বিশেষ প্রতিবেদক :
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাদের প্রার্থীতা দাবি করেছেন ১৮ দলীয় জোটের নীতি-নির্ধারকদের কাছে।
জানা যায়, সদরে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং রামুতে ১১টি ইউনিয়নে জামায়াতের সংগঠন সুসংগঠিত বলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা জানায়। ২০১০ সালে আ.লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে এ সংগঠনের শীর্ষ ১০ নেতাকে গ্রেপ্তার করে। ২০১৩ সালে ৫ ফেব্রুয়ারী জামায়াত নেতা আবদুল কাদের
মোল্লার রায় ঘোষণাসহ এ পর্যন্ত ৫ জন শীর্ষ নেতাদের রায় ঘোষণা করে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা দান করে আসছে সরকার। এরপরও থামেনি জামায়াত-শিবির। মিছিল, মিটিংসহ হরতাল পালন করে আসছে সংগঠনটি। ২৮ ফেব্রুয়ারী আল্লামা সাঈদীর রায়ের পর সারাদেশে আপামর জনসাধারণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজারে সাঈদী মুক্তি পরিষদ বিক্ষোভ সমাবেশ পালন কালে পুলিশের বাধা প্রদান ও গুলিতে নিহত হন ৩জন জামায়াত কর্মী। পরদিন টানা ২দিন হরতাল পালন করে সংগঠনটি। অপরদিকে পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা সহ ৩টি মামলা দায়ের করে ৮ হাজার জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এরপর গ্রেপ্তার হতে থাকে জেলা পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এরপরও মাঠ ছাড়েনি জামায়াত-শিবির। জীবন বাজি রেখে পথে কর্মসূচী পালন করতে দেখা যায় তাদেরকে। ১৮ দলীয় জোট থাকলেও কার্যত জামায়াত-শিবিরই মাঠে ময়দানে রয়েছে বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান।
জানা যায়, জেলায় সাঈদী মুক্তি পরিষদের ব্যানারে কর্মসূচী পালনকালে ৩জন নিহত ও শতাধিক আহত হলেও স্থানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি না আসায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। অথচ গতবারে জোটগতভাবে নির্বাচন হওয়ায় কক্সবাজার-৩ আসনসহ সব আসনে প্রাণপন নিয়ে নির্বাচনে করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। কিন্তু নির্বাচনের পর কক্সবাজার সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ও ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্থানীয় সাংসদের পছন্দনীয় প্রার্থী দিলে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের দানা বাধে জামায়াত-শিবিরের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। এরপর থেকে সদর রামু আসনে জামায়াতের তৃণমূল তাদের দলীয় প্রার্থী দেয়ার জন্য উর্ধ্বতন সংগঠনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে আসছে বলে সূত্র জানায়। এ আসনে জামায়াত-শিবিরের মজবুত সংগঠন রয়েছে বলে জানান একাধিক ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সরকারের দমন-পীড়ন’র পরও মাঠ ছাড়েনি সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা। দীর্ঘ দেড় যুগ পর আবার এ আসনে নিবার্চন করার জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছে তৃণমূলরা। সদরে আ.লীগ-বিএনপি ও জামায়াত পৃথক ভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলেও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী এড. সলিমুল্লাহ বাহাদুর ৫৫ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০ হাজার ভোট পেয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক কক্সু ভিপি শহীদুল আলম বাহাদুর। অপরদিকে রামু উপজেলায়ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩দল নির্বাচন করলে ২৭ হাজার ভোট পেয়ে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান নির্বাচিত হন। এছাড়া কক্সবাজার পৌরসভায় জামায়াত সমর্থিত মেয়রসহ সদর-রামুতে কয়েকজন জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান ও বেশ কয়েকজন মেম্বার রয়েছে বলে জানান জামায়াতের তৃণমূলরা। এ আসনে সাড়ে ৩ লাখের ভোটের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের ১ লাখের মত একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে জানান তারা। দলীয় প্রতীক না পেলেও স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে এবার প্রয়োজনে একক ভাবে নির্বাচন করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে জামায়াতের ওয়ার্ড ইউনিট পর্যায়ের কর্মী সমর্থক ও নেতারা। আ.লীগ সরকারের জামায়াত-শিবির দমন-নিপীড়নের কারণে সর্ব সাধারনের সহানুভূতি বেড়েছে। বেড়েছে ভোটও। এ আসনে জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর মাও: মোস্তাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ বাহাদুর’র নাম প্রকাশ সহ ইতিমধ্যে কাজও শুরু করেছেন বলে জানান তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বর্তমানে সদর-রামু আসনে নির্বাচন রতে একাট্রা সংগঠনের তৃণমূলরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, তৃণমূলরা হচ্ছে সংগঠনের প্রাণ। তাই তাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। একদিকে এ আসনে সংগঠনের ভীত শক্ত অপরদিকে জেলা বিএনপিতে গ্রুপিং থাকার কারণে এ আসনে প্রার্থীতা নিয়ে বিবেচনা করার জন্য ১৮দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ জানান উপজেলা পর্যায়ের এ নেতারা।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাদের প্রার্থীতা দাবি করেছেন ১৮ দলীয় জোটের নীতি-নির্ধারকদের কাছে।
