মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ
টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার ৩ নং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া মৌলভীপাড়া ও ছোটহাবীর পাড়ায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে। এখানে চোরাচালান, ইয়াবা কালোটাকার পেশিশক্তির
আভির্ভাব ঘটেছে। এ নিয়ে অর্থ ও বিত্তের আধিপত্যের বিস্তার এবং এ শক্তির মহড়া চলছে। সামপ্রতিক সময়ে এ ৩ পাড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই বিবধমান দলের মধ্যে মারামারী ও গুলাগুলির ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। আহত হয়েছে অনেকেই গত ৩ মাসে উক্ত পাড়া সমূহে জায়গা জমি মালিকানাদাবী সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা পাল্টা মামলা পর্যন্ত হয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত অমাান্য করে জায়গার প্রকৃত মালিকের জমির উপর ইমারত স্থাপন করেছে। এ ৩টি পাড়ার বিতকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হাতে সাবরাং ইউনিয়নর একজন মেম্বার প্রহ্নত হবার পরও তাদের দাপট এখনো চলছে। তাদের নেপথ্যে একটি শক্তি কাজ করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। টেকনাফ থানা থেকে এ ৩টি পাড়ার দুরুত্ব ১ কিলোমিটার দক্ষিনে এবং সাবরাং ইউনিয়নের পাশে। নাজির পাড়া নাফ-নদী সংলগ্ন এবং চোরাচালান চলে অবাধে। নাজির পাড়া ও মৌলভী পাড়া ইয়াবার স্বর্গরাজ্য। এখানে ৬/৭ জন ইয়াবার গডফাদার রয়েছে। তাদের মধ্যে আব্দু রহমান, মোঃ ফরিদ, জিয়াবুল ও ছিদ্দিক অন্যতম। এদের বিরুদ্ধে বিজিবির অসংখ্য মামলা থাকার পরও পলাতক মামলা মাথায় নিয়ে এলাকায় বীরদার্প ঘুরছে। এলাকায় ব্যাপক জনশ্র“তি রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা স্থানীয় ক্ষমতাীন দলের প্রভাবশালীর নাম ভাংগিয়ে ইয়াবা ব্যবসা দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে। এদের সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কতিপয় সদস্যের মধুর সম্পর্ক থাকার কারনে এ ৩টি পাড়ার লোকজন ওদের হাতে জিম্মি। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ও ৩টি পাড়া গত চার বছরে ইয়াবা ব্যবাসা করে ওরা আগুল ফুলে কলাগাছে পরিনত হয়েছে। অর্থের অহংকার এবং স্থানীয় প্রভাবশালী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরোক্ষ সহযোগিতায় ওরা এতো দাপটের সাথে চলছে। সীমান্তের বিভিন্ন এজেন্সী এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাসিক মাসোওয়ারা নিচ্ছে ওদের কাছ থেকে। এ ৩টি পাড়া বহুল আলোচত এবং এখান থেকে ইয়াবা সমগ্র বাংলাদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে?। বেসরকারী ব্যাংক এবং বিকাশের মাধ্যমে ইয়াবার বিক্রিত টাকা মালিকের কাছে চলে আসছে।

0 Comments