আহমেদ সুমন : জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিঙ্গাপুর থেকে ২৬ শ্রমিককে দেশে
ফেরত পাঠানোর পর সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিরা বেশ আতঙ্কিত। জানা গেছে,
নির্মাণ ও জাহাজ শিল্পে বাংলাদেশি শ্রমিকের বিপরীতে ভারতসহ অন্যান্য দেশ
থেকে শ্রমিক নিচ্ছে সিঙ্গাপুর। যে কারণে অচিরেই সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি
শ্রমবাজার সংকুচিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উগ্রপন্থার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর ২৬ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠায় সিঙ্গাপুর সরকার। তাদের মধ্যে আট জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজ দেয়া হয়। আর সেই তকমা বয়ে বেড়াতে হাচ্ছে অন্যান্য শ্রমিকদের। সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা বলছেন, ‘নিয়োগকর্তারা বাংলাদেশি শ্রমিকদের আর আগের মতো বিশ্বাস করে না। শ্রমিকদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রবাসে এমন নজরদারীর জালে আটকা পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকরা অস্বত্বির মধ্যে আছেন।’
সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশি এক শ্রমিক বলেন, ‘১০/১৫ জন শ্রমিক একসাথে বসে থাকতে দেখলেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হতে চায় শ্রমিকদের আইএস এর সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা। সিঙ্গাপুরের শ্রমিকদেরকে যারা নেতৃত্ব দেন তারা এখন বাংলাদেশি শ্রমিকদের বাঁকা চোখে দেখেন।’
বাংলাদেশি শ্রমিকদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার জেরে শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শ্রম সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রতি কোন লিখিত অনাগ্রহ প্রকাশ না করলেও অলিখিতভাবে তা কিছুটা প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের মধ্যে সত্যিই কিছুটা অনীহা তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের যায়গায় অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।’
এ অবস্থায় সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাতে কোনরকম উগ্রপন্থার সাথে জড়িত না হয় সে লক্ষ্যে অবসরে শ্রমিকদের জন্য নানামূখী সাংস্কৃতিক চর্চার আয়োজন করছেন প্রবাসীরা।
সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী কেবল অপরাধীই অপরাধের শাস্তি ভোগ করেন। সে অর্থে জঙ্গি ইস্যুতে এখানকার ২ লাখ বাংলাদেশি প্রাবাসীর কোন প্রশাসনিক সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু এখানকার শ্রমিকদের সঙ্গে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে সেটি কাটিয়ে উঠতে হয়তো বেশ সময় লেগে যাবে বলে মনে করছেন সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা। একাত্তর টিভি অবলম্বনে
উগ্রপন্থার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছর ২৬ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠায় সিঙ্গাপুর সরকার। তাদের মধ্যে আট জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজ দেয়া হয়। আর সেই তকমা বয়ে বেড়াতে হাচ্ছে অন্যান্য শ্রমিকদের। সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা বলছেন, ‘নিয়োগকর্তারা বাংলাদেশি শ্রমিকদের আর আগের মতো বিশ্বাস করে না। শ্রমিকদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রবাসে এমন নজরদারীর জালে আটকা পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকরা অস্বত্বির মধ্যে আছেন।’
সিঙ্গাপুরে কর্মরত বাংলাদেশি এক শ্রমিক বলেন, ‘১০/১৫ জন শ্রমিক একসাথে বসে থাকতে দেখলেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হতে চায় শ্রমিকদের আইএস এর সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা। সিঙ্গাপুরের শ্রমিকদেরকে যারা নেতৃত্ব দেন তারা এখন বাংলাদেশি শ্রমিকদের বাঁকা চোখে দেখেন।’
বাংলাদেশি শ্রমিকদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার জেরে শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শ্রম সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রতি কোন লিখিত অনাগ্রহ প্রকাশ না করলেও অলিখিতভাবে তা কিছুটা প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের মধ্যে সত্যিই কিছুটা অনীহা তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের যায়গায় অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।’
এ অবস্থায় সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাতে কোনরকম উগ্রপন্থার সাথে জড়িত না হয় সে লক্ষ্যে অবসরে শ্রমিকদের জন্য নানামূখী সাংস্কৃতিক চর্চার আয়োজন করছেন প্রবাসীরা।
সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী কেবল অপরাধীই অপরাধের শাস্তি ভোগ করেন। সে অর্থে জঙ্গি ইস্যুতে এখানকার ২ লাখ বাংলাদেশি প্রাবাসীর কোন প্রশাসনিক সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু এখানকার শ্রমিকদের সঙ্গে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে সেটি কাটিয়ে উঠতে হয়তো বেশ সময় লেগে যাবে বলে মনে করছেন সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা। একাত্তর টিভি অবলম্বনে


0 Comments