নিয়াজ মাখদুম
ঢাকা: পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে দীর্ঘ চার মাস ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। এতে সারাদেশে ৭৫ হাজার নতুন ভর্তিকৃত ও অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তা দীর্ঘদিন গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়ার কারণেই মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়ছে। ক্রমেই তা ক্ষোভে পরিণত করছে।
৭৫ হাজার শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না।
আবার অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা ২০১৩ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষা হচ্ছে না, ইয়ার লস হতে পারে এ আশঙ্কা করছেন তারা। এসব সমস্যার সমাধান না হওয়া এবং গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ার পিছনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারের আমলাদের দায়ী করেছেন।
আন্দোলনকারী ছাত্রদের সংগঠন বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক জাকির হোসেন সাগর নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “জানা গেছে গেজেটটি আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। এখন আমলাদের কারণেই তা প্রকাশ হচ্ছে না। সরকার চাইলেই তারা খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। কিন্তু মনে হচ্ছে, সরকারেরও সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা পলিটেকনিক সপ্তম সেমিস্টারের এক ছাত্র বলেন, “সব সেমিস্টারের পরীক্ষা সেপ্টেম্বর মাসে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি। এর পরে ৩ অক্টোবর পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে। পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ না নিলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি মানার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।”
সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে ওই ছাত্র বলেন, “সরকার কেন আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিচ্ছে না। কাউকে মূল্যায়ন করবেন আর কাউকে করবেন না, এটা হতে পারে না। সবার অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব।”
শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাছের চৌধুরী নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এখন যেকোনো সময়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।”
তবে তিনি নির্দিষ্ট তারিখ বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
পেশাগত বৈষম্য নিরসন ও সুপারভাইজিং পদ পরিবর্তনসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন ক্রমেই সহিংসতায় রূপ নেয়ায় সরকারের তরফ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিলে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষাসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, গণপূর্তসচিব খন্দকার শওকত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক বৈঠকের পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বলেছিলেন, পলিটেকনিক থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হিসেবেই বিবেচিত হবেন এবং চাকরিতে যোগদানকালে তাদের পদের নাম হবে ‘উপসহকারী প্রকৌশলী’।
দুই সচিব আরো জানান, তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন আইন মন্ত্রণালয়ের ভোটিং শেষে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে
৭৫ হাজার শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না।
আবার অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা ২০১৩ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষা হচ্ছে না, ইয়ার লস হতে পারে এ আশঙ্কা করছেন তারা। এসব সমস্যার সমাধান না হওয়া এবং গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ার পিছনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরকারের আমলাদের দায়ী করেছেন।
আন্দোলনকারী ছাত্রদের সংগঠন বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক জাকির হোসেন সাগর নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “জানা গেছে গেজেটটি আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। এখন আমলাদের কারণেই তা প্রকাশ হচ্ছে না। সরকার চাইলেই তারা খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। কিন্তু মনে হচ্ছে, সরকারেরও সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা পলিটেকনিক সপ্তম সেমিস্টারের এক ছাত্র বলেন, “সব সেমিস্টারের পরীক্ষা সেপ্টেম্বর মাসে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি। এর পরে ৩ অক্টোবর পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করে। পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ না নিলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি মানার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।”
সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করে ওই ছাত্র বলেন, “সরকার কেন আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিচ্ছে না। কাউকে মূল্যায়ন করবেন আর কাউকে করবেন না, এটা হতে পারে না। সবার অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব।”
শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাছের চৌধুরী নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এখন যেকোনো সময়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।”
তবে তিনি নির্দিষ্ট তারিখ বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
পেশাগত বৈষম্য নিরসন ও সুপারভাইজিং পদ পরিবর্তনসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন ক্রমেই সহিংসতায় রূপ নেয়ায় সরকারের তরফ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিলে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষাসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, গণপূর্তসচিব খন্দকার শওকত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক বৈঠকের পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বলেছিলেন, পলিটেকনিক থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হিসেবেই বিবেচিত হবেন এবং চাকরিতে যোগদানকালে তাদের পদের নাম হবে ‘উপসহকারী প্রকৌশলী’।
দুই সচিব আরো জানান, তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন আইন মন্ত্রণালয়ের ভোটিং শেষে বিধিমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে

