নিজস্ব প্রতিবেদক
উখিয়ায় অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পের ৫কোটি টাকার অধিক সরকারী অর্থ লুটপাটের ব্যাপক অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সরকারী আমলা, জনপ্রতিনিধি সহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট উপর্যপুরী ৩টি অর্থ বছরের কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ঘটনা নিয়ে এ তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে উর্ধ্বতন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনা নিয়ে ইতিপূর্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা রাষ্ট্রপতি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ দেওয়া হলে ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ত্রণা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আতাউর রহমান মাঠ পর্যায়ে এসে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত কার্যক্রম শেষ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন সহ একাধিক তদন্ত টিম অর্থ লুটপাটের এ ঘটনা তদন্তে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে উপজেলা প্রকল্প অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে কর্মহীন, বেকার, হতদরিদ্র পরিবারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সাময়িক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী হতদরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ হাতে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১-১২ অর্থ বছরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ৪ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬২ হাজার, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এছাড়াও নন-কষ্টের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রায় ৭১ লক্ষ টাকাসহ প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে প্রায় ৬৫টি প্রকল্পে গ্রামীণ উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মাণের নামে ২কোটি টাকার দায়সারা কাজ করে বাকী ৫ কোটি টাকা সংশ্লিষ্টরা পকেটস্থ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের কর্মসৃজনের ৯টি প্রকল্পের শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করায় কর্মসৃজন প্রকল্প কমিটির সদস্যরা গেল বছরের ২২ নভেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সুপারিশ’সহ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চলতি বছরের ২২ মার্চ তারিখে ২০১২-১৩ অর্থ বছরের কর্মসৃজন প্রকল্পের নন-কষ্টের ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ঢাকাস্থ প্রকল্প পরিচালক বরাবরে অভিযোগ করেছেন।
এছাড়াও টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত লাখ-লাখ টাকা অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে এবং প্রতি টন খাদ্য শষ্যের বিপরীতে দুই থেকে তিন হাজার টাকা কমিশন নেয়ার অভিযোগ তুলেন। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক শাহজাহান সিকদার বাদী হয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল আলমের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রেরণ করেন। এর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব, উপ-পরিচালক কাবিখা-১ মোঃ আতাউর রহমান সরেজমিন ৫ ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শন করে বেশিরভাগ প্রকল্পের অস্তিত্ব খোঁজে না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে শাহজাহান সিকদার জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও কর্মসৃজন প্রকল্পের উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড দেখার কথা রয়েছে।
সরজমিন ৫টি ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীতে খেলার মাঠ ভরাটের কথা বলে প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য ফজল কাদের ভুট্টো ২০৬ জন শ্রমিকের তালিকা দিয়ে ১৫জন শ্রমিক দিয়ে কাজ শেষ করে অবশিষ্ট শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা কর্মসৃজন নয় লুটপাট সৃজন। এ ধরনের প্রকল্প সরকারের বাতিল করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। রতœাপালং ইউনিয়নের প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য বাদশা আলম ভেলুয়ারমার মসজিদের পুকুর খননের কথা বলে ৩৭০ জন শ্রমিকের টাকা আতœসাৎ করেছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৪টি প্রকল্পের মধ্যে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের কাজ করার জন্য ৫শ জন শ্রমিক নির্ধারণ করা হয়। ইউপি সদস্য হাজী শামশুল আলমের অধীনে ৫০ জন কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যতিরেখে ৯ জন শ্রমিক দিয়ে নিজের পানের বরজে কাজ করে প্রকল্পের কাজ শেষ করেছে। একই ভাবে রাজাপালং ইউনিয়নের কালাচাঁন্দ সড়কের সংস্কারের কথা বলে কোন কাজ ব্যতিরেখে টাকা হরিলুট করেছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। একই ভাবে হলদিয়াপালং ইউনিয়নে অস্তিত্বহীন প্রকল্পের ভাঙ্গিয়ে ভূয়াঁ মাষ্টাররোল ও প্রতিবেদন দাখিল করে শ্রমিকের সমুদয় টাকা আতœসাৎ করার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়নের নামে ইউএনও মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, টেক অফিসার ও জনপ্রতিধিরা মিলে যেভাবে সরকারী অর্থের আতœসাৎ ও অপচয় করা হয়েছে তা নিয়ে জনমনে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যাঘাতের পাশাপাশি ভাবমূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। তিনি এ সমস্ত দুর্নীতি, অনিয়ম তদন্তে অচিরেই আদালতের আশ্রয় নেবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি করে থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
