শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া এই সফর দুই দেশের মধ্যে ‘প্রগাঢ় বন্ধুত্বের’ পথ তৈরি করবে বলে আশা করছে তারা।
নয়া দিল্লির সাউথ ব্লকে বুধবার একদল বাংলাদেশি সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে বলেন, “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ডেস্ক) শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “এটা কোনো মামুলি সফর নয়।
“দুই দেশের সম্পর্ক ইতোমধ্যেই সর্বোচ্চ সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটা সবচেয়ে ইতিবাচক সম্পর্ক। এই সফর সম্পর্ককে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে।”
প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফর সামনে রেখে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে আটজন বাংলাদেশি সাংবাদিকের একটি দল নয়া দিল্লি সফর করছেন।
সাত বছর পর রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা ঘুরে গেছ্নে প্রায় দুই বছর আগে ২০১৫ সালের জুনে।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ৮ এপ্রিল নয়া দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলছেন, এই সফরে ভারতের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, পরমাণু বিদ্যুৎ, বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৩৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে তারা আশা করছেন।
তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাগড়ায় আটকে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে এখনও কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়, যার সমালোচনায় মুখর বিএনপি নেতারা।
তারা বলছেন, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হলে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর হবে অর্থহীন।
ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকেরও বিরোধিতা করছে বিএনপি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ বিষয়াবলী দেখভালের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথান জানান, সফরে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে সেগুলো চূড়ান্ত করার কাজ এখনও চলছে।
প্রতিটি বিষয় তা চুক্তি বা এমওইউ যা-ই হোক না কেন, তার জন্য মন্ত্রিপরিষদের সায় নিতে হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যে কোনো সংশ্লিষ্টতাই ‘তার মতো করে অর্থপূর্ণ’।
“ এখানে কোনো পক্ষের লাভ বা ক্ষতি হওয়ার কোনো বিষয় নেই। বর্তমানে আমাদের যে সম্পর্ক, তা সর্বোচ্চ সম্মিলিত অংশীদারিত্বের।”
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে জট খুলতে তারা এখনও ‘অভ্যন্তরীণ জটিলতা’ কাটিয়ে উঠতে কাজ করছেন বলে জানান শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথান।
“আপনারা সবাই জানেন, আমাদের ব্যবস্থায় রাজ্য সরকারকে সঙ্গে নিতে হয়।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও রেল ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মতো বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন নয়া দিল্লি সফররত সাংবাদিকরা।
গত সাত বছরে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভারত ও বাংলাদেশের সহযোগিতা বেড়েছে।
তবে সমালোচকরা বলে আসছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের দীর্ঘ দিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ কমাতে যেভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন সে তুলনায় তেমন কিছু পায়নি বাংলাদেশ।
বিএনপির শাসনামলে২০০১ থেকে ২০০৪ সালে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সে দেশে কার্যক্রম চালাতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে বলে অভিযোগ নয়া দিল্লির। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে কাউকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নয়া দিল্লির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “এটাই (নিরাপত্তা ইস্যু) বর্তমান সহযোগিতার ভিত তৈরি করে দিয়েছে। এতে যে আস্থা তৈরি হয়েছে তার কারণেই কয়েক দশক ঝুলে থাকা স্থল সীমান্ত চুক্তির সুরাহা হয়েছে।
“ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগে নজর দেওয়ায় এদেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে মনোভাব ও আচরণে পরিবর্তন হয়েছে। আমি মনে করি, এটাই সম্পর্কের মোড় ঘুরিয়েছে।”
লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় এরইমধ্যে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ভারত এই সফরে আরও ডজনখানেক উন্নয়ন প্রকল্পে চার বিলিয়নডলার বা তার বেশি অর্থায়নের পরিকল্পনা করছে।
ভারত এলওসিতে প্রথম দফায় যে এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার দিয়েছিল, তার ২০ কোটি ডলার পরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনুদান হিসেবে দেয়।
