মনির আহমদ,কক্সবাজার কক্সবাজার জেলার চকরিয়া এবং শহরতলীর পাহাড়তলীতে ব্যাপকভাবে বনায়নের সুজিত গাছ নিধন ও পাহাড় কাটা চলছে। স্থানীয়দের একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানায়, চকরিয়ার খুটাখালী ও ফাসিয়া খালী বনরেঞ্জে সামাজিক বনায়নের সুজিত গাছ নিধন ও পাহাড় কাটায় ২০টিরও বেশি সিন্ডিকেট জড়িত। প্রতিদিন দিবা-রাত্রি পাহাড় কাটা চললেও প্রশাসন একেবারেই নির্বিকার। সংশ্লিষ্ট বনকর্মীদের আসকারায় সামাজিক বনায়ন ও বনভূমি দখল করে চড়াদামে বিক্রি করছে ভূমিদস্যুরা।
এলাকাবাসি জানান, বেপরোয়া গাছ নিধন ও পাহাড় কেটে জমি দখলের ফলে সরকারের কোটি টাকার বনায়ন পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা সহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জনবসতি। এই এলাকায় পাহাড় কাটার ফলে পাহাড়ের চুড়া ও পাদদেশে বসবাসকারি অন্তত ৩০ হাজার মানুষ চরম ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে। চকরিয়ার খুটাখালীর জসিম উদ্দিন,ফাসিয়া খালী হাসের দীঘির মামুন ও জেলা শহরের পাহাড়তলীর ইউসুলের ঘোনার শামসুল আলম প্রকাশ কালুর নেতৃত্বে ভিন্ন ভিন্ন গ্র“প এসব ভুমিদস্যুতার মাধ্যমে পাহাড় কাটায় লিপ্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখেও এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে সচেতন মহলের ধারণা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, খবর নিয়ে পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আসলাম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরে জমিনে দেখে কথা বলবেন বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যান।
এদিকে এ ধরণের বনভূমি দখল ও ভয়াবহ পাহাড় কাটা বন্ধ করা না গেলে পরিবেশ বিপর্যয়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে পাহাড় কাটার ফলে পাহাড়ের পাদদেশের বসবাসকারীরা রয়েছেন চরম আতংকে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন প্রতিবেশীরা।
এলাকাবাসি জানান, বেপরোয়া গাছ নিধন ও পাহাড় কেটে জমি দখলের ফলে সরকারের কোটি টাকার বনায়ন পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা সহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জনবসতি। এই এলাকায় পাহাড় কাটার ফলে পাহাড়ের চুড়া ও পাদদেশে বসবাসকারি অন্তত ৩০ হাজার মানুষ চরম ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে। চকরিয়ার খুটাখালীর জসিম উদ্দিন,ফাসিয়া খালী হাসের দীঘির মামুন ও জেলা শহরের পাহাড়তলীর ইউসুলের ঘোনার শামসুল আলম প্রকাশ কালুর নেতৃত্বে ভিন্ন ভিন্ন গ্র“প এসব ভুমিদস্যুতার মাধ্যমে পাহাড় কাটায় লিপ্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখেও এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে সচেতন মহলের ধারণা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, খবর নিয়ে পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আসলাম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরে জমিনে দেখে কথা বলবেন বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যান।
এদিকে এ ধরণের বনভূমি দখল ও ভয়াবহ পাহাড় কাটা বন্ধ করা না গেলে পরিবেশ বিপর্যয়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে পাহাড় কাটার ফলে পাহাড়ের পাদদেশের বসবাসকারীরা রয়েছেন চরম আতংকে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন প্রতিবেশীরা।

0 Comments