ঢাকা: বিসিএস ও বাংলাদেশে সকল প্রকার সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল এবং ৩৪তম বিসিএস পরিক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে নামা আন্দোলকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গত ১১ জুলাই বৃহস্পতিবারের যানবাহন ভাংচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
১২ জুলাই শুক্রবার সকালে শাহবাগ থানায় এ মামলা করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে পুলিশ।
প্রসংঙ্গত, বিসিএস পরীক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এ সময় সাংবাদিকসহ আহত হন বেশ কয়েকজন। পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও টিয়ারসেল ছোঁড়ে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। পরে আটকদের বিরুদ্ধেও মামলা করে পুলিশ।
চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও সদ্য প্রকাশিত ৩৪তম বিসিএস’র ফল বাতিলের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে আন্দোলনে নামেন বঞ্চিত বিসিএস পরীক্ষার্থীরা। বুধবারের শাহবাগ মোড়ে অবরোধের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও আন্দোলন শুরু করতে গেলে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, কোটার জন্য বেশি নম্বর পেয়েও অনেকেই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নির্বাচিত হতে পারেননি।
তারা জানান, বিসিএসে ৫৬ ভাগ কোটা আর মাত্র ৪৪ ভাগ মেধার জন্য। কোটা পদ্ধতির জন্য অনেকে বেশি নম্বর পেয়েও প্রত্যাশিত ফল পাচ্ছেন না। আন্দোলনকারীরা শুধুর বিসিএস নয়, সব ধরনের পরীক্ষায় কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানান।


0 Comments