এম.ডি ফরিদউৎপেতে আছে ওরা। ছদ্মবেশে চারপাশে। নানা কৌশলে। সুযোগ বুঝে ছোঁ মারছে। হামলে পড়ছে। মুহূর্তেই ছিনিয়ে নিচ্ছে সবকিছু। নানা অভিনব কৌশল ছিনতাইকারীদের। হাজারো ফাঁদ পেতে বসে আছে তারা। রাস্তায় পথচারী কিংবা গাড়িতে যাত্রীরা ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন।
প্রতিদিন ঘটছে ছিনতাইয়ের বিচিত্র ঘটনা। অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিচ্ছে টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন সেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। কখনো একা ও সংঘবদ্ধভাবে সক্রিয় ছিনতাইকারীরা। মধ্যরাত থেকে দিনদুপুর। প্রতিদিন শহরে নানাভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জেলা থেকে উপজেলা, পৌর শহরেও হচ্ছে ছিনতাই। মুহূর্তেই ছিনতাই হচ্ছে মানুষের সহায় সম্বল। সেই সঙ্গে ছিনতাই হচ্ছে মুখের হাসি। পরিবারের আনন্দ। এমনকি বেপরোয়া ছিনতাইকারীদের নির্মমতায় যাচ্ছে প্রাণ। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর নামে আড়ালে রয়ে যাচ্ছে ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র। প্রতিদিনই শহরের কোথাও না কোথাও একাধিক ছিনতাইয়ের খবর শুনা যায়। জরিপে ড়ঠে এসেছে বিচিত্র ধরনের ছিনতাই। সহজ উপায়ে অবৈধভাবে মুহূর্তের মধ্যে লাভবান হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। পিন থেকে প্লেন। বাদ যাচ্ছে না কিছুই। র্প্রতিদিন টাকা- পয়সা ছিনতাইয়ের বহু ঘটনা ঘটছে। নারীর গলার স্বর্ণের হার, কানের দুল, হাতের চুড়ি, আঙুলের আংটি ছিনতাইও নিত্যদিনের বিষয়। এতে কেবল সব হারাচ্ছে তা না,হচ্ছে রক্তাক্ত। ছিনতাই হচ্ছে পকেটের মানিব্যাগ। সেই সঙ্গে যাচ্ছে ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংকের চেক, আইডি কার্ডও। যাচ্ছে মূল্যবান কাগজপত্র কিংবা তথ্য। কথা বলতে বলতেই হাওয়া হচ্ছে হাতের মোবাইল সেট। ছিনতাই হচ্ছে ল্যাপটপ। হাতের ব্যাগের সঙ্গে হারাচ্ছে প্রয়োজনীয় দলিল, পাসপোর্ট-ভিসা, কাপড়-চোপড়সহ অনেক কিছু। সে পাসপোর্ট-ভিসা ছিনতাইকারীর কোনো কাজে না এলেও তাদের কাছে অকাজের কিন্তু মালিকের কাছে মূল্যবান সেই জিনিস ফেরত দেয়ার মতো হৃদয়বান নয় তারা। নারীর ভ্যানিটি ব্যাগের সঙ্গে টাকা ও মোবাইলের পাশাপাশি খোয়া যাচ্ছে প্রসাধনীও। সাধারণ বা নানা ছদ্মবেশে হচ্ছে এসব ছিনতাই। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন বা পাশের ছদ্মবেশী পথচারী রূপ নিচ্ছে ছিনতাইকারীতে। ছোঁ মারছে পাশের জনকে লক্ষ্য করে। পথচারী বা যাত্রী কিংবা পরিচিত বা স্বজনের ছদ্মবেশে। পায়ে হেঁটেই টার্গেটের পিছু নিচ্ছে তারা। সুবিধা মতো স্থানে সুযোগ বুঝেই টান দিচ্ছে পথচারী বা যাত্রীদের মুল্যবান জিনিসপত্র। শহর এলাকায় এ কায়দায় ছিনতাইয়ের দৃশ্য চোখে পড়েছে। উচ্ছল তরুণদের আড্ডার ছলেও চলছে ছিনতাই। নিরিবিলি স্থান কিংবা রাত ঘনাতেই ব্যস্ততম রাস্তার মোড়ে আড্ডায় মেতে ওঠার ভান করে ছিনতাইয়ের ফাঁদ পাতা হচ্ছে। তরুণদের আড্ডা মনে করে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক বা দু’জন পথচারীকে হঠাৎ তাদের বেষ্টনীর মধ্যে ঢুকিয়ে নিচ্ছে। ভয় দেখিয়ে সব কিছু হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এমনটা ঘটে। প্রশাসনিক তৎপরতা থাকলেও ছিনতাই কমছে না। তাই আরও প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবী জানিছেন ভোক্তভোগীসহ সচেতন মহল।
