মোঃ রেজাউল করিম,ঈদগাঁও:
কক্সবাজারের জালালাবাদে লুটকৃত হুন্ডির টাকার পরিমাণ ও কাগজপত্র নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। ২৩ আগষ্ট বিকেল সাড়ে ৫ টায় লরাবাক মোহনবিলা সড়কে উক্ত লুটপাটের ঘটনা ঘটে। তবে ছিনতাইকৃত টাকার পরিমাণ কেউ বলছেন ২১ লাখ, কেউ বলছেন ১৮ লাখ, কেউ বলছেন ৯ লাখ,
তবে অন্যসূত্র ছিনতাইকৃত টাকা মাত্র ৫০ হাজার বলে দাবী করেছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, মঙ্গলবার বিকেলে হুন্ডির টাকার বিশাল একটি চালান নিয়ে পোকখালী ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংদিয়ার মাষ্টার জাফরের ভাইপো যুুবক সাহেদুল ইসলাম নিজ বাড়ীতে যাচ্ছিল। কক্সবাজার শহরে অবস্থিত ব্যাংকের একটি শাখা থেকে সে উক্ত টাকা গুলো উত্তোলন করে বিতরণের জন্য তার বাড়ীতে আনছিল। সাইকেল যোগে সে লরাবাক-মোহনভিলা সড়কে পৌঁছুলে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে আসা সশস্ত্র যুবকরা তার গতিরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে করতে পার্শ্ববর্তী ধানের বিলে নিয়ে যায়। পরে তার কাছ থেকে সমুদয় টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনতাই করে দ্রুত সটকে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় মেম্বার আবদু হাই, ঈদগাঁও বাজারের কমিউনিটি পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা ডাঃ এম. মমতাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন লোক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ছিনতাইকৃত টাকার পরিমাণ ও কাগজপত্রের ব্যাপারে বিভিন্ন কথা শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছেন ২১ লাখ, কেউ বলছেন ১৮ লাখ, কেউ বলছেন ৯ লাখ এবং কেউ বলছেন মাত্র ৫০ হাজার টাকা। অন্যদিকে লুন্ঠিত কাগজপত্র গুলো কারো মতে হুন্ডির টাকার প্রাপকদের তালিকা। আবার কেউ বলছেন, ভূক্তভোগী লোকটির বিদেশ গমনের কাগজপত্র।
জালালাবাদ চেয়ারম্যান মাষ্টার আমান উল্লাহ ফরাজী জানান,লুটপাটের ঘটনা সঠিক। তবে টাকার পরিমাণ তিনি ৯ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করেন। পোকখালীর চেয়ারম্যান মৌলভী ফরিদুল আলম জানান,তিনি মোহানভিলা সড়কে হুন্ডির ৯ লাখ টাকা লুটপাটের ঘটনা শুনেছেন। অন্যদিকে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এসআই মোঃ কবির হোসাইন জানান,তিনি ছিনতাই বা লুটপাটের ব্যাপারে অবহিত নহেন এবং তার কাছে এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ আসেনি বলে তিনি জানান।

0 Comments