Advertisement

‘‘চায়-চায় লঅন, বাচি-বাচি লঅন”

‘‘চায়-চায় লঅন, বাচি-বাচি লঅন, একদাম-একদর’’ (দেখে দেখে নেন, বেছে বেছে নেন-একদাম একদর)। শহরের বড় বাজার এলাকা, পান
 বাজার রোড, এন্ডারসন রোড, আদালত চত্বর, পৌরসভা এলাকা, সৌদিয়া-এস আলম বাস কাউন্টার
সংলগ্ন এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে পসরা সাজিয়ে কাপড় বিক্রি করছেন ভ্রাম্যমান হকারেরা। শাড়ি ও বড় থ্রি পিচ ছাড়া পুরুষ ও শিশুদের সব ধরনের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে। জুতা, প্রসাধনী সহ নারীদের কানের দুল, নাকের ফুলও যাওয়া যাচ্ছে ফুটপাতের ভ্রাম্যমান হকারদের কাছ থেকে। এসব ফুটপাতের হকারদের কাছে প্রায় সময় ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
তবে অন্য দিনের চেয়ে শুক্রবার বন্ধের দিন একটু হকারদের বেচাবিক্রি বেশি হয়।
গতকাল ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব হকারদের কাছে ক্রেতার ভিড়। ওরা সব স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। যাদের অভিজাত বিপনী বিতানে গিয়ে ঈদের কাপড় কেনার সাধ্য নেই।
তবে হকারেরা জানিয়েছেন, কেবল হতদরিদ্র মানুষ নয়; মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে বিত্তবানদের অনেকে ফুটপাত থেকে কাপড় কিনছেন।
ক্রেতারা জানিয়েছেন, ১৫০ টাকা থেকে শুরু ২৫০ টাকা পর্যন্ত যুবকদের শার্ট, ফতোয়া, গেঞ্জি পাওয়া যাচ্ছে হকারদের কাছে। এছাড়া দাম কম হলেও কাপড়ের কোয়ালিটি দরিদ্রদের জন্য খারাপ নয় বলে ক্রেতারা জানান।
এদিকে পথচারীরা অভিযোগ করেন, ফুটপাতের যেখানে-সেখানে পসরা বসিয়ে হকারেরা বেচা-বিক্রি শুরু করে। ফলে জনগণের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এদিকে ব্যবসায়ীরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রামে হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকলেও এখানে তা নেই। ফলে তাদের পেটের দায়ে রাস্তায় বসে ব্যবসা করতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, সরকারের তো অনেক খাস জায়গা পড়ে আছে। সেখান থেকে হকারদের জন্য একটি জায়গা বরাদ্ধ দেয়ার দাবী জানান তারা।

Post a Comment

0 Comments