প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রযুক্তি যেমন সমস্যা সমাধানের পথ
দেখাচ্ছে, তেমনি প্রতিকূলতাও তৈরি করছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ ও
সন্ত্রাসবাদের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও সক্ষম
করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। গতকাল মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল
ডিফেন্স
কোর্স ও এএফডি কোর্সের গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা একটি সর্বজনীন ও বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে বসবাস করছি। যেখানে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগকে সুদৃঢ় করছে, উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাচ্ছে, আবার মাঝেমধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নানা ধরনের ঘটনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। আমি আশা করি, এই প্রশিক্ষণ আপনারা কাজে লাগাবেন, স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগবেন, যে কোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনারা অনেক বেশি সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশের দেশপ্রেমী সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধক্ষেত্রে জন্মলাভ করেছে। এ বাহিনী জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা একটি সার্বজনীন ও বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে বসবাস করছি। পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগকে সুদৃঢ় করছে, উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাচ্ছে, আবার মাঝে মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে। বিশেষ করে মানবতা বিপন্ন করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আগামী দিনগুলোতে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে-এই আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের দেশপ্রেমী সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধক্ষেত্রে জন্মলাভ করেছে। এই বাহিনী জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সব সময় তাদের পাশে দাঁড়াবে। তারা প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগকালে অবকাঠামো উন্নয়নে এবং বৈশ্বিক শান্তি স্থাপনে জনগণকে সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে সততা, অঙ্গীকার ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত, ধর্মনিরপেক্ষ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সরকার বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় এসব নীতি নিশ্চিত করতে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান বৈশ্বিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী হয়ে ওঠেছে। আমরা একটি অধিকতর পরস্পর নির্ভরশীল বিশ্বে বসবাস করছি। যেখানে উন্নত দেশগুলোর অনেক নীতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর প্রভাব রাখছে এবং এমন নীতির কারণে তাদের অনেক নাজুক অবস্থা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে তার সরকারের প্রয়াসের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সাত বছরে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল নিরাপত্তা ইস্যু, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছে।
এ বছর আর্মি, নেভি, এয়ারফোর্স, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ ও ফরেন সার্ভিসের দেশি ও বিদেশি মোট ৭৫ জন ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন, এদের মধ্যে আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্সের ৩৭ কর্মকর্তা আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) মান বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে তাদের পাঠ্যক্রম নিয়মিতভাবে যুগোপযোগী করার জন্য কলেজের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এনডিসি কোর্স সম্পন্ন করা কর্মকর্তারা তাদের জ্ঞান, দৃঢ়তা ও অঙ্গীকার দিয়ে জনগণের ক্ষমতায়ন, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জাতীয় প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবেন। নতুন ডিগ্রি অর্জনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এনডিসি কোর্স ডিগ্রিধারীরা যেকোন বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আরও সক্ষমতা অর্জন করবেন। নতুন গ্রাজুয়েট যারা পরে বিভিন্ন পদে যোগ দেবেন তারা দেশের সেবা প্রদানে সক্ষম হবেন এবং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা আরও জোরদার হবে। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ দেশ ও বিদেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মক্ষেত্রের অপারেশনাল ও কৌশলগত পর্যায়ের নেতৃত্বকে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রেক্ষিতে আরও শানিত করবেন। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে এনডিসি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুনাম অর্জনকারী সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সামর্থ্য গড়ে তোলার জন্য খুবই আগ্রহী। কলেজের সমপ্রসারিত ভবন নির্মাণের জন্য ১৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়সাপেক্ষ একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০১৫ অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করতে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য গ্রাজুয়েট সদস্য ফ্যাকাল্টি সদস্য এবং কলেজের স্টাফ অফিসারদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল চৌধুরী হাসান সরওয়ার্দী। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনী প্রধান, গ্রাজুয়েটদের স্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কোর্স ও এএফডি কোর্সের গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা একটি সর্বজনীন ও বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে বসবাস করছি। যেখানে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগকে সুদৃঢ় করছে, উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাচ্ছে, আবার মাঝেমধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নানা ধরনের ঘটনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। আমি আশা করি, এই প্রশিক্ষণ আপনারা কাজে লাগাবেন, স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগবেন, যে কোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনারা অনেক বেশি সক্ষম হবেন।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশের দেশপ্রেমী সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধক্ষেত্রে জন্মলাভ করেছে। এ বাহিনী জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা একটি সার্বজনীন ও বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে বসবাস করছি। পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগকে সুদৃঢ় করছে, উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাচ্ছে, আবার মাঝে মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে। বিশেষ করে মানবতা বিপন্ন করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আগামী দিনগুলোতে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে-এই আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের দেশপ্রেমী সশস্ত্র বাহিনী মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধক্ষেত্রে জন্মলাভ করেছে। এই বাহিনী জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সব সময় তাদের পাশে দাঁড়াবে। তারা প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগকালে অবকাঠামো উন্নয়নে এবং বৈশ্বিক শান্তি স্থাপনে জনগণকে সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে সততা, অঙ্গীকার ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত, ধর্মনিরপেক্ষ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সরকার বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় এসব নীতি নিশ্চিত করতে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান বৈশ্বিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী হয়ে ওঠেছে। আমরা একটি অধিকতর পরস্পর নির্ভরশীল বিশ্বে বসবাস করছি। যেখানে উন্নত দেশগুলোর অনেক নীতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর প্রভাব রাখছে এবং এমন নীতির কারণে তাদের অনেক নাজুক অবস্থা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে তার সরকারের প্রয়াসের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সাত বছরে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল নিরাপত্তা ইস্যু, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছে।
এ বছর আর্মি, নেভি, এয়ারফোর্স, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ ও ফরেন সার্ভিসের দেশি ও বিদেশি মোট ৭৫ জন ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন, এদের মধ্যে আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্সের ৩৭ কর্মকর্তা আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) মান বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে তাদের পাঠ্যক্রম নিয়মিতভাবে যুগোপযোগী করার জন্য কলেজের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এনডিসি কোর্স সম্পন্ন করা কর্মকর্তারা তাদের জ্ঞান, দৃঢ়তা ও অঙ্গীকার দিয়ে জনগণের ক্ষমতায়ন, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জাতীয় প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবেন। নতুন ডিগ্রি অর্জনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এনডিসি কোর্স ডিগ্রিধারীরা যেকোন বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আরও সক্ষমতা অর্জন করবেন। নতুন গ্রাজুয়েট যারা পরে বিভিন্ন পদে যোগ দেবেন তারা দেশের সেবা প্রদানে সক্ষম হবেন এবং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা আরও জোরদার হবে। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ দেশ ও বিদেশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মক্ষেত্রের অপারেশনাল ও কৌশলগত পর্যায়ের নেতৃত্বকে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রেক্ষিতে আরও শানিত করবেন। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে এনডিসি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুনাম অর্জনকারী সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সামর্থ্য গড়ে তোলার জন্য খুবই আগ্রহী। কলেজের সমপ্রসারিত ভবন নির্মাণের জন্য ১৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়সাপেক্ষ একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০১৫ অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করতে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য গ্রাজুয়েট সদস্য ফ্যাকাল্টি সদস্য এবং কলেজের স্টাফ অফিসারদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল চৌধুরী হাসান সরওয়ার্দী। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনী প্রধান, গ্রাজুয়েটদের স্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


0 Comments