রামু প্রতিনিধি:
রামুতে নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা না করে যাত্রিদেরকে জিম্মি করে অভিনব কায়দায় অতিরিক্ত ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু সিএনজি এবং অটোচার্জার বা টমটম চালক। যেনো প্রতিবাদ করার ভাষা নেই। আর তাদের এহেন ন্যাক্কারজক, অমানবিক কর্মকান্ডের জন্য প্রতিবাদ করতে গেলে হয় বেইজ্জতি না হয় ওদের কাছে লাঞ্ছিত হতে হবে। এর ব্যাত্বয় কিছু ঘটবে বলে মনে হয় না। কেননা, এটির চরম বাস্তবতা আছে। এক সময় রাস্তায় চলাচলের জন্য তেমন কোনো একটা গাড়িও ছিলো না। আর এখন মানুষ অনেক আধুনিক হয়ে গেছে, মানুষ এখন আর পায়ে হেটে কোথাও যায় না। দুই মিনিটের রাস্তা হলেও তারা কোনো একটা গাড়িতে চড়ে যেতে চায়, আর এই পথচারীদের এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন অযুহাতে কোনো রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এবং নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা না টাঙ্গিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো যাত্রিদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতেছে চালকরা। যা একেবারেই আইন বহির্ভূত। সাধারণ যাত্রিরা এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়। বর্তমানে টমটম,সিএনজি, অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়ার করনে যাত্রীরা দিশাহারা অবস্তায়। জিম্মি হয়ে আছে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া, ঈদগড়,বাইশারী,কাউয়ারখোপ,রশিদ নগর, চাকমারকুল মিঠাছড়িসহ আরো বিভিন্ন এলকার হাজার হাজার মানুষ। গুরত্বপুর্ন কাজে কোথাও গেলে এই অসহায়ত্বের কাছে হার মানতে হচ্ছে। শহর এলাকায় স্কুল, কলেজ বা যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার দেয়ার নিয়ম থাকলেও অতচ গ্রামে এর কোন নিয়মও মানে না চালকরা যা পারে নিচ্ছে ভাড়া। উল্লেখ্য, একশ্রেণীর অসাধু শ্রমিক সংঘটন এসবকে নিয়মিত পশ্রয় দেওয়ায় চালকরা বেপরোয়া হয়ে পড়ছে। তাই যাত্রীরা সত্বর রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
রামুতে নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা না করে যাত্রিদেরকে জিম্মি করে অভিনব কায়দায় অতিরিক্ত ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু সিএনজি এবং অটোচার্জার বা টমটম চালক। যেনো প্রতিবাদ করার ভাষা নেই। আর তাদের এহেন ন্যাক্কারজক, অমানবিক কর্মকান্ডের জন্য প্রতিবাদ করতে গেলে হয় বেইজ্জতি না হয় ওদের কাছে লাঞ্ছিত হতে হবে। এর ব্যাত্বয় কিছু ঘটবে বলে মনে হয় না। কেননা, এটির চরম বাস্তবতা আছে। এক সময় রাস্তায় চলাচলের জন্য তেমন কোনো একটা গাড়িও ছিলো না। আর এখন মানুষ অনেক আধুনিক হয়ে গেছে, মানুষ এখন আর পায়ে হেটে কোথাও যায় না। দুই মিনিটের রাস্তা হলেও তারা কোনো একটা গাড়িতে চড়ে যেতে চায়, আর এই পথচারীদের এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন অযুহাতে কোনো রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এবং নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা না টাঙ্গিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো যাত্রিদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতেছে চালকরা। যা একেবারেই আইন বহির্ভূত। সাধারণ যাত্রিরা এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়। বর্তমানে টমটম,সিএনজি, অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়ার করনে যাত্রীরা দিশাহারা অবস্তায়। জিম্মি হয়ে আছে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া, ঈদগড়,বাইশারী,কাউয়ারখোপ,রশিদ নগর, চাকমারকুল মিঠাছড়িসহ আরো বিভিন্ন এলকার হাজার হাজার মানুষ। গুরত্বপুর্ন কাজে কোথাও গেলে এই অসহায়ত্বের কাছে হার মানতে হচ্ছে। শহর এলাকায় স্কুল, কলেজ বা যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার দেয়ার নিয়ম থাকলেও অতচ গ্রামে এর কোন নিয়মও মানে না চালকরা যা পারে নিচ্ছে ভাড়া। উল্লেখ্য, একশ্রেণীর অসাধু শ্রমিক সংঘটন এসবকে নিয়মিত পশ্রয় দেওয়ায় চালকরা বেপরোয়া হয়ে পড়ছে। তাই যাত্রীরা সত্বর রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


0 Comments