Advertisement

চকরিয়ায় দিনভর জুয়ার আসর

স্টাফ রিপোর্টারচকরিয়া ফুলতলা ষ্টেশন সংলগ্ন চায়ের দোকানে পলিথিনের পর্দার আড়ালে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। স্থানীয় জাফর আলমের পুত্র মো: ইলিয়াছ তার চায়ের দোকানের এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এতে রমজানের পবিত্রতা যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনিভাবে নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। বিপদগামী হচ্ছে যুব সমাজও। প্রশাসন অনেকটা দেখেও না দেখার মতো বরাবরের ন্যায় রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে চলেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার ফুলতলা ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পবিত্র রমজানে সিয়াম সাধণার অনুভূতি উপেক্ষা করে চায়ের দোকান মালিক মোঃ ইলিয়াছ দোকানের বাহিরে পলিথিনের পর্দা টাঙিয়ে ভিতরে এক পাশে জুয়ার আসর বসায় এবং অন্যপাশে দেখা গেছে ৭/৮ জন লোক নাস্তা করতে। এভাবে প্রতিনিয়ত প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অব্যাহত রেখেছে জুয়া বাণিজ্য। স্থানীয় এক ব্যাক্তি (নাম প্রকাশ না করার) শর্তে বলেন, মো: ইলিয়াছ নামের ওই ব্যাক্তি অসাধু ও খারাপ চরিত্রের লোক। তার এ অপকর্মের বাধা দিতে কেউ সাহস করেনা। সূত্রমতে, প্রকাশ্যে দিবালোকে জুয়ার আসরটি মাতিয়ে রাখার ফলে স্থানীয় ও বহিরাগত লোকদের অবাধ আনাগোনায় এলাকায় বেড়ে চলছে অপরাধ প্রবণতা। পবিত্রতার এ মাসে তার এহেন কর্মকান্ডে এলাকার লোকজন চরমভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে দোকানে পর্দার আড়ালে খাওয়া দাওয়া করতে যাওয়া লোকজনের যাতায়াতে রমজানের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে বলে এমনটি অভিযোগ ধর্মপ্রাণ মানুষের। সচেতন মহল মন্তব্য করছেন, দিবালোকে জুয়ার আসরের কারণে বেপরোয়া চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ড়ালে চলছে জমজমাট জুয়ার আসর। স্থানীয় জাফর আলমের পুত্র মো: ইলিয়াছ তার চায়ের দোকানের এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এতে রমজানের পবিত্রতা যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনিভাবে নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। বিপদগামী হচ্ছে যুব সমাজও। প্রশাসন অনেকটা দেখেও না দেখার মতো বরাবরের ন্যায় রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে চলেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার ফুলতলা ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পবিত্র রমজানে সিয়াম সাধণার অনুভূতি উপেক্ষা করে চায়ের দোকান মালিক মোঃ ইলিয়াছ দোকানের বাহিরে (পৃষ্ঠা >৩, কলাম >৩)
চকরিয়ায় দিনভর
পলিথিনের পর্দা টাঙিয়ে ভিতরে এক পাশে জুয়ার আসর বসায় এবং অন্যপাশে দেখা গেছে ৭/৮ জন লোক নাস্তা করতে। এভাবে প্রতিনিয়ত প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অব্যাহত রেখেছে জুয়া বাণিজ্য। স্থানীয় এক ব্যাক্তি (নাম প্রকাশ না করার) শর্তে বলেন, মো: ইলিয়াছ নামের ওই ব্যাক্তি অসাধু ও খারাপ চরিত্রের লোক। তার এ অপকর্মের বাধা দিতে কেউ সাহস করেনা। সূত্রমতে, প্রকাশ্যে দিবালোকে জুয়ার আসরটি মাতিয়ে রাখার ফলে স্থানীয় ও বহিরাগত লোকদের অবাধ আনাগোনায় এলাকায় বেড়ে চলছে অপরাধ প্রবণতা। পবিত্রতার এ মাসে তার এহেন কর্মকান্ডে এলাকার লোকজন চরমভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে দোকানে পর্দার আড়ালে খাওয়া দাওয়া করতে যাওয়া লোকজনের যাতায়াতে রমজানের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে বলে এমনটি অভিযোগ ধর্মপ্রাণ মানুষের। সচেতন মহল মন্তব্য করছেন, দিবালোকে জুয়ার আসরের কারণে বেপরোয়া চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Post a Comment

0 Comments