সুলতানা রাজিয়ারমজানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে দিনে কোনো কাজ হয় না। সব কাজ হয় সারারাত ধরে। এভাবেই চলে আসছে আরব দেশগুলোয় রমজানের কর্মঘন্টা। দিনে রোজা রেখে সারাদিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন অনেকে, আর ইফতার সেরে রাতে কাজের প্রস্তুতি নেন। এমন নিয়ম একটা বিধিতে পরিণত হয়েছে। কাজের তাগিদে আরব দেশগুলোতো যাওয়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা তা মেনেও নিয়েছে কোনো আপত্তি ছাড়াই।
সৌদি আরবে সরকারি হিসাবে রয়েছে ২৫ লাখ প্রবাসী শ্রমিক। এছাড়া সেখানে রয়েছে আরও বহু অবৈধ শ্রমিক, এখন রমজান মাসে মুসলিম এই দেশটিতে কিভাবে কাটছে বাংলাদেশি শ্রমিকদের তা জানতে দক্ষিনাঞ্চলের পটুয়াখালি থেকে সৌদি আরবে যাওয়া একজন শ্রমিক আবুল কালামের কাছে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় কেমন দিন কাটছে তাদের। তিনি জানান, বুরাইদা আল কাশিম শহরে একটি দোকানে কাজ করেন রাতের বেলা। রোজার মাসে এখানে দিনে রোজা রাখা হয় বলে রাতে আমাদের ডিউটি করতে হয়, রোজা রেখে কাজ করতে হয় না , এখানে শুধু রমজান মাসেই আমাদের রাতে ডিউটি করতে হয়, দিনের বেলা সম¯ত্ম দোকান অফিস আদালত সব কিছু বন্ধ , প্রচন্ড গরমের দেশ হওয়ার কারণে, যারা বাইরে কাজ করে তাদের অসুবিধা হয়, তাই রমজান মাসে দিনে আমরা ঘুমাই আর রাতে কাজ করি। এতে আমাদের কোন অসুবিধা হয় না, অনেক আগে থেকে এরকম চলে আসছে। আরব দেশগুলোতে এ নিয়ম চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। রোজার সময় দিনে ঘুমাবে, সারারাত কাজ করবে।
আবুল কালাম জানান, দেশের মত এখানে সৌদি আরবের নাগরিকরা রোজার সময় রোজা রাখে। আমাদের জন্য মসজিদে ইফতার করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। দেশে যেমন ইসলামিক ফাউন্ডেশন আছে এখানে মক্তব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রোজা ইফতার ও নামাজে ব্যবস্থা করা হয় । দিনের বেলা সব কাজ কর্ম বন্ধ থাকে। একেবারে জরুরি কাজ ছাড়া। এভাবে আমরা অভ্য¯ত্ম হয়ে পড়েছি। আর সৌদি নাগরিকরা ঈদ উপলক্ষে আমাদের দেশের মতই কেনাকাটা করে। উৎসবের প্রস্তুতি নেয়। তবে আমরা কাজ করতে এসেছি এদেশে। আমাদের পক্ষে দেশের মত আনন্দ উৎসব করা সম্ভব হয় না। আমাদের দিকে রোজায় যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেদিকে সৌদি নাগরিকরা খেয়াল রাখে।
ঈদের মধ্যে আমরা আমাদের পরিচিতদের নিয়ে আনন্দ উৎসব করি ২/৪ দিন যে যেভাবে ছুটি পাই, সেই সময়।
ঈদের দিন নামাজ পরে নতুন কাপড়, জুতা পরিধান করে, ব›ধুরা মিলে ঈদ উদযাপন করি।
সৌদি আরবে সরকারি হিসাবে রয়েছে ২৫ লাখ প্রবাসী শ্রমিক। এছাড়া সেখানে রয়েছে আরও বহু অবৈধ শ্রমিক, এখন রমজান মাসে মুসলিম এই দেশটিতে কিভাবে কাটছে বাংলাদেশি শ্রমিকদের তা জানতে দক্ষিনাঞ্চলের পটুয়াখালি থেকে সৌদি আরবে যাওয়া একজন শ্রমিক আবুল কালামের কাছে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় কেমন দিন কাটছে তাদের। তিনি জানান, বুরাইদা আল কাশিম শহরে একটি দোকানে কাজ করেন রাতের বেলা। রোজার মাসে এখানে দিনে রোজা রাখা হয় বলে রাতে আমাদের ডিউটি করতে হয়, রোজা রেখে কাজ করতে হয় না , এখানে শুধু রমজান মাসেই আমাদের রাতে ডিউটি করতে হয়, দিনের বেলা সম¯ত্ম দোকান অফিস আদালত সব কিছু বন্ধ , প্রচন্ড গরমের দেশ হওয়ার কারণে, যারা বাইরে কাজ করে তাদের অসুবিধা হয়, তাই রমজান মাসে দিনে আমরা ঘুমাই আর রাতে কাজ করি। এতে আমাদের কোন অসুবিধা হয় না, অনেক আগে থেকে এরকম চলে আসছে। আরব দেশগুলোতে এ নিয়ম চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। রোজার সময় দিনে ঘুমাবে, সারারাত কাজ করবে।
আবুল কালাম জানান, দেশের মত এখানে সৌদি আরবের নাগরিকরা রোজার সময় রোজা রাখে। আমাদের জন্য মসজিদে ইফতার করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। দেশে যেমন ইসলামিক ফাউন্ডেশন আছে এখানে মক্তব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রোজা ইফতার ও নামাজে ব্যবস্থা করা হয় । দিনের বেলা সব কাজ কর্ম বন্ধ থাকে। একেবারে জরুরি কাজ ছাড়া। এভাবে আমরা অভ্য¯ত্ম হয়ে পড়েছি। আর সৌদি নাগরিকরা ঈদ উপলক্ষে আমাদের দেশের মতই কেনাকাটা করে। উৎসবের প্রস্তুতি নেয়। তবে আমরা কাজ করতে এসেছি এদেশে। আমাদের পক্ষে দেশের মত আনন্দ উৎসব করা সম্ভব হয় না। আমাদের দিকে রোজায় যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেদিকে সৌদি নাগরিকরা খেয়াল রাখে।
ঈদের মধ্যে আমরা আমাদের পরিচিতদের নিয়ে আনন্দ উৎসব করি ২/৪ দিন যে যেভাবে ছুটি পাই, সেই সময়।
ঈদের দিন নামাজ পরে নতুন কাপড়, জুতা পরিধান করে, ব›ধুরা মিলে ঈদ উদযাপন করি।

0 Comments