লম্বা ছুটির ফাঁদে বাংলাদেশ। মাঝখানের দুই দিন ম্যানেজ করতে পারলে কেউ মিলিয়ে নিচ্ছেন ৯ দিন, নিদেন পক্ষে ৪ বা ৫ দিনের ছুটি মিলছেই। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনেকেই ছুটে আসছেন দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার পর্যটক এখন কক্সবাজারে ছুটি কাটাচ্ছেন।
গত ২৭ এপ্রিল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই ছুটির ফাঁদ। প্রথম দু’দিন
সাপ্তাহিক ছুটির দিন,এরপর ২৯ এপ্রিল বুদ্ধ পূর্ণিমা। ৩০ এপ্রিল সোমবার ও ৩ মে শুধু কর্ম দিবস। এর বাইরে ১ মে মঙ্গলবার ও ২ মে শবে বরাতের ছুটি। আর ৪ ও ৫ মে ফের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ছুটি মিলিয়ে নিয়ে সাগর পাড়ে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। লাখ খানেক পর্যটকের ভিড়ে তাই গমগম করছে সৈকত শহর কক্সবাজার।
এদিকে পর্যটকদের স্বাগত জানিয়ে পর্যটন এলাকার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সেজেছে আকর্ষণীয় সাজে। পর্যটকদের আগমন উপলক্ষে হোটেল-মোটেলগুলো ধোয়া-মোছাসহ রং করা হয়েছে। পরিবর্তন করা হয়েছে হোটেল-মোটেলের পুরনো জিনিসপত্র। বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করে জোরদার করা হয়েছে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ছুটির সুবিধা মাথায় রেখে অধিকাংশ পর্যটকই অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন। যারা বুকিং দেননি তাদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
কক্সবাজারের তারকা মানের হোটেল সী-গাল এর ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজার নুর এ আলম বলেন,‘অতীতের কথা মাথায় রেখেই আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি এবং সাড়াও পেয়েছি। হোটেলে কোনও রুম খালি নেই। পর্যটকদের অধিকাংশই অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন।’
হোটেল মোটেল ওনার’স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন,‘এবার আমরা পর্যটকদের বরণ করে নেওয়ার জন্য ভিন্ন আঙ্গিকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আশা করছি এ ৯ দিনের ছুটিতে আমাদের ব্যবসা ভালো হবে।’

হোটেল দ্য কক্স টুডে’র রুম ডিভিশন অফিসার আবু তালেব বলেন,‘ঈদ ছাড়া এমন দীর্ঘ সরকারি ছুটি আগে কখনও হয়নি। এ ছাড়াও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকের সংখ্যাও কম ছিল। কিন্তু এখন সব কিছুই অনুকূলে রয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালী, হিমছড়ি, ইনানি, দরিয়ানগর, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ প্রায় সব পর্যটন স্পট নতুন সাজে সেজেছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন,‘পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সজাগ রয়েছি। এবারের ছুটি বর্ষায় হওয়ায় আমরা লাইফ গার্ডদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি। যাতে পানিতে ডুবে কোনও পর্যটকের প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে। এছাড়া আমরা টেকনাফ ও ইনানিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের নতুন ক্যাম্প খুলেছি, যেটা এর আগে ছিল না।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজম্যান কমিটির সভাপতি মো. কামাল হোসেন বলেন,‘পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বিধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আগাম সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’
গত ২৭ এপ্রিল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই ছুটির ফাঁদ। প্রথম দু’দিন
সাপ্তাহিক ছুটির দিন,এরপর ২৯ এপ্রিল বুদ্ধ পূর্ণিমা। ৩০ এপ্রিল সোমবার ও ৩ মে শুধু কর্ম দিবস। এর বাইরে ১ মে মঙ্গলবার ও ২ মে শবে বরাতের ছুটি। আর ৪ ও ৫ মে ফের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ছুটি মিলিয়ে নিয়ে সাগর পাড়ে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। লাখ খানেক পর্যটকের ভিড়ে তাই গমগম করছে সৈকত শহর কক্সবাজার।
এদিকে পর্যটকদের স্বাগত জানিয়ে পর্যটন এলাকার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সেজেছে আকর্ষণীয় সাজে। পর্যটকদের আগমন উপলক্ষে হোটেল-মোটেলগুলো ধোয়া-মোছাসহ রং করা হয়েছে। পরিবর্তন করা হয়েছে হোটেল-মোটেলের পুরনো জিনিসপত্র। বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করে জোরদার করা হয়েছে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ছুটির সুবিধা মাথায় রেখে অধিকাংশ পর্যটকই অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন। যারা বুকিং দেননি তাদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
কক্সবাজারের তারকা মানের হোটেল সী-গাল এর ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজার নুর এ আলম বলেন,‘অতীতের কথা মাথায় রেখেই আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি এবং সাড়াও পেয়েছি। হোটেলে কোনও রুম খালি নেই। পর্যটকদের অধিকাংশই অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন।’
হোটেল মোটেল ওনার’স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন,‘এবার আমরা পর্যটকদের বরণ করে নেওয়ার জন্য ভিন্ন আঙ্গিকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আশা করছি এ ৯ দিনের ছুটিতে আমাদের ব্যবসা ভালো হবে।’
হোটেল দ্য কক্স টুডে’র রুম ডিভিশন অফিসার আবু তালেব বলেন,‘ঈদ ছাড়া এমন দীর্ঘ সরকারি ছুটি আগে কখনও হয়নি। এ ছাড়াও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকের সংখ্যাও কম ছিল। কিন্তু এখন সব কিছুই অনুকূলে রয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালী, হিমছড়ি, ইনানি, দরিয়ানগর, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ প্রায় সব পর্যটন স্পট নতুন সাজে সেজেছে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন,‘পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সজাগ রয়েছি। এবারের ছুটি বর্ষায় হওয়ায় আমরা লাইফ গার্ডদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি। যাতে পানিতে ডুবে কোনও পর্যটকের প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে। এছাড়া আমরা টেকনাফ ও ইনানিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের নতুন ক্যাম্প খুলেছি, যেটা এর আগে ছিল না।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজম্যান কমিটির সভাপতি মো. কামাল হোসেন বলেন,‘পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বিধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আগাম সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’


0 Comments