ইমাম খাইর
পয়লা বৈশাখের দিন সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে এসে পরিবারের মাঝে হরিষে বিষাদের জন্ম দিয়ে সাগরে নিখোঁজ সাব্বির হাসান স্বাগত ও উদয় মাহমুদের লাশের সন্ধান ছয় দিনেও মেলেনি। তাদের জীবিত ফেরত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন স্বজনেরা। তবে জীবিত না হোক। নিখোঁজ দুই ছাত্রের পরিবারের স্বজনরা অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন মৃতদেহের সন্ধানে। শুধু আশায় বুক বেঁধে অপেক্ষা করছেন তাদের স্বজনরা। অন্তত ছেলের লাশ একনজর দেখতে চান তারা।
এদিকে নিখোঁজ দুই লাশের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন কোস্টগার্ড, নেভি, পুলিশ ও স্থানীয়রা।
সাব্বির হাসান রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটির ১৫১ নম্বর বাড়ির দোতলায় মা বাবার সাথে থাকতেন। তার এক ভাই ও এক বোন রয়েছে। মেধাবী সাব্বিরের পিতা হাসানুর রহমান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। এখন অবসর প্রস্তুতিকালীন (এলপিআর) ছুটিতে রয়েছেন।
ইশতিয়াক বিন মাহমুদ (উদয় মাহমুদ)। বাবা-মা’র সঙ্গে থাকতো ৩২-এ ১৬ (ফ্ল্যাট-৪৫) বাসাবো মায়াকাননের বাসায়। তার পিতা মাহমুদউল্লাহ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মাতা দিল আফরোজ বেগম স্কুল শিক্ষিকা। ভাইবোন তিন জনের মধ্যে সবার বড় ইশতিয়াক।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুই ছাত্রের খোঁজে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বিএন শাপলা ও কোস্ট গার্ডের পাঁচটি দল উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও কোথাও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা দু’জনই ঢাকার আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। ৩৪ জন বন্ধু পরীক্ষা শেষ করে বেড়াতে এসেছিলো সেন্টমার্টিনে।
সেন্ট মার্টিন কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার ও উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কারী লে. শহিদ আল আহসান সিটিজি টাইমসকে জানান, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সাগর ও দ্বীপের কোনো জায়গায় নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে, দুই ছাত্রের মৃতদেহ উপকূল থেকে দূরে চলে গেছে।
তবে সেন্ট মার্টিনের পাশাপাশি টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, কক্সবাজার, সোনাদিয়া ও কুতুবদিয়া উপকূলেও কোস্ট গার্ডকে তল্লাশির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তাদের সন্ধানে আসা বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলও বৃহস্পতিবার ফিরে গেছে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, সকাল থেকে দ্বীপের চারদিকে কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও ফিশিং বোট মালিক সমিতির লোকজন নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে তৎপরতা চালাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ দুই ছাত্রের লাশ পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার উপকূলে ভেসে যেতে পারে। এতে তাদের লাশ উদ্ধার করা বা খোঁজ পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল সোমবার দুপুরে গোসল করতে নেমে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের সমুদ্র সৈকতে ঢাকা আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ায়িং বিভাগের শিক্ষার্থী মনফিজুল ইসলাম ইভান ও সাদ্দাম হোসেন অঙ্কুর নিহত হন।
এ সময় ডুবে যাওয়া থেকে ঢাকা মিরপুরের মোক্তার হোসেনের ছেলে আসিফ (২৫), হাবিব উল্লাহর ছেলে ফয়সার হাবিব (২৪), কুমিল্লার সামশুল হকের ছেলে ফারহানুল হক (২৪) ও চুয়াডাঙ্গার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ইফতেখার মাহমুদ (২৫)কে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও সমুদ্রের পানিতে ৪ শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে যায়। তারা হলেন- সাব্বির হাসান, ইশতিয়াক বিন মাহমুদ (উদয় মাহমুদ), এসএম গোলাম রহিম বাপ্পী ও শাহরিয়ার ইসলাম নোমান। এরা সকলেই কম্পিউটার সাইন্স এর ছাত্র।
নিখোঁজ চারজনের মধ্যে শাহরিয়ার ইসলাম নোমান ও এস এম গোলাম রহিম বাপ্পীর লাশ গত বুধবার কোস্ট গার্ডের সদস্যরা উদ্ধার করেন। পরে তাদের লাশ স্বজনের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়।
