সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মধ্যে কথিত বৈঠকের কথিত ‘হোস্ট’ বিএনপির সাংসদ আশরাফউদ্দিন নিজান বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলছেন না।
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই দুই প্রধান
দলের মুখপাত্র শনিবার রাতে লক্ষীপুর-৪ আসনের সাংসদ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন
নিজানের গুলশানের বাসায় বৈঠকে বসেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর আসে।
এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল বৈঠকের কথা অস্বীকার করলে সৃষ্টি হয় বিভ্রান্তি।
রোববার দুপুরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিজান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সংবাদটিই বড় কথা নয়, সংলাপই বড় কথা। সংলাপ যাতে বিঘ্নিত না হয় সে চেষ্টা করতে হবে।”
বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, জাতি উদ্বিগ্ন; এ মুহূর্তে সবাই সংলাপের অপেক্ষায় রয়েছে।
কথিত সেই বৈঠকের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ নিজে বা তার দলের কেউ মুখ না খুললেও সরকারের এক শরিক নেতা ও খোদ বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা বিষয়টি স্পষ্টই স্বীকার করেছেন।
অবশ্য তারপরও আগের রাতের বক্তব্যই ধরে রেখেছেন মির্জা ফখরুল।
ফলে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে কথিত সংলাপ নিয়ে ‘রটনার’ শেষ হচ্ছে না।
কথিত সেই বৈঠক নিজানের বাসাতেই হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এই সংসদ সদস্য।
তিনি বলেন, “এটা মহাসচিব পর্যাায়ের বিষয়, তারাই বলবেন। আমার নেতা বিএনপির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উনি এ বিষয়ে যেটুকু বলেছেন আমিও তা-ই জানি।”
এর বাইরে আর বলার কিছুই নেই বলে জানিয়ে দেন নিজান।
“সংলাপ যদি হয়েও থাকে, তা বলবেন মহাসচিবরা। আমরা চাই সংলাপ হোক।”
এদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনা কর্মকর্তা আসম হান্নান শাহ রোববার সাংবাদিকদের বলেন, দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তবে তাতে কোনো ফল হয়নি।
এর ঘণ্টা দুই পর সরকারের শরিক ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, সৈয়দ আশরাফ ও মির্জা ফখরুলের বৈঠক হয়েছে এবং এ ধরনের আগামীতেও হবে।
অবশ্য মির্জা ফখরুল রোববারও বৈঠকের বিষয়টি অস্বীকার করে বিষয়টিকে ‘মিডিয়ার প্রচার’ আখ্যায়িত করেছেন।
তিনি বলেন, হান্নান শাহ কি বলেছেন, তা তিনি ‘জানেন না’। আর আশরাফের সঙ্গে কোনো বৈঠকও হয়নি।
এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল বৈঠকের কথা অস্বীকার করলে সৃষ্টি হয় বিভ্রান্তি।
রোববার দুপুরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিজান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সংবাদটিই বড় কথা নয়, সংলাপই বড় কথা। সংলাপ যাতে বিঘ্নিত না হয় সে চেষ্টা করতে হবে।”
বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, জাতি উদ্বিগ্ন; এ মুহূর্তে সবাই সংলাপের অপেক্ষায় রয়েছে।
কথিত সেই বৈঠকের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ নিজে বা তার দলের কেউ মুখ না খুললেও সরকারের এক শরিক নেতা ও খোদ বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা বিষয়টি স্পষ্টই স্বীকার করেছেন।
অবশ্য তারপরও আগের রাতের বক্তব্যই ধরে রেখেছেন মির্জা ফখরুল।
ফলে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে কথিত সংলাপ নিয়ে ‘রটনার’ শেষ হচ্ছে না।
কথিত সেই বৈঠক নিজানের বাসাতেই হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এই সংসদ সদস্য।
তিনি বলেন, “এটা মহাসচিব পর্যাায়ের বিষয়, তারাই বলবেন। আমার নেতা বিএনপির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উনি এ বিষয়ে যেটুকু বলেছেন আমিও তা-ই জানি।”
এর বাইরে আর বলার কিছুই নেই বলে জানিয়ে দেন নিজান।
“সংলাপ যদি হয়েও থাকে, তা বলবেন মহাসচিবরা। আমরা চাই সংলাপ হোক।”
এদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনা কর্মকর্তা আসম হান্নান শাহ রোববার সাংবাদিকদের বলেন, দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তবে তাতে কোনো ফল হয়নি।
এর ঘণ্টা দুই পর সরকারের শরিক ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, সৈয়দ আশরাফ ও মির্জা ফখরুলের বৈঠক হয়েছে এবং এ ধরনের আগামীতেও হবে।
অবশ্য মির্জা ফখরুল রোববারও বৈঠকের বিষয়টি অস্বীকার করে বিষয়টিকে ‘মিডিয়ার প্রচার’ আখ্যায়িত করেছেন।
তিনি বলেন, হান্নান শাহ কি বলেছেন, তা তিনি ‘জানেন না’। আর আশরাফের সঙ্গে কোনো বৈঠকও হয়নি।

