সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা হলেন- কলকাতার চেতলা এলাকার ভাস্কর পাণ্ডের স্ত্রী নন্দীনি পাণ্ডে (৫৮), পারাসাদ এলাকার স্বপন মল্লিকের স্ত্রী প্রতীকা মল্লিক(৫৫) ও একই এলাকার অমিতাভ বসুর স্ত্রী মনজুল ঘোষ(২৮)।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি রণজিৎ কুমার বড়ুয়া জানান, স্পিডবোটটি
১০ ভারতীয় নাগরিক নিয়ে কক্সবাজারের ৬নং জেটিঘাট থেকে মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরে যাচ্ছিল। এ সময় বাঁকখালীর মোহনায় পৌঁছালে স্পিডবোটটি উল্টে গিয়ে ১০ যাত্রীই নদীতে পড়ে যান।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কক্সবাজার মডেল থানার এসআই সণজিৎ কুমার নাথ বলেন, প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে স্পিডবোটটি উল্টে গেলে সবাই নদীতে পড়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।
স্পিডবোটে থাকা সবাই ভারতীয় নাগরিক। তাদের মধ্যে তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
তারা হলেন- কলকাতার চেতলা এলাকার ভাস্কর পাণ্ডের স্ত্রী নন্দীনি পাণ্ডে (৫৮), পারাসাদ এলাকার স্বপন মল্লিকের স্ত্রী প্রতীকা মল্লিক(৫৫) ও একই এলাকার অমিতাভ বসুর স্ত্রী মনজুল ঘোষ(২৮)।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি রণজিৎ কুমার বড়ুয়া জানান, স্পিডবোটটি
১০ ভারতীয় নাগরিক নিয়ে কক্সবাজারের ৬নং জেটিঘাট থেকে মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরে যাচ্ছিল। এ সময় বাঁকখালীর মোহনায় পৌঁছালে স্পিডবোটটি উল্টে গিয়ে ১০ যাত্রীই নদীতে পড়ে যান।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কক্সবাজার মডেল থানার এসআই সণজিৎ কুমার নাথ বলেন, প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে স্পিডবোটটি উল্টে গেলে সবাই নদীতে পড়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।
স্পিডবোটে থাকা সবাই ভারতীয় নাগরিক। তাদের মধ্যে তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।


0 Comments