কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারনে সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত
হচ্ছে সাধারন রোগীরা। চিকিৎসকের পদ থাকলেও শূন্য রয়ে যাচ্ছে অনেক পদ। আর এ
কারনে রোগীদের অভিযোগের শেষ নেই। বিভাগ আর পদ থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় বন্ধ
রয়েছে অনেক বিভাগের চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক সংকট থাকায় রোগীদের চিকিৎসা
সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
কর্তৃপক্ষ জানায় ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকে ৫’শ – ৬ ’শ। এই ৫- ৬ ’শ রোগীর জন্য চিকিৎসক প্রয়োজন প্রায় ১’শ জন। অথচ চিকিৎসকের পদ রয়েছে মাত্র ৬২ টি তার মধ্যে ৫০ জন চিকিৎসক রয়েছে। শূন্য রয়েছে ১২ টি পদ।
তত্ত্বাবধায়কের পদ রয়েছে ১ টি । ৩ মাস ধরে শূন্য রয়েছে পদটি। তা ছাড়া শূন্য রয়েছে চর্ম ও যৌন বিভাগের সিনিয়র কন্সালটে›টের ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সলটে›টের (ইএনটি) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (রেডিওলজি) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (প্যাথলজিস্ট) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (ডেন্টাল) ১ টি পদ। আবাসিক মেডিকেল অফিসারের ২ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ২ টি পদই। ই.এম.ও এর ৭ টির মধ্যে ২ টি পদ শূন্য। মেডিকেল অফিসারের ১০ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ১ টি। সহকারি রেজিস্টার/ সহকারী সার্জনের ৯ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ১ টি পদ।
রোগীর স্বজন মনোয়ারা বেগম বলেন “ বোনকে নিয়ে ৩ দিন ধরে হাসপাতালে আছি সকালে এসে একবার ডাক্তার এসে দেখে যায়। সারা দিনে ডাক্তারের আর খবর থাকেনা। রোগীর অবস্থা খারাপ হলে র্নাসকে ডাক্তার ডাকতে বললে র্নাস ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দেয়। ”
রোগীর স্বজন আলতাফ মাহমুদ বলেন “ গতকাল এক ডাক্তার এসে কিছু টেস্ট করতে বলে। আজ সকাল এগারোটা বাজেও সেই ডাক্তারকে হাসপাতালে খুজে পেলামনা। এগিকে রোগীর অবস্থা খারাপ। রির্পোটে কি আসলো কিছু জানতে পারছিনা। যে রির্পোট ১ ঘন্টার ভিতর দিয়ে দেয় তা সাথে সাথে ডাক্তারকে দেখাতে পারলে আগে আগে ব্যবস্থা নেয় যেত।
সরেজমিনে হাসপাতাল পরির্দশন করে দেখা যায় চিকিৎসক সংকটের কারনে বন্ধ রয়েছে অনেক বিভাগের র্কাযক্রম। বন্ধ থাকা এসব বিভাগের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডাঃ আখতারুল ইসলাম বলেন “ রোগীদের অভিযোগ থাকবেনা কেন? ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকো ৫ থেকে ৬’শ জন। দ্বিগুন রোগীকে আমাদের সেবা দিতে হয়। দ্বিগুন চিকিৎসক তো প্রয়োজন হবেই। কমপক্ষে ১২০ জন চিকিৎসক আমাদের প্রয়োজন। অথচ ৬২ জনের পদের মধ্যে ১২ টি পদই শূন্য। চিকিৎসকেরা সেবা দিতে হিমশিম খেয়ে যান। ” তিনি জানান অনেকদিন ধরেই চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরন ও নতুন পদ সৃস্টির আবেদন করা হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু কাজ হচ্ছেনা।
কর্তৃপক্ষ জানায় ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকে ৫’শ – ৬ ’শ। এই ৫- ৬ ’শ রোগীর জন্য চিকিৎসক প্রয়োজন প্রায় ১’শ জন। অথচ চিকিৎসকের পদ রয়েছে মাত্র ৬২ টি তার মধ্যে ৫০ জন চিকিৎসক রয়েছে। শূন্য রয়েছে ১২ টি পদ।
তত্ত্বাবধায়কের পদ রয়েছে ১ টি । ৩ মাস ধরে শূন্য রয়েছে পদটি। তা ছাড়া শূন্য রয়েছে চর্ম ও যৌন বিভাগের সিনিয়র কন্সালটে›টের ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সলটে›টের (ইএনটি) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (রেডিওলজি) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (প্যাথলজিস্ট) ১ টি পদ। জুনিয়র কন্সালটেন্ট (ডেন্টাল) ১ টি পদ। আবাসিক মেডিকেল অফিসারের ২ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ২ টি পদই। ই.এম.ও এর ৭ টির মধ্যে ২ টি পদ শূন্য। মেডিকেল অফিসারের ১০ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ১ টি। সহকারি রেজিস্টার/ সহকারী সার্জনের ৯ টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ১ টি পদ।
রোগীর স্বজন মনোয়ারা বেগম বলেন “ বোনকে নিয়ে ৩ দিন ধরে হাসপাতালে আছি সকালে এসে একবার ডাক্তার এসে দেখে যায়। সারা দিনে ডাক্তারের আর খবর থাকেনা। রোগীর অবস্থা খারাপ হলে র্নাসকে ডাক্তার ডাকতে বললে র্নাস ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দেয়। ”
রোগীর স্বজন আলতাফ মাহমুদ বলেন “ গতকাল এক ডাক্তার এসে কিছু টেস্ট করতে বলে। আজ সকাল এগারোটা বাজেও সেই ডাক্তারকে হাসপাতালে খুজে পেলামনা। এগিকে রোগীর অবস্থা খারাপ। রির্পোটে কি আসলো কিছু জানতে পারছিনা। যে রির্পোট ১ ঘন্টার ভিতর দিয়ে দেয় তা সাথে সাথে ডাক্তারকে দেখাতে পারলে আগে আগে ব্যবস্থা নেয় যেত।
সরেজমিনে হাসপাতাল পরির্দশন করে দেখা যায় চিকিৎসক সংকটের কারনে বন্ধ রয়েছে অনেক বিভাগের র্কাযক্রম। বন্ধ থাকা এসব বিভাগের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডাঃ আখতারুল ইসলাম বলেন “ রোগীদের অভিযোগ থাকবেনা কেন? ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকো ৫ থেকে ৬’শ জন। দ্বিগুন রোগীকে আমাদের সেবা দিতে হয়। দ্বিগুন চিকিৎসক তো প্রয়োজন হবেই। কমপক্ষে ১২০ জন চিকিৎসক আমাদের প্রয়োজন। অথচ ৬২ জনের পদের মধ্যে ১২ টি পদই শূন্য। চিকিৎসকেরা সেবা দিতে হিমশিম খেয়ে যান। ” তিনি জানান অনেকদিন ধরেই চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরন ও নতুন পদ সৃস্টির আবেদন করা হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু কাজ হচ্ছেনা।

0 Comments