মো: সাইফুল ইসলাম খোকন, চকরিয়া:
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকে চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের উদ্দ্যোগে শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে সম্বর্ধিত করা হযেছে। এ বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্টানে তিনি বলেন, দেশের নব্বই ভাগ মানুষ ততা¡বধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন চায়। কিন্তু বাকশালী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাকে আকড়ে ধরার জন্য নানা পায়তারা শুরু করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপর নির্যাতন ,আলেম ওলামাদের উপর গুলি, লাঠিচার্জ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করেছে। শাপলা চত্বরে রাতের আধারে মধ্যযুগীয় কায়দায় পুলিশী বর্বরতা চালিয়েছে। এখন হেফাজতের পায়ে মাথা ঠুকছে। কারণ সম্প্রতি ৪টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সরকারের ভরাডুবির পর তারা ঠের পেয়েছে।
তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন, আর বেশী সময় নেই একটু ধৈর্য্য ধরেন। আওয়ামীলীগ সরকারের দূ:শাসনের জবাব দেয়ার সময় আসছে। সরকারের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ফখরুদ্দীন মইন উদ্দিনের হাত ধরে ক্ষমতায় এসে দখলবাজী, চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, মামলাবাজী ও পুলিশকে দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর গুলি করে নির্যাতন করেছেন। সময় আসলে এ অত্যচার নির্যাতনের জবাব দেয়া হবে। পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জনগনের চাকর। জনগনের টেক্স নিয়ে আপনাদের বেতন দেয়া হয়। আর সেই জনগনের উপর আপনারা আওয়ামীলীগের কিছু সন্ত্রাসীদের কথায় গুলি চালান। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এর সঠিক জবাব আপনারা পাবেন। বর্তমান আওয়ামীলীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম,খা আলমগীরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার জিহ্বা লম্বা হয়ে গেছে দ্রুত চিকিৎসা করে নিন। পরে ডাক্তার দেখার সময় পাবেন না। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার ডিসি, এসপি,এএসপি, ওসি যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আপনারা যদি ওই লুটরাজ সরকারের গুটি কয়জন লোকের কথায় যেমন ইচছা তেমন করছেন, আমাদের খাতায় লিপিবন্ধ হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারে যদি অবস্থান করেন তা হলে সঠিক সময়ে খোজ করা হবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, চকরিয়া-পেকুয়ায় এসে দেখে যান, কার কতটুকু জনপ্রিয়তা আছে। লম্বা লম্বা কথা বলে পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে বিএনপির কোন নেতাকর্মীকে জেলে বন্দি করে রাখতে পারবেন না। কারণ বিএনপির নেতাকর্মীরা একে অপরের হৃদয়ের কারাগারে আবদ্ধ। এ সরকারের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, চকরিয়া পেকুয়ায় তথা কক্সবাজার জেলায় বিএনপির আমলে যে উন্নয়ন হযেছে এ উন্নয়নের সড়কে একটি গর্তও শেখ হাসিনা সরকার ভরাট করতে পারেনি। নাস্তিক, সাম্রাজ্যবাদীদের কথায় আজ এদেশের সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন আর ডজন ডজন মামলা ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। সংসদে বা মিডিয়ার সামনে বিএনপির তথা জোটের সমালোচনা করতে যানেন। আপনার দলের ছাত্রলীগ, র্ধষণলীগ, যুবলীগ, টেন্ডারলীগ, চিংড়িলীগ,পুলিশলীগ গুলো সামলাতে পারেননি। তাই জনগন সম্প্রতি ৪টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আপনার বিরুদ্ধে রায় দিয়ে দিয়েছে জনগন। আজও সময় আছে দ্রুত তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিন। প্রমান হবে আপনার সরকার ২০টির ও অধিক আসন পাবেনা।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে ও পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজী এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম.মোবারক আলীর পরিচালনায় অনুষ্টিত সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, সহসভাপতি কুতুবদিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সহসভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, যুগ্ম সম্পাদক আবু ছিদ্দিক ওসমানী, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা মেয়র ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হায়দার, মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম ইকবাল বদরী, বান্দরবার পৌরসভার মেয়র জাবেদ রেজা, লামা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন আমু, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম কাউন্সিলর। বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আবু তাহের চৌধুরী আবু মিয়া, মোহাম্মদ হোছাইন বিএসসি, আনসারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল মিয়া, পৌরসভা বিএনপি নেতা এম.আবদুর রহিম, জেলা বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন কমিশনার, জেলা যুবদলের সমাজকল্যান সম্পাদক এএম আলী আকবর, চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি নুরুল হক রিটু, সাধারন সম্পাদক আবু ইউছুপ, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি এসএ জয়নাল আবদিন, পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আক্তার ফারুক খোকন, সহসভাপতি ও প্যানেল মেয়র শহীদুল ইসলাম ফোরকান, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মনির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো.জকরিয়া, পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি মনোয়ার আলম মনুসহ দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরাসহ লাখো মানুষ এ বিশাল সংবধনায় উপস্থিত ছিলেন। সংবধনা সভা শুরুর আগে চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রফিকের নেতৃত্বে, সুরাজপুর মানিকপুর থেকে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে , ডুলাহাজারা অধ্যাপক ছাবের আহমদের নেতৃত্বে, খুটাখালী থেকে এসএম মনজুরের নেতৃত্বে, সাহারবিল থেকে আবদুল হাকিম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে , কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, বমু বিলছড়ি, পৌর সভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাড়াও উপজেলার মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা এবং পেকুয়া থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল যোগে মাঠ পরিপূর্ন করে। বাদ্যযত্র আর কয়েকশত মোটর গাড়ি ও বিভিন্ন গাড়ির বহর ছিল চোখে পড়ার মত।