উখিয়ায় অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পের ৫কোটি টাকার অধিক সরকারী অর্থ লুটপাটের ব্যাপক অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সরকারী আমলা, জনপ্রতিনিধি সহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট উপর্যপুরী ৩টি অর্থ বছরের কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ঘটনা নিয়ে এ তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে উর্ধ্বতন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনা নিয়ে ইতিপূর্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা রাষ্ট্রপতি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ দেওয়া হলে ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ত্রণা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আতাউর রহমান মাঠ পর্যায়ে এসে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত কার্যক্রম শেষ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন সহ একাধিক তদন্ত টিম অর্থ লুটপাটের এ ঘটনা তদন্তে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে উপজেলা প্রকল্প অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে কর্মহীন, বেকার, হতদরিদ্র পরিবারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সাময়িক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী হতদরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ হাতে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১-১২ অর্থ বছরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ৪ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬২ হাজার, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এছাড়াও নন-কষ্টের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রায় ৭১ লক্ষ টাকাসহ প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে প্রায় ৬৫টি প্রকল্পে গ্রামীণ উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মাণের নামে ২কোটি টাকার দায়সারা কাজ করে বাকী ৫ কোটি টাকা সংশ্লিষ্টরা পকেটস্থ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের কর্মসৃজনের ৯টি প্রকল্পের শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করায় কর্মসৃজন প্রকল্প কমিটির সদস্যরা গেল বছরের ২২ নভেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সুপারিশ’সহ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চলতি বছরের ২২ মার্চ তারিখে ২০১২-১৩ অর্থ বছরের কর্মসৃজন প্রকল্পের নন-কষ্টের ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ঢাকাস্থ প্রকল্প পরিচালক বরাবরে অভিযোগ করেছেন।
এছাড়াও টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত লাখ-লাখ টাকা অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে এবং প্রতি টন খাদ্য শষ্যের বিপরীতে দুই থেকে তিন হাজার টাকা কমিশন নেয়ার অভিযোগ তুলেন। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক শাহজাহান সিকদার বাদী হয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল আলমের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রেরণ করেন। এর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব, উপ-পরিচালক কাবিখা-১ মোঃ আতাউর রহমান সরেজমিন ৫ ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শন করে বেশিরভাগ প্রকল্পের অস্তিত্ব খোঁজে না পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে শাহজাহান সিকদার জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও কর্মসৃজন প্রকল্পের উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড দেখার কথা রয়েছে।
সরজমিন ৫টি ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীতে খেলার মাঠ ভরাটের কথা বলে প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য ফজল কাদের ভুট্টো ২০৬ জন শ্রমিকের তালিকা দিয়ে ১৫জন শ্রমিক দিয়ে কাজ শেষ করে অবশিষ্ট শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা কর্মসৃজন নয় লুটপাট সৃজন। এ ধরনের প্রকল্প সরকারের বাতিল করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। রতœাপালং ইউনিয়নের প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য বাদশা আলম ভেলুয়ারমার মসজিদের পুকুর খননের কথা বলে ৩৭০ জন শ্রমিকের টাকা আতœসাৎ করেছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৪টি প্রকল্পের মধ্যে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের কাজ করার জন্য ৫শ জন শ্রমিক নির্ধারণ করা হয়। ইউপি সদস্য হাজী শামশুল আলমের অধীনে ৫০ জন কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যতিরেখে ৯ জন শ্রমিক দিয়ে নিজের পানের বরজে কাজ করে প্রকল্পের কাজ শেষ করেছে। একই ভাবে রাজাপালং ইউনিয়নের কালাচাঁন্দ সড়কের সংস্কারের কথা বলে কোন কাজ ব্যতিরেখে টাকা হরিলুট করেছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। একই ভাবে হলদিয়াপালং ইউনিয়নে অস্তিত্বহীন প্রকল্পের ভাঙ্গিয়ে ভূয়াঁ মাষ্টাররোল ও প্রতিবেদন দাখিল করে শ্রমিকের সমুদয় টাকা আতœসাৎ করার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়নের নামে ইউএনও মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, টেক অফিসার ও জনপ্রতিধিরা মিলে যেভাবে সরকারী অর্থের আতœসাৎ ও অপচয় করা হয়েছে তা নিয়ে জনমনে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ব্যাঘাতের পাশাপাশি ভাবমূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। তিনি এ সমস্ত দুর্নীতি, অনিয়ম তদন্তে অচিরেই আদালতের আশ্রয় নেবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি করে থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

0 Comments