Advertisement

কুতুবজুমে শতাধিক গাছ কর্তন করেছে সন্ত্রাসীরা: বাধা দেওয়ায় হামলার শিকার ৫


সৈয়দ মোস্তাফা আলী
মহেশখালীতে একটি গাছের বাগানে সন্ত্রাসীরা তান্ডব চালিয়ে শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কর্তন করে নিয়ে গেছে এতে বাধা দেওয়ায় ওই সন্ত্রাসীদের হামলা শিকার হয়েছে বাগান মালিক সহ ৪ জন  । গত ২৩
জুলাই উপজেলার কুতুবজুমের মেহেরিয়া পাড়া নামক স্থানে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কুতুবজুম ইউনিয়নের মেহেরিয়া পাড়ার মাছ ব্যবসায়ি মৃত ওমরা মিয়ার ছেলে নুরুল কবির এর মালিকাধিন একটি ২শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করে বিগত ৫ বছর আগে। ইতিমধ্যে ওই গাছ গুলি বড় আকার ধারন করার ফলে ওই (পৃষ্ঠা >২, কলাম >৬)
কুতুবজুমে শতাধিক 
গাছের উপর লোলন দৃষ্টি পড়ে স্থানীয় লাল মিয়ার পুত্র আব্দুল রহিম (প্রকাশ কালাইছা) এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী  এরা প্রতিনিয়ত ওই গাছের মালিক ও তার  পরিবারকে প্রায় সময় হুমকি দিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকাল বেলায় আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে অবৈধ অস্ত্রসহ প্রায় ৫০ জনের একদল লাঠিয়াল বাহিনীর নেতৃত্বে ওই বাগানের প্রায় শতাধিক গাছ কর্তন করে গাড়িযোগে নিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীদের বাধা দেওয়ায়  বাগান মালিক সহ ৪ জন আহ হয়েছে । আহতরা হলেন, নুরল কবির (৪৫), আব্দুল গফুর (৪০), আয়েশা বেগম (৩৪). আনজুআরা বেগম (২৪), খালেদা বেগম (২০)।  ঘটনার খবর পেয়ে বাগানের মালিক  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে অবহিত করে। এব্যাপারে কুতুবজুম মেহেরিয়া পাড়ার  ইসলাম  মেম্বার জানান , গতকালের ঘটনাটি সম্পুন্ন বেআইনী ভাবে অস্ত্রের মুখে জিম্মি রেখে গাছ গুলি কেটে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। 
জানা গেছে, ওই এলাকায় প্রায়  সময় সড়ক ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই , ভুমি দখল ও জলদস্যু সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে ওই বাহিনী।  তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে  হাফেজ, আব্বাস, নজু, নাছির, সেলিম, রুবেল, মনজুর সহ একাধিক বখাটে যুবক । কুতুবজুম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জন প্রতিনিধি আব্দুল গফুর নাগু বলেন, ওই সন্ত্রাসীদের কারনে আমাদের সমাজে বার বার নিরহ ব্যক্তিরা হয়রানীর শিকার হচ্ছে , গাছের বিষয়টি নি বেশ কয়েকবার  সালিশে বৈটক হয়েছিল। ওই  সময় আমি সহ স্থানীয সমাজ সেবক মতলব, মনিরুল হক গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে  
 বিচার হওয়ার পরও  অন্যায় ভাবে তাদের গাছ গুলি কর্তন করে নিয়ে গেছে। স্থানীয়রা এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসেনর কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন। 
এদিকে ঘটনার পর ওই বাহিনীর প্রধানকে আসামী করে মহেশখালী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। 
এব্যাপরে  মহেশখালী থানার অফিসার (তদন্ত) ওসি কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে শুনেছি অভিযোগ পাওয়া মাত্র দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Post a Comment

0 Comments