হাইকোর্টের নির্দেশনা অমান্য করে সৈকতের বালুতটে মহাজোট নেতাদের জন্য অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করে অর্ধশতাধিক দোকান বরাদ্দ দেওয়ার পর এবার সৈকতের চেয়ার-ছাতাও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দলীয় লোকজন, এমনকি তালিকাভূক্ত
সন্ত্রাসীদের মাঝেও।
এনিয়ে কক্সবাজারে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, কক্সবাজার সৈকতের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে আওয়ামীলীগ ও মহাজোট নেতাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সৈকতের চেয়ার-ছাতা। সৈকতের ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত ১ হাজার ৩৯৪ টি কিটকটের মধ্যে অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীর মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে গোপনে। দীর্ঘদিন ধরে সৈকতে কিটকট ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে এমন অনেক ব্যবসায়ী বরাদ্দ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
বরাদ্দ পাওয়ার আবেদন করেও অনেক সাধারণ ব্যবসায়ী সেখানে বরাদ্দ পাননি। বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে অধিকাংশই কোন ব্যবসায়ী নন। মাস্তান এবং পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসীরাও পেয়েছেন বরাদ্দ। আবার সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করে কয়েকজন পুরনো ব্যবসায়ী নিজের নামে, ৩ ভাইয়ের নামে, কর্মচারীর নামে, এমনকি নাবালক পুত্রের নামেও বাগিয়ে নিয়েছেন বরাদ্দ। এতে এমনকি সৈকতে কিটকট ব্যবসার স্থান বরাদ্দের বিষয়ে কোন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অংকের ঘুষ এবং অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে গোপনে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ দিয়ে সংশ্লিষ্টরা লাভবান হলেও সরকারের ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এই গোপন বরাদ্দে অন্তত কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে দাবী সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, অনিয়ম করে বিভিন্ন জনকে অপেক্ষাকৃত ভাল স্থান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এভাবে দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে সৈকতে কিটকট ব্যবসায় জড়িত লোকজনের অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে অভিমত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। এদিকে অ সূত্র জানায়, ২০০৭ সালের ১৮ অক্টোবর বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় সৈকতের সকল ব্যবসার লাইসেন্স অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগে বাতিল করা হয়। সেসময় বেওয়াচ নামক পর্যটক সেবাধর্মী একটি সংস্থা প্রতিটি চেয়ার-ছাতা ৫ হাজার টাকায় অর্থাৎ বর্তমান হারের ২৫ গুণ রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করলে কক্সটুর নামক একটি সংস্থা তারও দ্বি-গুণ রাজস্ব দিয়ে চেয়ার-ছাতা পাওয়ার প্রস্তাব করে। কিন্তু বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও ওই ২ প্রতিষ্ঠানকে গত ৪ বছরেও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে কক্সট্যুর এর পরিচালক আবুল হোছাইন প্রশাসনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ এনে বলেন, সর্বোচ্চ দরে বরাদ্দ দেওয়া হলে সরকারের রাজস্ব বাড়ত। কিন্তু তা না করে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের পকেট ভারি করে সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। কক্সবাজার সী-ইন মার্কেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব নুরুল আবছার জানান, আজ শনিবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের নাম ধরে ধরে ডেকে চেয়ার-ছাতা স্থাপন করে দিয়ে যান। কিন্তু সী-ইন বীচের পথিকৃৎ ব্যবসায়ী হওয়ার পরও তার নামে কোন চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অথচ হোটেল সী-গালসহ বিভিন্ন হোটেলকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ না দিয়ে দলীয় মাস্তানদের বরাদ্দ দেওয়ায় কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিঘিœত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছে কক্সবাজার পর্যটন উন্নয়ন সাংবাদিক পরিষদ। অপরদিকে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দে এই অনিয়ম নিয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা চলছে। যে কোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে। এবিষয়ে কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, আমার যোগদান করার আগেই তালিকা হয়ে গেছে।
এনিয়ে কক্সবাজারে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, কক্সবাজার সৈকতের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করে আওয়ামীলীগ ও মহাজোট নেতাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সৈকতের চেয়ার-ছাতা। সৈকতের ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত ১ হাজার ৩৯৪ টি কিটকটের মধ্যে অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীর মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে গোপনে। দীর্ঘদিন ধরে সৈকতে কিটকট ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে এমন অনেক ব্যবসায়ী বরাদ্দ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
বরাদ্দ পাওয়ার আবেদন করেও অনেক সাধারণ ব্যবসায়ী সেখানে বরাদ্দ পাননি। বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে অধিকাংশই কোন ব্যবসায়ী নন। মাস্তান এবং পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসীরাও পেয়েছেন বরাদ্দ। আবার সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করে কয়েকজন পুরনো ব্যবসায়ী নিজের নামে, ৩ ভাইয়ের নামে, কর্মচারীর নামে, এমনকি নাবালক পুত্রের নামেও বাগিয়ে নিয়েছেন বরাদ্দ। এতে এমনকি সৈকতে কিটকট ব্যবসার স্থান বরাদ্দের বিষয়ে কোন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অংকের ঘুষ এবং অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে গোপনে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ দিয়ে সংশ্লিষ্টরা লাভবান হলেও সরকারের ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এই গোপন বরাদ্দে অন্তত কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে দাবী সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, অনিয়ম করে বিভিন্ন জনকে অপেক্ষাকৃত ভাল স্থান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এভাবে দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে সৈকতে কিটকট ব্যবসায় জড়িত লোকজনের অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে অভিমত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের। এদিকে অ সূত্র জানায়, ২০০৭ সালের ১৮ অক্টোবর বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় সৈকতের সকল ব্যবসার লাইসেন্স অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগে বাতিল করা হয়। সেসময় বেওয়াচ নামক পর্যটক সেবাধর্মী একটি সংস্থা প্রতিটি চেয়ার-ছাতা ৫ হাজার টাকায় অর্থাৎ বর্তমান হারের ২৫ গুণ রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করলে কক্সটুর নামক একটি সংস্থা তারও দ্বি-গুণ রাজস্ব দিয়ে চেয়ার-ছাতা পাওয়ার প্রস্তাব করে। কিন্তু বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও ওই ২ প্রতিষ্ঠানকে গত ৪ বছরেও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে কক্সট্যুর এর পরিচালক আবুল হোছাইন প্রশাসনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ এনে বলেন, সর্বোচ্চ দরে বরাদ্দ দেওয়া হলে সরকারের রাজস্ব বাড়ত। কিন্তু তা না করে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের পকেট ভারি করে সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। কক্সবাজার সী-ইন মার্কেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব নুরুল আবছার জানান, আজ শনিবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের নাম ধরে ধরে ডেকে চেয়ার-ছাতা স্থাপন করে দিয়ে যান। কিন্তু সী-ইন বীচের পথিকৃৎ ব্যবসায়ী হওয়ার পরও তার নামে কোন চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অথচ হোটেল সী-গালসহ বিভিন্ন হোটেলকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দ না দিয়ে দলীয় মাস্তানদের বরাদ্দ দেওয়ায় কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিঘিœত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছে কক্সবাজার পর্যটন উন্নয়ন সাংবাদিক পরিষদ। অপরদিকে চেয়ার-ছাতা বরাদ্দে এই অনিয়ম নিয়ে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা চলছে। যে কোন মূহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা বিরাজ করছে। এবিষয়ে কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, আমার যোগদান করার আগেই তালিকা হয়ে গেছে।


0 Comments