প্রতিদিন ঘটছে ছিনতাইয়ের বিচিত্র ঘটনা। অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিচ্ছে টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন সেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। কখনো একা ও সংঘবদ্ধভাবে সক্রিয় ছিনতাইকারীরা। মধ্যরাত থেকে দিনদুপুর। প্রতিদিন শহরে নানাভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জেলা থেকে উপজেলা, পৌর শহরেও হচ্ছে ছিনতাই। মুহূর্তেই ছিনতাই হচ্ছে মানুষের সহায় সম্বল। সেই সঙ্গে ছিনতাই হচ্ছে মুখের হাসি। পরিবারের আনন্দ। এমনকি বেপরোয়া ছিনতাইকারীদের নির্মমতায় যাচ্ছে প্রাণ। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর নামে আড়ালে রয়ে যাচ্ছে ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র। প্রতিদিনই শহরের কোথাও না কোথাও একাধিক ছিনতাইয়ের খবর শুনা যায়। জরিপে ড়ঠে এসেছে বিচিত্র ধরনের ছিনতাই। সহজ উপায়ে অবৈধভাবে মুহূর্তের মধ্যে লাভবান হওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। পিন থেকে প্লেন। বাদ যাচ্ছে না কিছুই। র্প্রতিদিন টাকা- পয়সা ছিনতাইয়ের বহু ঘটনা ঘটছে। নারীর গলার স্বর্ণের হার, কানের দুল, হাতের চুড়ি, আঙুলের আংটি ছিনতাইও নিত্যদিনের বিষয়। এতে কেবল সব হারাচ্ছে তা না,হচ্ছে রক্তাক্ত। ছিনতাই হচ্ছে পকেটের মানিব্যাগ। সেই সঙ্গে যাচ্ছে ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংকের চেক, আইডি কার্ডও। যাচ্ছে মূল্যবান কাগজপত্র কিংবা তথ্য। কথা বলতে বলতেই হাওয়া হচ্ছে হাতের মোবাইল সেট। ছিনতাই হচ্ছে ল্যাপটপ। হাতের ব্যাগের সঙ্গে হারাচ্ছে প্রয়োজনীয় দলিল, পাসপোর্ট-ভিসা, কাপড়-চোপড়সহ অনেক কিছু। সে পাসপোর্ট-ভিসা ছিনতাইকারীর কোনো কাজে না এলেও তাদের কাছে অকাজের কিন্তু মালিকের কাছে মূল্যবান সেই জিনিস ফেরত দেয়ার মতো হৃদয়বান নয় তারা। নারীর ভ্যানিটি ব্যাগের সঙ্গে টাকা ও মোবাইলের পাশাপাশি খোয়া যাচ্ছে প্রসাধনীও। সাধারণ বা নানা ছদ্মবেশে হচ্ছে এসব ছিনতাই। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন বা পাশের ছদ্মবেশী পথচারী রূপ নিচ্ছে ছিনতাইকারীতে। ছোঁ মারছে পাশের জনকে লক্ষ্য করে। পথচারী বা যাত্রী কিংবা পরিচিত বা স্বজনের ছদ্মবেশে। পায়ে হেঁটেই টার্গেটের পিছু নিচ্ছে তারা। সুবিধা মতো স্থানে সুযোগ বুঝেই টান দিচ্ছে পথচারী বা যাত্রীদের মুল্যবান জিনিসপত্র। শহর এলাকায় এ কায়দায় ছিনতাইয়ের দৃশ্য চোখে পড়েছে। উচ্ছল তরুণদের আড্ডার ছলেও চলছে ছিনতাই। নিরিবিলি স্থান কিংবা রাত ঘনাতেই ব্যস্ততম রাস্তার মোড়ে আড্ডায় মেতে ওঠার ভান করে ছিনতাইয়ের ফাঁদ পাতা হচ্ছে। তরুণদের আড্ডা মনে করে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক বা দু’জন পথচারীকে হঠাৎ তাদের বেষ্টনীর মধ্যে ঢুকিয়ে নিচ্ছে। ভয় দেখিয়ে সব কিছু হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এমনটা ঘটে। প্রশাসনিক তৎপরতা থাকলেও ছিনতাই কমছে না। তাই আরও প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবী জানিছেন ভোক্তভোগীসহ সচেতন মহল।


0 Comments