পয়লা বৈশাখের দিন সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে এসে পরিবারের মাঝে হরিষে বিষাদের জন্ম দিয়ে সাগরে নিখোঁজ সাব্বির হাসান স্বাগত ও উদয় মাহমুদের লাশের সন্ধান ছয় দিনেও মেলেনি। তাদের জীবিত ফেরত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন স্বজনেরা। তবে জীবিত না হোক। নিখোঁজ দুই ছাত্রের পরিবারের স্বজনরা অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন মৃতদেহের সন্ধানে। শুধু আশায় বুক বেঁধে অপেক্ষা করছেন তাদের স্বজনরা। অন্তত ছেলের লাশ একনজর দেখতে চান তারা।
এদিকে নিখোঁজ দুই লাশের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন কোস্টগার্ড, নেভি, পুলিশ ও স্থানীয়রা।
সাব্বির হাসান রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটির ১৫১ নম্বর বাড়ির দোতলায় মা বাবার সাথে থাকতেন। তার এক ভাই ও এক বোন রয়েছে। মেধাবী সাব্বিরের পিতা হাসানুর রহমান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। এখন অবসর প্রস্তুতিকালীন (এলপিআর) ছুটিতে রয়েছেন।
ইশতিয়াক বিন মাহমুদ (উদয় মাহমুদ)। বাবা-মা’র সঙ্গে থাকতো ৩২-এ ১৬ (ফ্ল্যাট-৪৫) বাসাবো মায়াকাননের বাসায়। তার পিতা মাহমুদউল্লাহ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মাতা দিল আফরোজ বেগম স্কুল শিক্ষিকা। ভাইবোন তিন জনের মধ্যে সবার বড় ইশতিয়াক।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুই ছাত্রের খোঁজে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বিএন শাপলা ও কোস্ট গার্ডের পাঁচটি দল উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও কোথাও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা দু’জনই ঢাকার আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। ৩৪ জন বন্ধু পরীক্ষা শেষ করে বেড়াতে এসেছিলো সেন্টমার্টিনে।
সেন্ট মার্টিন কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার ও উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কারী লে. শহিদ আল আহসান সিটিজি টাইমসকে জানান, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সাগর ও দ্বীপের কোনো জায়গায় নিখোঁজ দুই ছাত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে, দুই ছাত্রের মৃতদেহ উপকূল থেকে দূরে চলে গেছে।
তবে সেন্ট মার্টিনের পাশাপাশি টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, কক্সবাজার, সোনাদিয়া ও কুতুবদিয়া উপকূলেও কোস্ট গার্ডকে তল্লাশির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তাদের সন্ধানে আসা বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলও বৃহস্পতিবার ফিরে গেছে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, সকাল থেকে দ্বীপের চারদিকে কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও ফিশিং বোট মালিক সমিতির লোকজন নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে তৎপরতা চালাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ দুই ছাত্রের লাশ পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার উপকূলে ভেসে যেতে পারে। এতে তাদের লাশ উদ্ধার করা বা খোঁজ পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ এপ্রিল সোমবার দুপুরে গোসল করতে নেমে সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের সমুদ্র সৈকতে ঢাকা আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ায়িং বিভাগের শিক্ষার্থী মনফিজুল ইসলাম ইভান ও সাদ্দাম হোসেন অঙ্কুর নিহত হন।
এ সময় ডুবে যাওয়া থেকে ঢাকা মিরপুরের মোক্তার হোসেনের ছেলে আসিফ (২৫), হাবিব উল্লাহর ছেলে ফয়সার হাবিব (২৪), কুমিল্লার সামশুল হকের ছেলে ফারহানুল হক (২৪) ও চুয়াডাঙ্গার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ইফতেখার মাহমুদ (২৫)কে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও সমুদ্রের পানিতে ৪ শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে যায়। তারা হলেন- সাব্বির হাসান, ইশতিয়াক বিন মাহমুদ (উদয় মাহমুদ), এসএম গোলাম রহিম বাপ্পী ও শাহরিয়ার ইসলাম নোমান। এরা সকলেই কম্পিউটার সাইন্স এর ছাত্র।
নিখোঁজ চারজনের মধ্যে শাহরিয়ার ইসলাম নোমান ও এস এম গোলাম রহিম বাপ্পীর লাশ গত বুধবার কোস্ট গার্ডের সদস্যরা উদ্ধার করেন। পরে তাদের লাশ স্বজনের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়।

0 Comments