শাহেদ ইমরান মিজান,মহেশখালী:
গত ৪ দিনের প্রবল বর্ষণে পাহাড়ী ঢলের পানিতে মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় দুশতাধিক বসত-বাড়ী প¬াবিত হয়েছে। এসব বসত-বাড়ীর মধ্যে অধিকাংশ কাচা বাড়ীর দেয়াল ভেঙ্গে পড়ে গেছে। এবং ঢলের পানির স্রোতে আসবাবপত্র, বাসন-কোসন সহ মূল্যবান জিনিষপত্র ঢলের পানিতে ভেসে গেছে। ঢলের তোড়ে উপড়ে গেছে অনেক গাছ-গাছালি। প্রধান সড়ক, বসত-ভিটা, গ্রামীণ সড়কের মাটি ক্ষয়ে হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
গোরক ঘাটা জমতা বাজার সড়কের পানির ছড়া, মোহরাকাটা ও শাপলাপুর-গোরকঘাটা সড়কের লইল্ল্যাছড়াসহ কয়েক স্থানে বিরাট ভাঙ্গন হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া, তরি-তরকারি ক্ষেত, পানের বরজ, চিংড়ি ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, হোয়ানক ইউনিয়নের, হোয়ানক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাগাজির পাড়া রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়ছড়া এলাকা, হরিয়ার ছড়া ও কালাগাজির পাড়া এলাকায় পাহাড়ী ঢলের পানি কূল উপচে দুকূলের প্রায় দুশতাধিক বসত বাড়ী প¬াবিত হয়েছে। তার মধ্যে পয়ঃষ্কাশন ব্যবস্থা বাঁধা গ্রস্ত হয়ে হোয়ানক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ৮০টি বসত বাড়ী এখনো পানি বন্দি হয়ে আছে। এছাড়া কালারমার ছড়া ইউনিয়নের আধার ঘোনা, চিকনি পাড়া, শাপলাপুরের চালিয়াতলী, লইল্যারছড়া, মুকবেকিসহ কয়েক স্থানে পাহাড়ী ঢলে বসত-বাড়ী প্ল¬াবিত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় প্ল¬াবিত হয়ে পানি বন্দি হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে চলমান দ্বিতীয় সাময়িকা।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউছার হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ব্যাপারে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

0 Comments