ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার শে¬াগান নিয়ে ক্ষমতায় এলেও কক্সবাজারে খোদ সরকারী দল আওয়ামীলীগে এখনও ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি। অথচ বিরোধী দল
বিএনপি ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি’র সহায়তা নিচ্ছে অনেক আগে থেকে। এই ঘটনায় আওয়ামীলীগের এক সিনিয়র নেতা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, যেখানে আমরা নিজেরাই ডিজিটাল হতে পারিনি, সেখানে দেশের মানুষকে ডিজিটাল বানাব কীভাবে?
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামীলীগ সরকারের অর্ধেক সময় অতিবাহিত হলেও কক্সবাজারে ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি সরকারী দলে। জেলা ও শহর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে কক্সবাজারে সাংগঠনিক কর্মসূচী পালন করার পর এখনও হাতে লিখে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এমনকি বিভিন্ন সময় পাঠানোও হয়না। তবে মাঝেমধ্যে হাতে লেখা প্রেসবিজ্ঞপ্তি স্ক্যানিং করে পত্রিকায় পাঠানো হয়। অথচ বিরোধী দল বিএনপি ২০০৩ সাল থেকেই প্রযুক্তির সহায়তায় রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। এমনকি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ওই সময় থেকেই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে জরুরী আমলে ২ বছর দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকার কারণে কম্পিউটারসহ অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেলেও দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে দ্রুত প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠায় পত্রিকাতে। কক্সবাজারে বিএনপির ২ গ্র“পই এখন ডিজিটাল। তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও অধিকাংশ ডিজিটাল নির্ভর। অথচ আওয়ামীলীগের হাতেগোনা কয়েকজন নেতাকর্মী ছাড়া বেশির নেতাকর্মী কম্পিউটার চালাতেই জানেন না। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কেবল এমপি এথিন রাখাইন ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের আযাদ। কিন্তু আবু তাহের আযাদ নিজে ডিজিটাল হলেও সংগঠনকে এখনও ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে পারেননি। এই ঘটনায় তিনি পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া ও দলের সভাপতিকে দায়ী করেন।
জানা যায়, আওয়ামীলীগের হাতেগোনা কয়েকজন নেতার মধ্যে এমপি এথিন রাখাইন ও আবু তাহের আযাদের ফেইসবুক এড্রেস আছে। যার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করে তারা সাংগঠনিক নীতি-আদর্শ প্রচার করেন।
অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও সদর-রামু আসনের এমপি লুৎফুর রহমান কাজল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আকতার চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নেজামউদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উলে¬খযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী এখন ডিজিটালের সহায়তায় সরকার বিরোধী প্রচারণায় মুখর। এছাড়া বিএনপির কাজল গ্র“পের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানা নামে ফেসবুক একাউন্ট খুলে নিয়মিত সরকারী বিরোধী তৎপরতা চালাচ্ছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামীলীগের এক সিনিয়র নেতা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, যেখানে আমরা নিজেরাই ডিজিটাল হতে পারিনি, সেখানে দেশের মানুষকে ডিজিটাল বানাব কীভাবে?
ঘটনার ব্যাপারে জানতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট একে আহমদ হোসেনের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ এখনও ডিজিটাল হয়নি- একথা ঠিক। তবে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, দলের সভাপতি হিসাবে সকল সাংগঠনিক কর্মকান্ড আমাকে দেখতে হয়। এই ব্যস্ততার কারণে সংগঠনকে ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে সময় লাগছে। সবার সহযোগিতা পেলে দ্রুত সময়ে সংগঠনকে ডিজিটালে রূপান্তর করা যাবে বলে আশা করেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামীলীগ সরকারের অর্ধেক সময় অতিবাহিত হলেও কক্সবাজারে ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি সরকারী দলে। জেলা ও শহর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে কক্সবাজারে সাংগঠনিক কর্মসূচী পালন করার পর এখনও হাতে লিখে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এমনকি বিভিন্ন সময় পাঠানোও হয়না। তবে মাঝেমধ্যে হাতে লেখা প্রেসবিজ্ঞপ্তি স্ক্যানিং করে পত্রিকায় পাঠানো হয়। অথচ বিরোধী দল বিএনপি ২০০৩ সাল থেকেই প্রযুক্তির সহায়তায় রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। এমনকি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ওই সময় থেকেই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে জরুরী আমলে ২ বছর দলীয় কার্যালয় বন্ধ থাকার কারণে কম্পিউটারসহ অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেলেও দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে দ্রুত প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠায় পত্রিকাতে। কক্সবাজারে বিএনপির ২ গ্র“পই এখন ডিজিটাল। তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও অধিকাংশ ডিজিটাল নির্ভর। অথচ আওয়ামীলীগের হাতেগোনা কয়েকজন নেতাকর্মী ছাড়া বেশির নেতাকর্মী কম্পিউটার চালাতেই জানেন না। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কেবল এমপি এথিন রাখাইন ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের আযাদ। কিন্তু আবু তাহের আযাদ নিজে ডিজিটাল হলেও সংগঠনকে এখনও ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে পারেননি। এই ঘটনায় তিনি পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া ও দলের সভাপতিকে দায়ী করেন।
জানা যায়, আওয়ামীলীগের হাতেগোনা কয়েকজন নেতার মধ্যে এমপি এথিন রাখাইন ও আবু তাহের আযাদের ফেইসবুক এড্রেস আছে। যার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করে তারা সাংগঠনিক নীতি-আদর্শ প্রচার করেন।
অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও সদর-রামু আসনের এমপি লুৎফুর রহমান কাজল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আকতার চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নেজামউদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উলে¬খযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী এখন ডিজিটালের সহায়তায় সরকার বিরোধী প্রচারণায় মুখর। এছাড়া বিএনপির কাজল গ্র“পের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানা নামে ফেসবুক একাউন্ট খুলে নিয়মিত সরকারী বিরোধী তৎপরতা চালাচ্ছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামীলীগের এক সিনিয়র নেতা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, যেখানে আমরা নিজেরাই ডিজিটাল হতে পারিনি, সেখানে দেশের মানুষকে ডিজিটাল বানাব কীভাবে?
ঘটনার ব্যাপারে জানতে জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট একে আহমদ হোসেনের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ এখনও ডিজিটাল হয়নি- একথা ঠিক। তবে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, দলের সভাপতি হিসাবে সকল সাংগঠনিক কর্মকান্ড আমাকে দেখতে হয়। এই ব্যস্ততার কারণে সংগঠনকে ডিজিটাল হিসাবে গড়ে তুলতে সময় লাগছে। সবার সহযোগিতা পেলে দ্রুত সময়ে সংগঠনকে ডিজিটালে রূপান্তর করা যাবে বলে আশা করেন তিনি।

0 Comments