নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাইগ্যা ঘুনায় নববধূ তসলিমা হত্যার ১০দিন অতিবাহিত হলেও মূল হত্যা কান্ডের নেপথ্য নায়ক রা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। অপরদিকে হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মোটা অংকের মিশন নিয়ে জোর তদবির শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত তসলিমার পরিবার।
জানা যায়,গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং
ইউনিয়নের খারাইগ্যাঘুনা গ্রামে শশুরবাড়িতেই খুন হয় তসলিমা বেগম নামক এক নববধূ। ঘটনার পর নিহত তসলিমা আক্তারের পিতা জলাল আহমদ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরি প্রেক্ষিতে টেকনাফ থানা পুলিশ স্বামীকে আটক করলেও শশুর আলী আকবর সহ অপর আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
নিহত তসলিমা আক্তারের পিতা টেকনাফ ও হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা নয়াপাড়া গ্রামের জালাল আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আমার মেয়ে কে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যার নেপথ্য আলী আকবর,মোছা আকবর,গোলাম আকবর সহ ২ মহিলার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
নিহত তসলিমার মাতা শমসুন্নাহার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়ে কে খুন করার আগে ও তার উপর বহুবার শারিরিক নির্যাতন করা হয়েছে। যা এলাকার সকলেরই জানা রয়েছে।
তসলিমার মামা আব্দুল করিম জানান, মেয়েটি কে কেন খুন করা হয়েছে, কারা খুন করেছে ?তার নেপথ্য কারা জড়িত, তা খুজে বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, কতিপয় নেতার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মোটা অংকের মিশন নিয়ে কাজ করছে একটি অসাধুচক্র।
২৭ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘটনার বর্ণণা দিয়ে নিহত তসলিমার পিতা বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারী ভোররাতে আমার মেয়ে তসলিমা আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে আমি সকাল ৭টার দিকে উখিয়া হাসপাতালে পৌঁছি। আমার মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। মেয়ের শরীরে ও গলায় আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। কর্তব্যরত ডাক্তার উখিয়া থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ উখিয়া থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে নিয়ে যায়। পোস্টমর্টেম শেষে লাশ ২৬ ফেব্রুয়ারী রাতে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় (মামলা নং-৪৩/২৬-০২-২০১৮ইং) একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে ২৭ ফেব্রুয়ারী দুপুরে থানার এসআই মহির উদ্দিন খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক স্বামী বিভিন্ন ধরনের উলট-পাল্টা তথ্য দেওয়ায় সন্দেহ আরো বাড়ছে। তাছাড়ার ঘটনার ৩ দিন আগে বিয়াই আলী আকবর বিভিন্ন হুমকি দিয়েছিল। আমি নিশ্চিত যে আমার মেয়েকে শশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এতে কোন সন্দেহ নেই।
উল্লেখ্য টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং খারাইগ্যাঘোনার আলী আকবরের পুত্র নুরুল বশর প্রকাশ মিড়াইয়্যা (২৫) এবং একই উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা নয়াপাড়া গ্রামের জালাল আহমদ মেয়ে তসলিমা আক্তার (১৫) পরস্পর দুর সম্পর্কের আত্বীয়। মাত্র আড়াই মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছিল। কিন্ত ছেলের মা-বাবা এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি স্বামীর পিতা ও আত্মীয় স্বজন। এনিয়ে প্রায় সময় ঝগড়া হত। তসলিমা আক্তার গতবারে জেএসসি পরিক্ষা দিয়েছে। কিন্ত আর ভর্তি হতে পারেনি। নিহত তসলিমার পিতা জানান,আমার মেয়ে কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, আটক স্বামীকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাইগ্যা ঘুনায় নববধূ তসলিমা হত্যার ১০দিন অতিবাহিত হলেও মূল হত্যা কান্ডের নেপথ্য নায়ক রা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। অপরদিকে হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মোটা অংকের মিশন নিয়ে জোর তদবির শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত তসলিমার পরিবার।
জানা যায়,গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং
ইউনিয়নের খারাইগ্যাঘুনা গ্রামে শশুরবাড়িতেই খুন হয় তসলিমা বেগম নামক এক নববধূ। ঘটনার পর নিহত তসলিমা আক্তারের পিতা জলাল আহমদ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরি প্রেক্ষিতে টেকনাফ থানা পুলিশ স্বামীকে আটক করলেও শশুর আলী আকবর সহ অপর আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
নিহত তসলিমা আক্তারের পিতা টেকনাফ ও হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা নয়াপাড়া গ্রামের জালাল আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আমার মেয়ে কে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যার নেপথ্য আলী আকবর,মোছা আকবর,গোলাম আকবর সহ ২ মহিলার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
নিহত তসলিমার মাতা শমসুন্নাহার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়ে কে খুন করার আগে ও তার উপর বহুবার শারিরিক নির্যাতন করা হয়েছে। যা এলাকার সকলেরই জানা রয়েছে।
তসলিমার মামা আব্দুল করিম জানান, মেয়েটি কে কেন খুন করা হয়েছে, কারা খুন করেছে ?তার নেপথ্য কারা জড়িত, তা খুজে বের করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, কতিপয় নেতার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মোটা অংকের মিশন নিয়ে কাজ করছে একটি অসাধুচক্র।
২৭ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘটনার বর্ণণা দিয়ে নিহত তসলিমার পিতা বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারী ভোররাতে আমার মেয়ে তসলিমা আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে আমি সকাল ৭টার দিকে উখিয়া হাসপাতালে পৌঁছি। আমার মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। মেয়ের শরীরে ও গলায় আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। কর্তব্যরত ডাক্তার উখিয়া থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ উখিয়া থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে নিয়ে যায়। পোস্টমর্টেম শেষে লাশ ২৬ ফেব্রুয়ারী রাতে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় (মামলা নং-৪৩/২৬-০২-২০১৮ইং) একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে ২৭ ফেব্রুয়ারী দুপুরে থানার এসআই মহির উদ্দিন খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক স্বামী বিভিন্ন ধরনের উলট-পাল্টা তথ্য দেওয়ায় সন্দেহ আরো বাড়ছে। তাছাড়ার ঘটনার ৩ দিন আগে বিয়াই আলী আকবর বিভিন্ন হুমকি দিয়েছিল। আমি নিশ্চিত যে আমার মেয়েকে শশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এতে কোন সন্দেহ নেই।
উল্লেখ্য টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং খারাইগ্যাঘোনার আলী আকবরের পুত্র নুরুল বশর প্রকাশ মিড়াইয়্যা (২৫) এবং একই উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা নয়াপাড়া গ্রামের জালাল আহমদ মেয়ে তসলিমা আক্তার (১৫) পরস্পর দুর সম্পর্কের আত্বীয়। মাত্র আড়াই মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছিল। কিন্ত ছেলের মা-বাবা এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি স্বামীর পিতা ও আত্মীয় স্বজন। এনিয়ে প্রায় সময় ঝগড়া হত। তসলিমা আক্তার গতবারে জেএসসি পরিক্ষা দিয়েছে। কিন্ত আর ভর্তি হতে পারেনি। নিহত তসলিমার পিতা জানান,আমার মেয়ে কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, আটক স্বামীকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


0 Comments