে গাদ্দাফির তিন ছেলেকে বন্দি করার দাবি করলেও মঙ্গলবার সকালে আকস্মিকভাবে গাদ্দাফি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিদেশি সাংবাদিকদের দেখা দেন সাইফ আল ইসলাম, যাকে গাদ্দাফির উত্তরসূরি হিসেবে মনে করা হয়। গাদ্দাফির দ্বিতীয় ছেলে সাইফ বলেন,বিদ্রোহীরা ফাঁদে পড়েছে। তার বাবা প্রাসাদে আছেন বলেও দাবি করেন সাইফ

0 Comments