স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী:
কক্সবাজারে অবস্থানরত শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের
মধ্যে (আরআরআরসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম সহ তিন সিআইসিকে বদলী করা হয়েছে।
সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বিশাল জনসভা ও এনজিওদের দেশ বিরোধী
কর্মকান্ডের কারনে এ বদলী বলে জানা গেছে। অন্যদিকে নতুন শরণার্থী ত্রাণ ও
প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি)
হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মাহবুব আলম তালুকদারকে। সুত্রে জানায়, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ আবুল কালামকে (অতিরিক্ত সচিব) বদলী করা হয়েছে। এছাড়াও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) এর দায়িত্বে নিয়োজিত ২জন সিআইসি ও ১জন সহকারী সিআইসিকে বদলী করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয় পৃথকভাবে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন মতে, আরআরআরসি মোহাম্মদ আবুল কালামকে নতুন দায়িত্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার স্থলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্নসচিব) মো: মাহবুব আলম তালুকদারকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) এর দ্বায়িত্বে বদলী করা হয়েছে।
অপরদিকে উখিয়ার মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ করার অনুমতি দেয়া বিতর্কিত কুতুপালং ৪ ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ শামিমুল হক পাভেল (উপসচিব-১৫৮১০), টেকনাফের নয়াপাড়া ১৪ ও ১৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ আবদুল ওয়াহাব রাশেদ (সিনিয়র সহকারী সচিব-১৬২৩৫) এবং সহকারী ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে (সহকারী সচিব-১১৪১২) বদলী করা হয়েছে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: আবুল কালাম জানিয়েছেন, বদলি হওয়া সিআইসি’রা মুলত: নিয়ম অনুযায়ী তাদের বদলি হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের দুই বছর পূর্তির অজুহাতে মহাসমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। এই সমাবেশ নিয়ে সরকার ও দেশ ব্যাপি তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ৪১টি এনজিও’কে নিষিদ্ধ করার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয় পৃথকভাবে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
একটি সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা শিবিরে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠায় এসব কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এনজিওকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়া, রোহিঙ্গাদের সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাসমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। এ সমাবেশের কারণে সারা দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় উঠে। এ নিয়ে খোদ সরকারও বিব্রত অবস্থায় পড়ে। সমাবেশ ও প্রত্যাবাসন বিরোধে জড়িতসহ নানা অভিযোগে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে কর্মরত ৪১টি এনজিওকে নিষিদ্ধ করে সরকার।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম সহ ৮জনকে বদলী করা হয়েছে জানতে পেরেছি। তবে কী কারণে বদলি করা হয়েছে তা আমি জানি না’।
হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মাহবুব আলম তালুকদারকে। সুত্রে জানায়, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ আবুল কালামকে (অতিরিক্ত সচিব) বদলী করা হয়েছে। এছাড়াও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) এর দায়িত্বে নিয়োজিত ২জন সিআইসি ও ১জন সহকারী সিআইসিকে বদলী করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয় পৃথকভাবে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন মতে, আরআরআরসি মোহাম্মদ আবুল কালামকে নতুন দায়িত্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার স্থলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্নসচিব) মো: মাহবুব আলম তালুকদারকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) এর দ্বায়িত্বে বদলী করা হয়েছে।
অপরদিকে উখিয়ার মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ করার অনুমতি দেয়া বিতর্কিত কুতুপালং ৪ ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ শামিমুল হক পাভেল (উপসচিব-১৫৮১০), টেকনাফের নয়াপাড়া ১৪ ও ১৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ আবদুল ওয়াহাব রাশেদ (সিনিয়র সহকারী সচিব-১৬২৩৫) এবং সহকারী ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে (সহকারী সচিব-১১৪১২) বদলী করা হয়েছে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: আবুল কালাম জানিয়েছেন, বদলি হওয়া সিআইসি’রা মুলত: নিয়ম অনুযায়ী তাদের বদলি হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের দুই বছর পূর্তির অজুহাতে মহাসমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। এই সমাবেশ নিয়ে সরকার ও দেশ ব্যাপি তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত ৪১টি এনজিও’কে নিষিদ্ধ করার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয় পৃথকভাবে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
একটি সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা শিবিরে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠায় এসব কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এনজিওকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়া, রোহিঙ্গাদের সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাসমাবেশ করে রোহিঙ্গারা। এ সমাবেশের কারণে সারা দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় উঠে। এ নিয়ে খোদ সরকারও বিব্রত অবস্থায় পড়ে। সমাবেশ ও প্রত্যাবাসন বিরোধে জড়িতসহ নানা অভিযোগে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে কর্মরত ৪১টি এনজিওকে নিষিদ্ধ করে সরকার।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম সহ ৮জনকে বদলী করা হয়েছে জানতে পেরেছি। তবে কী কারণে বদলি করা হয়েছে তা আমি জানি না’।


0 Comments