পেকুয়া সংবাদদাতা ॥
পেকুয়া কলেজ গেইট চৌমুহনী থেকে যাত্রীবেশে একটি সিএনজি ছিনতাই কালে দুই ছিনতাইারীকে আটক করা হয়েছে। গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায় পেকুয়া কলেজ গেইট চৌমুহনী থেকে একটি সিএনজি রিজার্ভ ভাড়া করেন দুইজন যাত্রী। রিজার্ভ ভাড়ায় যাবেন সাতকানিয়ার কেরানিহাট। সহজ সরল সিএনজি ড্রাইভার তাদের কথা বুঝতে না পেরে গন্তব্যে যাওয়ার সময় ওখানেই গিয়ে বিপত্তি। ওই সিএনজির মধ্যে থাকা দু যাত্রী গাড়িটি অস্ত্রের মুখে নিয়ে যেতে চাইলেন বান্দরবানে। তাদের সাথে বান্দরবানের আরো দু ব্যক্তি যোগ দিলেন গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায়। কিন্তু ড্রাইভারের সু-কৌশলের কাছে হার মানলেন স্বীকৃত ছিনতাইকারীরা। গাড়িসহ ছিনতাইকারীদের নিয়ে গেলেন পটিয়ার মছ্যারটেক এলাকায় সিএনজি ষ্টেশনে। ড্রাইভারের শোর চিৎকারে ছিনতাইকারী দু ব্যক্তিসহ গাড়িটি অন্যান্য ড্রাইভারেরা মিলে ধরে ফেললেও অন্য দু ব্যক্তি পালিয়ে যান।
ওখানে ডিউটিরত পুলিশ কর্মকর্তা ছিনতাইকারীসহ গাড়িটি পাঠিয়ে দিলেন পেকুয়া সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে। তারা দিলেন পেকুয়া থানাকে। আর পেকুয়া থানা আটককৃত দু ব্যক্তিতে আদালতে সোপর্দ করলেন ৫৪ ধারায়। এ যেন অভিনব কায়দা।
ছিনতাইয়ের শিকার মদিনা এন্টারপ্রাইজ নামের সিএনজি গাড়িটি পেকুয়া উপজেলার বাইম্যাখালী এলাকার মোঃ কপিল উদ্দিনের। আর ওই গাড়ি চালাচ্ছিলেন মগনামা ইউনিয়নের মোঃ তাজু। যাত্রীবেশি দু ছিনতাইকারী বাশঁখালী মিয়া মার্কেট এলাকার আমির হোসেনের পুত্র শাহাদত হোসেন ও দক্ষিণ পুইছড়ি এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ মুবিন। পালিয়ে যাওয়া দু ব্যক্তি বান্দরবানের মোঃ হাসেম ও মোঃ ফারুক বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘঠেছে গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায়। আর সিএনজিসহ ছিনতাইকারীদের আটক করা হল গতকাল ২৭মে সকাল ১০টায়।
পেকুয়া থানার কর্মরত অফিসার কাইয়ুম চৌধুরী আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনা যেহেতু সাতকানিয়া থানা এলাকায় হয়েছে গাড়ির মালিককে ওই থানায় মামলা করতে হবে। এ থানায় যেহেতু আসামী আটক হয়েছে তাই তাদের ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পেকুয়া কলেজ গেইট চৌমুহনী থেকে যাত্রীবেশে একটি সিএনজি ছিনতাই কালে দুই ছিনতাইারীকে আটক করা হয়েছে। গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায় পেকুয়া কলেজ গেইট চৌমুহনী থেকে একটি সিএনজি রিজার্ভ ভাড়া করেন দুইজন যাত্রী। রিজার্ভ ভাড়ায় যাবেন সাতকানিয়ার কেরানিহাট। সহজ সরল সিএনজি ড্রাইভার তাদের কথা বুঝতে না পেরে গন্তব্যে যাওয়ার সময় ওখানেই গিয়ে বিপত্তি। ওই সিএনজির মধ্যে থাকা দু যাত্রী গাড়িটি অস্ত্রের মুখে নিয়ে যেতে চাইলেন বান্দরবানে। তাদের সাথে বান্দরবানের আরো দু ব্যক্তি যোগ দিলেন গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায়। কিন্তু ড্রাইভারের সু-কৌশলের কাছে হার মানলেন স্বীকৃত ছিনতাইকারীরা। গাড়িসহ ছিনতাইকারীদের নিয়ে গেলেন পটিয়ার মছ্যারটেক এলাকায় সিএনজি ষ্টেশনে। ড্রাইভারের শোর চিৎকারে ছিনতাইকারী দু ব্যক্তিসহ গাড়িটি অন্যান্য ড্রাইভারেরা মিলে ধরে ফেললেও অন্য দু ব্যক্তি পালিয়ে যান।
ওখানে ডিউটিরত পুলিশ কর্মকর্তা ছিনতাইকারীসহ গাড়িটি পাঠিয়ে দিলেন পেকুয়া সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে। তারা দিলেন পেকুয়া থানাকে। আর পেকুয়া থানা আটককৃত দু ব্যক্তিতে আদালতে সোপর্দ করলেন ৫৪ ধারায়। এ যেন অভিনব কায়দা।
ছিনতাইয়ের শিকার মদিনা এন্টারপ্রাইজ নামের সিএনজি গাড়িটি পেকুয়া উপজেলার বাইম্যাখালী এলাকার মোঃ কপিল উদ্দিনের। আর ওই গাড়ি চালাচ্ছিলেন মগনামা ইউনিয়নের মোঃ তাজু। যাত্রীবেশি দু ছিনতাইকারী বাশঁখালী মিয়া মার্কেট এলাকার আমির হোসেনের পুত্র শাহাদত হোসেন ও দক্ষিণ পুইছড়ি এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ মুবিন। পালিয়ে যাওয়া দু ব্যক্তি বান্দরবানের মোঃ হাসেম ও মোঃ ফারুক বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘঠেছে গত ২৬মে সন্ধ্যা ৬টায়। আর সিএনজিসহ ছিনতাইকারীদের আটক করা হল গতকাল ২৭মে সকাল ১০টায়।
পেকুয়া থানার কর্মরত অফিসার কাইয়ুম চৌধুরী আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনা যেহেতু সাতকানিয়া থানা এলাকায় হয়েছে গাড়ির মালিককে ওই থানায় মামলা করতে হবে। এ থানায় যেহেতু আসামী আটক হয়েছে তাই তাদের ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

0 Comments