নয়া দিল্লির সাউথ ব্লকে বুধবার একদল বাংলাদেশি সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে বলেন, “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ডেস্ক) শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “এটা কোনো মামুলি সফর নয়।
“দুই দেশের সম্পর্ক ইতোমধ্যেই সর্বোচ্চ সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটা সবচেয়ে ইতিবাচক সম্পর্ক। এই সফর সম্পর্ককে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে।”
প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফর সামনে রেখে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে আটজন বাংলাদেশি সাংবাদিকের একটি দল নয়া দিল্লি সফর করছেন।
সাত বছর পর রাষ্ট্রীয় সফরে ভারত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা ঘুরে গেছ্নে প্রায় দুই বছর আগে ২০১৫ সালের জুনে।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ৮ এপ্রিল নয়া দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলছেন, এই সফরে ভারতের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, পরমাণু বিদ্যুৎ, বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৩৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে তারা আশা করছেন।
তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাগড়ায় আটকে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে এখনও কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়, যার সমালোচনায় মুখর বিএনপি নেতারা।
তারা বলছেন, তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হলে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর হবে অর্থহীন।
ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকেরও বিরোধিতা করছে বিএনপি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ বিষয়াবলী দেখভালের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথান জানান, সফরে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে সেগুলো চূড়ান্ত করার কাজ এখনও চলছে।
প্রতিটি বিষয় তা চুক্তি বা এমওইউ যা-ই হোক না কেন, তার জন্য মন্ত্রিপরিষদের সায় নিতে হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যে কোনো সংশ্লিষ্টতাই ‘তার মতো করে অর্থপূর্ণ’।
“ এখানে কোনো পক্ষের লাভ বা ক্ষতি হওয়ার কোনো বিষয় নেই। বর্তমানে আমাদের যে সম্পর্ক, তা সর্বোচ্চ সম্মিলিত অংশীদারিত্বের।”
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে জট খুলতে তারা এখনও ‘অভ্যন্তরীণ জটিলতা’ কাটিয়ে উঠতে কাজ করছেন বলে জানান শ্রীপ্রিয়া রঙ্গনাথান।
“আপনারা সবাই জানেন, আমাদের ব্যবস্থায় রাজ্য সরকারকে সঙ্গে নিতে হয়।”
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও রেল ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মতো বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন নয়া দিল্লি সফররত সাংবাদিকরা।
গত সাত বছরে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভারত ও বাংলাদেশের সহযোগিতা বেড়েছে।
তবে সমালোচকরা বলে আসছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের দীর্ঘ দিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ কমাতে যেভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন সে তুলনায় তেমন কিছু পায়নি বাংলাদেশ।
বিএনপির শাসনামলে২০০১ থেকে ২০০৪ সালে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সে দেশে কার্যক্রম চালাতে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে বলে অভিযোগ নয়া দিল্লির। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে কাউকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নয়া দিল্লির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “এটাই (নিরাপত্তা ইস্যু) বর্তমান সহযোগিতার ভিত তৈরি করে দিয়েছে। এতে যে আস্থা তৈরি হয়েছে তার কারণেই কয়েক দশক ঝুলে থাকা স্থল সীমান্ত চুক্তির সুরাহা হয়েছে।
“ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগে নজর দেওয়ায় এদেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে মনোভাব ও আচরণে পরিবর্তন হয়েছে। আমি মনে করি, এটাই সম্পর্কের মোড় ঘুরিয়েছে।”
লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় এরইমধ্যে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ভারত এই সফরে আরও ডজনখানেক উন্নয়ন প্রকল্পে চার বিলিয়নডলার বা তার বেশি অর্থায়নের পরিকল্পনা করছে।
ভারত এলওসিতে প্রথম দফায় যে এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার দিয়েছিল, তার ২০ কোটি ডলার পরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনুদান হিসেবে দেয়।


0 Comments