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকে চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের উদ্দ্যোগে শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে সম্বর্ধিত করা হযেছে। এ বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্টানে তিনি বলেন, দেশের নব্বই ভাগ মানুষ ততা¡বধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন চায়। কিন্তু বাকশালী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাকে আকড়ে ধরার জন্য নানা পায়তারা শুরু করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপর নির্যাতন ,আলেম ওলামাদের উপর গুলি, লাঠিচার্জ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করেছে। শাপলা চত্বরে রাতের আধারে মধ্যযুগীয় কায়দায় পুলিশী বর্বরতা চালিয়েছে। এখন হেফাজতের পায়ে মাথা ঠুকছে। কারণ সম্প্রতি ৪টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সরকারের ভরাডুবির পর তারা ঠের পেয়েছে।
তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন, আর বেশী সময় নেই একটু ধৈর্য্য ধরেন। আওয়ামীলীগ সরকারের দূ:শাসনের জবাব দেয়ার সময় আসছে। সরকারের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ফখরুদ্দীন মইন উদ্দিনের হাত ধরে ক্ষমতায় এসে দখলবাজী, চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, মামলাবাজী ও পুলিশকে দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর গুলি করে নির্যাতন করেছেন। সময় আসলে এ অত্যচার নির্যাতনের জবাব দেয়া হবে। পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জনগনের চাকর। জনগনের টেক্স নিয়ে আপনাদের বেতন দেয়া হয়। আর সেই জনগনের উপর আপনারা আওয়ামীলীগের কিছু সন্ত্রাসীদের কথায় গুলি চালান। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এর সঠিক জবাব আপনারা পাবেন। বর্তমান আওয়ামীলীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম,খা আলমগীরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার জিহ্বা লম্বা হয়ে গেছে দ্রুত চিকিৎসা করে নিন। পরে ডাক্তার দেখার সময় পাবেন না। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার ডিসি, এসপি,এএসপি, ওসি যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আপনারা যদি ওই লুটরাজ সরকারের গুটি কয়জন লোকের কথায় যেমন ইচছা তেমন করছেন, আমাদের খাতায় লিপিবন্ধ হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারে যদি অবস্থান করেন তা হলে সঠিক সময়ে খোজ করা হবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, চকরিয়া-পেকুয়ায় এসে দেখে যান, কার কতটুকু জনপ্রিয়তা আছে। লম্বা লম্বা কথা বলে পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে বিএনপির কোন নেতাকর্মীকে জেলে বন্দি করে রাখতে পারবেন না। কারণ বিএনপির নেতাকর্মীরা একে অপরের হৃদয়ের কারাগারে আবদ্ধ। এ সরকারের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, চকরিয়া পেকুয়ায় তথা কক্সবাজার জেলায় বিএনপির আমলে যে উন্নয়ন হযেছে এ উন্নয়নের সড়কে একটি গর্তও শেখ হাসিনা সরকার ভরাট করতে পারেনি। নাস্তিক, সাম্রাজ্যবাদীদের কথায় আজ এদেশের সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন আর ডজন ডজন মামলা ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। সংসদে বা মিডিয়ার সামনে বিএনপির তথা জোটের সমালোচনা করতে যানেন। আপনার দলের ছাত্রলীগ, র্ধষণলীগ, যুবলীগ, টেন্ডারলীগ, চিংড়িলীগ,পুলিশলীগ গুলো সামলাতে পারেননি। তাই জনগন সম্প্রতি ৪টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আপনার বিরুদ্ধে রায় দিয়ে দিয়েছে জনগন। আজও সময় আছে দ্রুত তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিন। প্রমান হবে আপনার সরকার ২০টির ও অধিক আসন পাবেনা।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়ার সভাপতিত্বে ও পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজী এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম.মোবারক আলীর পরিচালনায় অনুষ্টিত সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, সহসভাপতি কুতুবদিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সহসভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, যুগ্ম সম্পাদক আবু ছিদ্দিক ওসমানী, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভা মেয়র ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হায়দার, মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম ইকবাল বদরী, বান্দরবার পৌরসভার মেয়র জাবেদ রেজা, লামা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন আমু, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম কাউন্সিলর। বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আবু তাহের চৌধুরী আবু মিয়া, মোহাম্মদ হোছাইন বিএসসি, আনসারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল মিয়া, পৌরসভা বিএনপি নেতা এম.আবদুর রহিম, জেলা বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন কমিশনার, জেলা যুবদলের সমাজকল্যান সম্পাদক এএম আলী আকবর, চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি নুরুল হক রিটু, সাধারন সম্পাদক আবু ইউছুপ, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি এসএ জয়নাল আবদিন, পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আক্তার ফারুক খোকন, সহসভাপতি ও প্যানেল মেয়র শহীদুল ইসলাম ফোরকান, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মনির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো.জকরিয়া, পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি মনোয়ার আলম মনুসহ দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরাসহ লাখো মানুষ এ বিশাল সংবধনায় উপস্থিত ছিলেন। সংবধনা সভা শুরুর আগে চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রফিকের নেতৃত্বে, সুরাজপুর মানিকপুর থেকে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে , ডুলাহাজারা অধ্যাপক ছাবের আহমদের নেতৃত্বে, খুটাখালী থেকে এসএম মনজুরের নেতৃত্বে, সাহারবিল থেকে আবদুল হাকিম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে , কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, বমু বিলছড়ি, পৌর সভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাড়াও উপজেলার মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা এবং পেকুয়া থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল যোগে মাঠ পরিপূর্ন করে। বাদ্যযত্র আর কয়েকশত মোটর গাড়ি ও বিভিন্ন গাড়ির বহর ছিল চোখে পড়ার মত।


0 Comments