ভাগ্য
ফেরাতে বিদেশ যেতে চেয়ে আন্দামানে তিন বছর বন্দিজীবন কাটিয়ে ফিরেছেন ১০
বাংলাদেশি। সোমবার তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
ফিরে আসা বাংলাদেশিরা জানান, দালালের
মাধ্যমে সমুদ্র পথে বিদেশ যাওয়ার
সময় থাইল্যান্ড পুলিশের
কাছে ধরা পড়েন তারা। নির্যাতন চালিয়ে থাইল্যান্ড পুলিশ তাদের নৌকায় তুলে সাগরে ছেড়ে দেয়। এরপর তারা আন্দামান দ্বীপের কাছে ভারতীয় উপকূল রক্ষীদের হাতে আটক হন।
বেনাপোল চেকপোস্টে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ এ বাংলাদেশিদের হস্তান্তর করে। ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন- কক্সবাজার সদরের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল মালেক, মৃত সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে রশিদ আহম্মেদ, মৃত আমিনের ছেলে মোহাম্মদ ইদ্রিস, মৃত জাফর আলমের ছেলে মো. হাসেম, ইসলামের ছেলে মো. নূর মোস্তফা, আবুল কালামের ছেলে শফি আলম, রশিদ আহম্মেদ মাঝির ছেলে মো. জুবায়ের, মকবুল আহম্মেদের ছেলে মো. ফয়েজ, জাফর আলমের ছেলে মো. ইসমাইল এবং সুলতান আহম্মেদের ছেলে জসিম উদ্দিন।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি পরিদর্শক আলী আজম সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকার দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য তিন বছর আগে এরা টেকনাফ থেকে রওনা হয়েছিলো। আন্দামানে আটক হওয়ার পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের কাছে ১০ বাংলাদেশির তালিকা পাঠায়। প্রায় দুই বছর চিঠি চালাচালির পর তাদের কারাগার থেকে মুক্তি মেলে। আন্দামান পুলিশ জাহাজে করে এদের এনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও বিএসএফ তাদের বিজিবির কাছে তুলে দিলো। ফেরত আসা সবাইকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাছে ধরা পড়েন তারা। নির্যাতন চালিয়ে থাইল্যান্ড পুলিশ তাদের নৌকায় তুলে সাগরে ছেড়ে দেয়। এরপর তারা আন্দামান দ্বীপের কাছে ভারতীয় উপকূল রক্ষীদের হাতে আটক হন।
বেনাপোল চেকপোস্টে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ এ বাংলাদেশিদের হস্তান্তর করে। ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন- কক্সবাজার সদরের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল মালেক, মৃত সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে রশিদ আহম্মেদ, মৃত আমিনের ছেলে মোহাম্মদ ইদ্রিস, মৃত জাফর আলমের ছেলে মো. হাসেম, ইসলামের ছেলে মো. নূর মোস্তফা, আবুল কালামের ছেলে শফি আলম, রশিদ আহম্মেদ মাঝির ছেলে মো. জুবায়ের, মকবুল আহম্মেদের ছেলে মো. ফয়েজ, জাফর আলমের ছেলে মো. ইসমাইল এবং সুলতান আহম্মেদের ছেলে জসিম উদ্দিন।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি পরিদর্শক আলী আজম সাংবাদিকদের বলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকার দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য তিন বছর আগে এরা টেকনাফ থেকে রওনা হয়েছিলো। আন্দামানে আটক হওয়ার পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের কাছে ১০ বাংলাদেশির তালিকা পাঠায়। প্রায় দুই বছর চিঠি চালাচালির পর তাদের কারাগার থেকে মুক্তি মেলে। আন্দামান পুলিশ জাহাজে করে এদের এনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও বিএসএফ তাদের বিজিবির কাছে তুলে দিলো। ফেরত আসা সবাইকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 Comments