নিজস্ব প্রতিবেদক, ঈদগাঁও ॥
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওয়ে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী নামক স্থানে সংবাদপত্রবাহী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত ও মাদ্রাসা শিক্ষিকাসহ অপর দ’ুজন গুরুতর আহত হয়েছে। ২৮ মে সকাল ১০ টা’য় এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
নিহত পরচারীর নাম নাছির উদ্দিন (৩৬)। সে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র। আহতরা হলেন খোদাইবাড়ী এজি লুৎফুর কবির আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা ও ঈদগাঁও ইউনিয়নের জাগির পাড়া গ্রামের সিরাজুল হুদার কন্যা হান্না কাউছার (২৪) এবং অপরজন হলেন ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব বোয়ালখালী জলদাশ পাড়া গ্রামের কৃষœ জলদাশের ছেলে রিক্স্রা চালক শ্যামল জলদাশ (৩০)। আহতরা বর্তমানে ঈদগাঁও’র বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্র জানায়, সকাল ১০ টা’র দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সংবাদপত্রবাহী একটি মাইক্রোবাস ( চট্টগ্রাম চ-১১-৩০৪৯) মহাসড়কের খোদাইবাড়ী পয়েন্ট পর্যন্ত এসে পৌঁছে এবং নিয়ন্ত্রন হারিয়ে প্রথমে নাছির উদ্দিন নামের পথচারীকে ধাক্কা দিলে সে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায় এবং পরে বিপরীত দিক থেকে আসা মাদ্রাসা শিক্ষিকাকে বহনকারী রিক্স্রাকে সজোরে ধাক্কা দিলে শিক্ষিকা হান্না কাউছার ও রিক্স্রা চালক শ্যামল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সংবাদ পেয়ে তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দূর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটিকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত নিহত নাছির উদ্দিনকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফন সম্পন্নের প্রক্রিয়া চলছিল। মাইক্রোবাসটি কক্সবাজারস্থ সংবাদপত্র এজেন্ট আবুল হাশেমের মালিকাধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে। দূর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাস ও রিক্স্রাটি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। চট্টগ্রামের নিবাসী মাইক্রোবাস চালক শামশুল ইসলাম দূর্ঘটনার পর পরই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মনজুর কাদের ভূইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওয়ে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী নামক স্থানে সংবাদপত্রবাহী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত ও মাদ্রাসা শিক্ষিকাসহ অপর দ’ুজন গুরুতর আহত হয়েছে। ২৮ মে সকাল ১০ টা’য় এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
নিহত পরচারীর নাম নাছির উদ্দিন (৩৬)। সে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র। আহতরা হলেন খোদাইবাড়ী এজি লুৎফুর কবির আদর্শ বালিকা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা ও ঈদগাঁও ইউনিয়নের জাগির পাড়া গ্রামের সিরাজুল হুদার কন্যা হান্না কাউছার (২৪) এবং অপরজন হলেন ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব বোয়ালখালী জলদাশ পাড়া গ্রামের কৃষœ জলদাশের ছেলে রিক্স্রা চালক শ্যামল জলদাশ (৩০)। আহতরা বর্তমানে ঈদগাঁও’র বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্র জানায়, সকাল ১০ টা’র দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সংবাদপত্রবাহী একটি মাইক্রোবাস ( চট্টগ্রাম চ-১১-৩০৪৯) মহাসড়কের খোদাইবাড়ী পয়েন্ট পর্যন্ত এসে পৌঁছে এবং নিয়ন্ত্রন হারিয়ে প্রথমে নাছির উদ্দিন নামের পথচারীকে ধাক্কা দিলে সে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায় এবং পরে বিপরীত দিক থেকে আসা মাদ্রাসা শিক্ষিকাকে বহনকারী রিক্স্রাকে সজোরে ধাক্কা দিলে শিক্ষিকা হান্না কাউছার ও রিক্স্রা চালক শ্যামল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সংবাদ পেয়ে তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দূর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটিকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত নিহত নাছির উদ্দিনকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফন সম্পন্নের প্রক্রিয়া চলছিল। মাইক্রোবাসটি কক্সবাজারস্থ সংবাদপত্র এজেন্ট আবুল হাশেমের মালিকাধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে। দূর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাস ও রিক্স্রাটি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। চট্টগ্রামের নিবাসী মাইক্রোবাস চালক শামশুল ইসলাম দূর্ঘটনার পর পরই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মনজুর কাদের ভূইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 Comments