ভিওসি ডেস্ক:
তাজুল ইসলাম (৪৫) ফতুল্লা পঞ্চবটি এলাকায় স্কুটার চালান। বেশভূষায় তাকে দেখে মনে হয় ধর্মপ্রাণ মানুষ। প্রথম দেখায় বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে তিনি একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী। কিন্তু অভিনব কায়দায় ইয়াবা পাচার ও ব্যবসা করে আসছিলেন। ইয়াবা পাচারের জন্য তাজুল ইসলাম নিজের দেহকেই ব্যবহার করেছেন বাহন হিসেবে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। র্যাবের জালে আটক হয়েছেন তাইজুল।
২৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাচঁপুর থেকে তাজুল ইসলামকে আটক করে র্যাব। তবে অনেক তল্লাশির পরও তার কাছে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এ সময়।
এদিকে র্যাবের কাছে তথ্য ছিল তাজুল ইসলামের কাছে ইয়াবা রয়েছে। পরে র্যাব তাকে নিয়ে স্থানীয় ক্লিনিক কাঁচপুর ব্রীজ সংলগ্ন সাজেদা হাসপাতালে যায় এবং তার বডি এক্স-রে করে। এ সময় তার পেটের ভেতরে ইয়াবার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
এরপর তাজুল ইসলাম স্বীকার করে যে তার পেটের ভিতর কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো ছোট ছোট ১০০টি ইয়াবার পোটলা রয়েছে যার প্রত্যেকটিতে ৩০ পিস করে মোট ৩০০০ পিস ইয়াবা রয়েছে।
সে আরও স্বীকার করে যে, কক্সবাজারে এই ইয়াবার পোটলাগুলো সে খাবারের সাথে গিলে খায় এবং ঢাকায় এসে পায়খানার সাথে বের করে। এরপর সে হাসপাতালের টয়লেটে গিয়ে তার পায়ু পথ দিয়ে কালো টেপ মোড়ানো ছোট ছোট ডিম্বাকৃতির ১০০টি পোটলা বের করে দেয়। উক্ত পোটলাগুলোর প্রত্যেকটিতে ৩০ পিস করে মোট ৩০০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
তাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে অভিনব কৌশলে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
এ বিষয়ে র্যাব-১১ এর উপ অধিনায়ক মো. রোজাউল হক জানান, আটকৃত তাজুল ইসলামের পেট থেকে প্লাস্টিকে মোড়ানো কালো জাম সদৃশ ছোট ছোট প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। ওইসব ছোট ছোট প্যাকেট থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তাজুল ইসলাম (৪৫) এর বাড়ী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন ভারগাঁও দরগাহ বাড়ী এলাকায়। মাদক ব্যবসা তার একমাত্র পেশা। সে দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কায়দায় পেটের ভিতর ইয়াবা ঢুকিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে বাসযোগে ঢাকায় এসে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ীর কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিয়ে আসছে।
তাজুল ইসলাম (৪৫) ফতুল্লা পঞ্চবটি এলাকায় স্কুটার চালান। বেশভূষায় তাকে দেখে মনে হয় ধর্মপ্রাণ মানুষ। প্রথম দেখায় বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে তিনি একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী। কিন্তু অভিনব কায়দায় ইয়াবা পাচার ও ব্যবসা করে আসছিলেন। ইয়াবা পাচারের জন্য তাজুল ইসলাম নিজের দেহকেই ব্যবহার করেছেন বাহন হিসেবে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। র্যাবের জালে আটক হয়েছেন তাইজুল।
২৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাচঁপুর থেকে তাজুল ইসলামকে আটক করে র্যাব। তবে অনেক তল্লাশির পরও তার কাছে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এ সময়।
এদিকে র্যাবের কাছে তথ্য ছিল তাজুল ইসলামের কাছে ইয়াবা রয়েছে। পরে র্যাব তাকে নিয়ে স্থানীয় ক্লিনিক কাঁচপুর ব্রীজ সংলগ্ন সাজেদা হাসপাতালে যায় এবং তার বডি এক্স-রে করে। এ সময় তার পেটের ভেতরে ইয়াবার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
এরপর তাজুল ইসলাম স্বীকার করে যে তার পেটের ভিতর কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো ছোট ছোট ১০০টি ইয়াবার পোটলা রয়েছে যার প্রত্যেকটিতে ৩০ পিস করে মোট ৩০০০ পিস ইয়াবা রয়েছে।
সে আরও স্বীকার করে যে, কক্সবাজারে এই ইয়াবার পোটলাগুলো সে খাবারের সাথে গিলে খায় এবং ঢাকায় এসে পায়খানার সাথে বের করে। এরপর সে হাসপাতালের টয়লেটে গিয়ে তার পায়ু পথ দিয়ে কালো টেপ মোড়ানো ছোট ছোট ডিম্বাকৃতির ১০০টি পোটলা বের করে দেয়। উক্ত পোটলাগুলোর প্রত্যেকটিতে ৩০ পিস করে মোট ৩০০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
তাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে অভিনব কৌশলে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
এ বিষয়ে র্যাব-১১ এর উপ অধিনায়ক মো. রোজাউল হক জানান, আটকৃত তাজুল ইসলামের পেট থেকে প্লাস্টিকে মোড়ানো কালো জাম সদৃশ ছোট ছোট প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। ওইসব ছোট ছোট প্যাকেট থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তাজুল ইসলাম (৪৫) এর বাড়ী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন ভারগাঁও দরগাহ বাড়ী এলাকায়। মাদক ব্যবসা তার একমাত্র পেশা। সে দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কায়দায় পেটের ভিতর ইয়াবা ঢুকিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে বাসযোগে ঢাকায় এসে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ীর কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিয়ে আসছে।


0 Comments