বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে দুই হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ করেছে র্যাব। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী লুফুৎর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
শনিবার পৌনে ৩ টার দিকে বিমান বন্দর থেকে র্যাব এর একটি টিম ওই দুই হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ করেন।
বিমানবন্দরের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিমান নিরাপত্তাকর্মীদের ম্যানেজ করে একটি চক্র ইয়াবা পাচার করে আসছিল। গত এক বছরে বিমান বন্দর থেকে কয়েক দফা ইয়াবার চালান জব্দ করা হয়।
সর্বশেষ দুপুর আড়াইটার দিকে ১২ বছরের এক কিশোর বিমান বন্দরের কাউন্টারে একটি প্যাকেট ঢাকায় পাঠানোর জন্য নিয়ে যায়। নিরাপত্তাকর্মীরা ওই প্যাকেটটি জন্য টাকা চাইলে ওই কিশোর বলেন, লুৎফুর ভাই টাকা দিবেন। তখন নিরাপত্তাকর্মীরা প্যাকেটটি ছাড় করে বিমানে উঠনোর জন্য নিয়ে যান। ওই সময় নিরাপত্তাকর্মী লুৎফুর এসে ওই প্যাকেটের পাওনা বুঝিয়ে দেয় অন্য নিরাপত্তাকর্মীদের। মালামাল বিমানে উঠানোর আগে দায়িত্বরত নিরাপত্তকর্মীদের সন্দেহ হলে তারা প্যাকেটটি খুলে দেখেন। প্যাকেট খোলার সাথে সাথে বেরিয়ে আসে পাঁচটি ইয়াবার প্যাকেট।
নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাটি বিমান বন্দরের ব্যাবস্থাপক হাসান জহিরকে অবহিত করেন।
এদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়ে র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্প ইনচার্জ কাজি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল বিমান বন্দরে গিয়ে ইয়াবার পাঁচটি প্যাকেট জব্দ করেন।
বিমান বন্দরের ব্যাবস্থাপক হাসান জহির বলেন, নিরাপত্তাকর্মীরা পাঁচটি প্যাকেটে দুই হাজার ইয়াবা জব্দ করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিরাপত্তাকর্মী লুৎফুরকে র্যাব জিজ্ঞাসাকাদ করছে।
কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে দুই হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ করেছে র্যাব। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী লুফুৎর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
শনিবার পৌনে ৩ টার দিকে বিমান বন্দর থেকে র্যাব এর একটি টিম ওই দুই হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ করেন।
বিমানবন্দরের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিমান নিরাপত্তাকর্মীদের ম্যানেজ করে একটি চক্র ইয়াবা পাচার করে আসছিল। গত এক বছরে বিমান বন্দর থেকে কয়েক দফা ইয়াবার চালান জব্দ করা হয়।
সর্বশেষ দুপুর আড়াইটার দিকে ১২ বছরের এক কিশোর বিমান বন্দরের কাউন্টারে একটি প্যাকেট ঢাকায় পাঠানোর জন্য নিয়ে যায়। নিরাপত্তাকর্মীরা ওই প্যাকেটটি জন্য টাকা চাইলে ওই কিশোর বলেন, লুৎফুর ভাই টাকা দিবেন। তখন নিরাপত্তাকর্মীরা প্যাকেটটি ছাড় করে বিমানে উঠনোর জন্য নিয়ে যান। ওই সময় নিরাপত্তাকর্মী লুৎফুর এসে ওই প্যাকেটের পাওনা বুঝিয়ে দেয় অন্য নিরাপত্তাকর্মীদের। মালামাল বিমানে উঠানোর আগে দায়িত্বরত নিরাপত্তকর্মীদের সন্দেহ হলে তারা প্যাকেটটি খুলে দেখেন। প্যাকেট খোলার সাথে সাথে বেরিয়ে আসে পাঁচটি ইয়াবার প্যাকেট।
নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাটি বিমান বন্দরের ব্যাবস্থাপক হাসান জহিরকে অবহিত করেন।
এদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়ে র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্প ইনচার্জ কাজি মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল বিমান বন্দরে গিয়ে ইয়াবার পাঁচটি প্যাকেট জব্দ করেন।
বিমান বন্দরের ব্যাবস্থাপক হাসান জহির বলেন, নিরাপত্তাকর্মীরা পাঁচটি প্যাকেটে দুই হাজার ইয়াবা জব্দ করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিরাপত্তাকর্মী লুৎফুরকে র্যাব জিজ্ঞাসাকাদ করছে।


0 Comments