আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হ্যালে থরনিং স্মিথ বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। একে আন্তর্জাতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। কিছুদিন পর যাতে এই জনগোষ্ঠীর ওপর থেকে সবার চোখ অন্যদিকে সরে না যায়, সে আহ্বানও জানান তিনি।
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু এবং রোহিঙ্গা সমস্যাকে ‘মানবসৃষ্ট’
সমস্যা বা ক্রাইসিস হিসেবে উল্লেখ করেন হ্যালে থরনিং স্মিথ। তিনি শিশুদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পর তাদের শিক্ষা—বিশেষ করে স্কুলে যাওয়ার বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেন।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে থরনিং স্মিথ এসব কথা বলেন। শুক্রবার তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। আজ সফরের শেষ দিনে সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যাকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সব জায়গায় শিশু। চরম অপুষ্টি ও নির্যাতনের শিকার তারা। এতিম শিশু বা পরিবার থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশুরা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোহিঙ্গা শিশুরা শোষণ, অপব্যবহার এমনকি পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই শিশুদের সুরক্ষায় সবাইকে নজর দিতে হবে।
হ্যালে থরনিং স্মিথ রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টিতে মিয়ানমার সরকারের সমালোচনা করার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সেভ দ্য চিলড্রেনের এ দেশীয় পরিচালক মার্ক পিয়ারসও বাংলাদেশ সরকারকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় ধন্যবাদ জানান। একেক পরিবারে ৪ জন, ৬ জন করে শিশুর সংখ্যা উল্লেখ করে কম করে হলেও ১০ জনের একেকটি পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের খাদ্য, বাসস্থানসহ অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষা, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন তিনি।
রোহিঙ্গারা যাতে যথাযথভাবে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে, সে জন্য আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন হ্যালে থরনিং স্মিথ ও মার্ক পিয়ারস।
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই শিশু এবং রোহিঙ্গা সমস্যাকে ‘মানবসৃষ্ট’
সমস্যা বা ক্রাইসিস হিসেবে উল্লেখ করেন হ্যালে থরনিং স্মিথ। তিনি শিশুদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পর তাদের শিক্ষা—বিশেষ করে স্কুলে যাওয়ার বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেন।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে থরনিং স্মিথ এসব কথা বলেন। শুক্রবার তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। আজ সফরের শেষ দিনে সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যাকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সব জায়গায় শিশু। চরম অপুষ্টি ও নির্যাতনের শিকার তারা। এতিম শিশু বা পরিবার থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশুরা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোহিঙ্গা শিশুরা শোষণ, অপব্যবহার এমনকি পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই শিশুদের সুরক্ষায় সবাইকে নজর দিতে হবে।
হ্যালে থরনিং স্মিথ রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টিতে মিয়ানমার সরকারের সমালোচনা করার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সেভ দ্য চিলড্রেনের এ দেশীয় পরিচালক মার্ক পিয়ারসও বাংলাদেশ সরকারকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় ধন্যবাদ জানান। একেক পরিবারে ৪ জন, ৬ জন করে শিশুর সংখ্যা উল্লেখ করে কম করে হলেও ১০ জনের একেকটি পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি তাদের খাদ্য, বাসস্থানসহ অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষা, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন তিনি।
রোহিঙ্গারা যাতে যথাযথভাবে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে, সে জন্য আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন হ্যালে থরনিং স্মিথ ও মার্ক পিয়ারস।


0 Comments