ঢাকা: সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয় বাংলাদেশির ছয়জনের লাশ দেশে আসছে আগামী শুক্রবার। মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
গত ১২ মে রাতে রিয়াদের শিফা সানাইয়াতে তিতাস ফার্নিচার ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই নয় বাংলাদেশি নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত হন দু’জন ভারতীয় নাগরিকও।শুক্রবার বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৪০ ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব লাশ এসে পৌঁছুবে। ওয়েজ আর্নাস বোর্ডের খরচে লাশগুলো দেশে আনা হচ্ছে। এদিন লাশ দাফন বাবদ স্বজনদের হাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও করবে সরকার।
১২ মে স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার তৎপরতা শেষে উদ্ধারকর্মীরা মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
নিহত নয় বাংলাদেশি হলেন, মো. জালাল (৩৫), আ. গাফ্ফার (৩২), মো. সেলিম (৩৫), বাহাউদ্দিন (৩১), নাজির হোসেন (৩৫), মতিউর রহমান (৩২) ও শাহ আলম (৩৫)। এদের সবার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।
এছাড়া পরিচয় মেলে, জাকির হোসেন (৫৫)। বাবা সাহাবুল্লাহ। বাড়ি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার সেবারহাট ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রাম এবং আক্কাস (৩৫)। তার বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার সেনারবাগ গ্রামে।
অপরদিকে, ভারতীয় দু’জন হলেন- ইসরার (২৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।
শুক্রবার মতিউর রহমান (৩২), মো. জালাল (৩৫), শাহ আলম (৩৫), মো. সেলিম (৩৫), খোরশেদ এবং জাকির হোসেনের (৫৫) লাশ দেশে আসবে। এছাড়া বাহার উদ্দিন নাজির হোসেন ও আব্দুল গাফফারের লাশ আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিমানের ০৪০ ফ্লাইটে দেশে ফিরবে বলে বাংলানিউজকে জানান রিয়াদ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
জানা যায়, হিলা নামে ওই ফ্যাক্টরিতে মোট ১৫জন কর্মচারী কাজ করতেন। এদের মধ্যে ১৩জন বাংলাদেশি ও দু’জন ভারতীয়।
ফ্যাক্টরিতে কর্মরত আব্দুল হান্নান জানান, নিহতরা সবাই ওই ফ্যাক্টরিতেই থাকতেন। কাজ শেষে বিশ্রামের জন্য তারা তখন সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
ফ্যাক্টরিটিতে আগুন লাগলে ১৫জনের মধ্যে চারজন বের হয়ে আসতে পারেন। বাংলাদেশের নয়জন ও ভারতীয় দু’জন শ্রমিক আটকা পড়ে পুড়ে মারা যান
গত ১২ মে রাতে রিয়াদের শিফা সানাইয়াতে তিতাস ফার্নিচার ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই নয় বাংলাদেশি নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত হন দু’জন ভারতীয় নাগরিকও।শুক্রবার বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৪০ ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব লাশ এসে পৌঁছুবে। ওয়েজ আর্নাস বোর্ডের খরচে লাশগুলো দেশে আনা হচ্ছে। এদিন লাশ দাফন বাবদ স্বজনদের হাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও করবে সরকার।
১২ মে স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার তৎপরতা শেষে উদ্ধারকর্মীরা মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
নিহত নয় বাংলাদেশি হলেন, মো. জালাল (৩৫), আ. গাফ্ফার (৩২), মো. সেলিম (৩৫), বাহাউদ্দিন (৩১), নাজির হোসেন (৩৫), মতিউর রহমান (৩২) ও শাহ আলম (৩৫)। এদের সবার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।
এছাড়া পরিচয় মেলে, জাকির হোসেন (৫৫)। বাবা সাহাবুল্লাহ। বাড়ি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার সেবারহাট ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রাম এবং আক্কাস (৩৫)। তার বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার সেনারবাগ গ্রামে।
অপরদিকে, ভারতীয় দু’জন হলেন- ইসরার (২৫) ও ওয়াসিম (৩৫)।
শুক্রবার মতিউর রহমান (৩২), মো. জালাল (৩৫), শাহ আলম (৩৫), মো. সেলিম (৩৫), খোরশেদ এবং জাকির হোসেনের (৫৫) লাশ দেশে আসবে। এছাড়া বাহার উদ্দিন নাজির হোসেন ও আব্দুল গাফফারের লাশ আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিমানের ০৪০ ফ্লাইটে দেশে ফিরবে বলে বাংলানিউজকে জানান রিয়াদ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (শ্রম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
জানা যায়, হিলা নামে ওই ফ্যাক্টরিতে মোট ১৫জন কর্মচারী কাজ করতেন। এদের মধ্যে ১৩জন বাংলাদেশি ও দু’জন ভারতীয়।
ফ্যাক্টরিতে কর্মরত আব্দুল হান্নান জানান, নিহতরা সবাই ওই ফ্যাক্টরিতেই থাকতেন। কাজ শেষে বিশ্রামের জন্য তারা তখন সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
ফ্যাক্টরিটিতে আগুন লাগলে ১৫জনের মধ্যে চারজন বের হয়ে আসতে পারেন। বাংলাদেশের নয়জন ও ভারতীয় দু’জন শ্রমিক আটকা পড়ে পুড়ে মারা যান

0 Comments