জানা যায়, সদরে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং রামুতে ১১টি ইউনিয়নে জামায়াতের সংগঠন সুসংগঠিত বলে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা জানায়। ২০১০ সালে আ.লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে এ সংগঠনের শীর্ষ ১০ নেতাকে গ্রেপ্তার করে। ২০১৩ সালে ৫ ফেব্রুয়ারী জামায়াত নেতা আবদুল কাদের
মোল্লার রায় ঘোষণাসহ এ পর্যন্ত ৫ জন শীর্ষ নেতাদের রায় ঘোষণা করে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা দান করে আসছে সরকার। এরপরও থামেনি জামায়াত-শিবির। মিছিল, মিটিংসহ হরতাল পালন করে আসছে সংগঠনটি। ২৮ ফেব্রুয়ারী আল্লামা সাঈদীর রায়ের পর সারাদেশে আপামর জনসাধারণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজারে সাঈদী মুক্তি পরিষদ বিক্ষোভ সমাবেশ পালন কালে পুলিশের বাধা প্রদান ও গুলিতে নিহত হন ৩জন জামায়াত কর্মী। পরদিন টানা ২দিন হরতাল পালন করে সংগঠনটি। অপরদিকে পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা সহ ৩টি মামলা দায়ের করে ৮ হাজার জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এরপর গ্রেপ্তার হতে থাকে জেলা পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এরপরও মাঠ ছাড়েনি জামায়াত-শিবির। জীবন বাজি রেখে পথে কর্মসূচী পালন করতে দেখা যায় তাদেরকে। ১৮ দলীয় জোট থাকলেও কার্যত জামায়াত-শিবিরই মাঠে ময়দানে রয়েছে বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান।
জানা যায়, জেলায় সাঈদী মুক্তি পরিষদের ব্যানারে কর্মসূচী পালনকালে ৩জন নিহত ও শতাধিক আহত হলেও স্থানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি না আসায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। অথচ গতবারে জোটগতভাবে নির্বাচন হওয়ায় কক্সবাজার-৩ আসনসহ সব আসনে প্রাণপন নিয়ে নির্বাচনে করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। কিন্তু নির্বাচনের পর কক্সবাজার সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ও ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্থানীয় সাংসদের পছন্দনীয় প্রার্থী দিলে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের দানা বাধে জামায়াত-শিবিরের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। এরপর থেকে সদর রামু আসনে জামায়াতের তৃণমূল তাদের দলীয় প্রার্থী দেয়ার জন্য উর্ধ্বতন সংগঠনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে আসছে বলে সূত্র জানায়। এ আসনে জামায়াত-শিবিরের মজবুত সংগঠন রয়েছে বলে জানান একাধিক ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সরকারের দমন-পীড়ন’র পরও মাঠ ছাড়েনি সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা। দীর্ঘ দেড় যুগ পর আবার এ আসনে নিবার্চন করার জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছে তৃণমূলরা। সদরে আ.লীগ-বিএনপি ও জামায়াত পৃথক ভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলেও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী এড. সলিমুল্লাহ বাহাদুর ৫৫ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০ হাজার ভোট পেয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক কক্সু ভিপি শহীদুল আলম বাহাদুর। অপরদিকে রামু উপজেলায়ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩দল নির্বাচন করলে ২৭ হাজার ভোট পেয়ে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান নির্বাচিত হন। এছাড়া কক্সবাজার পৌরসভায় জামায়াত সমর্থিত মেয়রসহ সদর-রামুতে কয়েকজন জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান ও বেশ কয়েকজন মেম্বার রয়েছে বলে জানান জামায়াতের তৃণমূলরা। এ আসনে সাড়ে ৩ লাখের ভোটের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের ১ লাখের মত একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে জানান তারা। দলীয় প্রতীক না পেলেও স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে এবার প্রয়োজনে একক ভাবে নির্বাচন করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে জামায়াতের ওয়ার্ড ইউনিট পর্যায়ের কর্মী সমর্থক ও নেতারা। আ.লীগ সরকারের জামায়াত-শিবির দমন-নিপীড়নের কারণে সর্ব সাধারনের সহানুভূতি বেড়েছে। বেড়েছে ভোটও। এ আসনে জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর মাও: মোস্তাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ বাহাদুর’র নাম প্রকাশ সহ ইতিমধ্যে কাজও শুরু করেছেন বলে জানান তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বর্তমানে সদর-রামু আসনে নির্বাচন রতে একাট্রা সংগঠনের তৃণমূলরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, তৃণমূলরা হচ্ছে সংগঠনের প্রাণ। তাই তাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। একদিকে এ আসনে সংগঠনের ভীত শক্ত অপরদিকে জেলা বিএনপিতে গ্রুপিং থাকার কারণে এ আসনে প্রার্থীতা নিয়ে বিবেচনা করার জন্য ১৮দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ জানান উপজেলা পর্যায়ের এ নেতারা।

