পেকুয়া প্রতিনিধিকক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী নির্দেশ মোতাবেক কার্ড প্রতি ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার নিয়ম থাকলেও এ ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে ৭-৮ কেজি করে। গতকাল বৃহস্পতিবার টইটং ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও টেক অফিসার।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ত্রাণ মন্ত্রাণালয় থেকে বরাদ্দকৃত অতি দরিদ্রের মাঝে বিতরণের জন্য টইটং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড়ের ২হাজার ৭শত ৬৪ পরিবারের জন্য ১০কেজি করে চাল চকরিয়া খাদ্য গুদাম থেকে এনে বিতরণ শুরু করে। ভিজিএফের চাল নিতে আসা অধিকাংশ দরিদ্র লোকের সাথে কথা বলা জানা গেছে, চেয়ারম্যান ও টেক অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তাদের ১০কেজি করে চাল না দিয়ে ৭-৮ কেজি করে চাল দিয়েছে।
টইটং ইউনিয়নের দূর্গম বটতলী গ্রাম থেকে ভিজিএফের চাল নিতে আসা বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম, রহিমা বেগম, নুরুন্নাহার, মরিয়ম খাতুন, ফাতেমা বেগম, জান্নাতুল নেছা, আবুল কালাম, সাজেদা বেগম, খালেদা বেগম, তফুরা বেগম, নুরুচ্ছাফাসহ আরো বহু দরিদ্র লোক জানিয়েছেন, ভিজিএফের কার্ড নিয়ে তারা যথারীতি টইটং ইউনিয়ন পরিষদে চাল নিতে আসলে চেয়ারম্যা ও টেক অফিসার তাদের ১০ কেজি করে চাল না দিয়ে ২-৩ কেজি করে কর্ম চাল দিয়েছে। ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বলে তাদের সাথে সংশ্লিষ্টরা প্রতারণা করেছে। ওই দরিদ্র লোকেরা আরো জানিয়েছেন, গরীবের চাল মেরে দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও অন্যান্যরা গুরুতর অপরাধ করেছে। তারা এর বিচার দাবী করেছেন। সরেজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে টইটং ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে, বালতি ভর্তি করে প্রতি কার্ডধারীকে এক বালতি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বিকাল ৪টার সময় ওই ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড়ে ভিজিএফের কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ শেষ হলেও পরিষদের একটি কক্ষে প্রায় ২০ বস্তা চাল অবশিষ্ট রেখে দেওয়া হয়েছে। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে টইটং ইউনিয়নের সুচতুর চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জেএড় এম মোসলেম উদ্দিন চালগুলো সেখানে উপস্থিত লোকদের মাঝে তড়িগড়ি করে ৫০-৬০ কেজি করে বিলি করে দেন।
এ ব্যাপারে জানতে টইটং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জেএড় মোসলেম উদ্দিন এর সাথে কথা হলে তিনি তার ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছন।
টইটং ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে পেকুয়ার ইউএনও মীর শওকত হোসেনের মোবাইলে বেশ কয়েক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এদিকে স্থানীয় কোন সাংবাদিক যে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ইউএনওকে ফোনে অথবা সরাসরি অফিসে গিয়ে কথা বলতে চেষ্টা করলেও তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোন কথাই বলতে রাজি হয়না। তথ্য প্রবাহের এই যুগে একজন সরকারী কর্মকর্তা ইউএনও‘র এমন গাত্রদাহ কোন সভ্য সমাজে মানায় না। পেকুয়ার কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকরা পেকুয়ার ইউএনও‘র এহেন ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকরা পেকুয়ার ইউএনও মীর শওকত হোসেনকে জরুরী ভিত্তিতে অপসারণ বা বদলী করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জন প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন করেছন।
পেকুয়ার ইউএনও‘র নানা বিষয় নিয়ে প্রধান মন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে ফোনে অবহিত করা হলে তিনি জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়ার ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ত্রাণ মন্ত্রাণালয় থেকে বরাদ্দকৃত অতি দরিদ্রের মাঝে বিতরণের জন্য টইটং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড়ের ২হাজার ৭শত ৬৪ পরিবারের জন্য ১০কেজি করে চাল চকরিয়া খাদ্য গুদাম থেকে এনে বিতরণ শুরু করে। ভিজিএফের চাল নিতে আসা অধিকাংশ দরিদ্র লোকের সাথে কথা বলা জানা গেছে, চেয়ারম্যান ও টেক অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তাদের ১০কেজি করে চাল না দিয়ে ৭-৮ কেজি করে চাল দিয়েছে।
টইটং ইউনিয়নের দূর্গম বটতলী গ্রাম থেকে ভিজিএফের চাল নিতে আসা বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম, রহিমা বেগম, নুরুন্নাহার, মরিয়ম খাতুন, ফাতেমা বেগম, জান্নাতুল নেছা, আবুল কালাম, সাজেদা বেগম, খালেদা বেগম, তফুরা বেগম, নুরুচ্ছাফাসহ আরো বহু দরিদ্র লোক জানিয়েছেন, ভিজিএফের কার্ড নিয়ে তারা যথারীতি টইটং ইউনিয়ন পরিষদে চাল নিতে আসলে চেয়ারম্যা ও টেক অফিসার তাদের ১০ কেজি করে চাল না দিয়ে ২-৩ কেজি করে কর্ম চাল দিয়েছে। ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বলে তাদের সাথে সংশ্লিষ্টরা প্রতারণা করেছে। ওই দরিদ্র লোকেরা আরো জানিয়েছেন, গরীবের চাল মেরে দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও অন্যান্যরা গুরুতর অপরাধ করেছে। তারা এর বিচার দাবী করেছেন। সরেজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে টইটং ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে, বালতি ভর্তি করে প্রতি কার্ডধারীকে এক বালতি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বিকাল ৪টার সময় ওই ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড়ে ভিজিএফের কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ শেষ হলেও পরিষদের একটি কক্ষে প্রায় ২০ বস্তা চাল অবশিষ্ট রেখে দেওয়া হয়েছে। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে টইটং ইউনিয়নের সুচতুর চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জেএড় এম মোসলেম উদ্দিন চালগুলো সেখানে উপস্থিত লোকদের মাঝে তড়িগড়ি করে ৫০-৬০ কেজি করে বিলি করে দেন।
এ ব্যাপারে জানতে টইটং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জেএড় মোসলেম উদ্দিন এর সাথে কথা হলে তিনি তার ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছন।
টইটং ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে পেকুয়ার ইউএনও মীর শওকত হোসেনের মোবাইলে বেশ কয়েক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এদিকে স্থানীয় কোন সাংবাদিক যে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ইউএনওকে ফোনে অথবা সরাসরি অফিসে গিয়ে কথা বলতে চেষ্টা করলেও তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোন কথাই বলতে রাজি হয়না। তথ্য প্রবাহের এই যুগে একজন সরকারী কর্মকর্তা ইউএনও‘র এমন গাত্রদাহ কোন সভ্য সমাজে মানায় না। পেকুয়ার কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকরা পেকুয়ার ইউএনও‘র এহেন ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকরা পেকুয়ার ইউএনও মীর শওকত হোসেনকে জরুরী ভিত্তিতে অপসারণ বা বদলী করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জন প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন করেছন।
পেকুয়ার ইউএনও‘র নানা বিষয় নিয়ে প্রধান মন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে ফোনে অবহিত করা হলে তিনি জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়ার ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।

0 Comments