Advertisement

নৌকার সওয়ারি হারাচ্ছেন ১৫০ এমপি


ডেস্ক রিপোরট
মস্ সয়ূজ ও তৌহিদ হোসেন  ঃ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শতাধিক জাতীয় সংসদ সদস্য এবার মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন। সম্প্রতি সরকার ও দলের পক্ষ থেকে চালিত পৃথক পৃথক জরিপের কারণে
এক থেকে দেড়শ’ সংসদ সদস্য ভাগ্যবিড়ম্বিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এসব জরিপে দেখা গেছে, এমপি এলাকায় জনবিচ্ছিন্ন, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত এবং দলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন হারানো। কিছু কিছু এলাকায় সরকারদলীয় এমপিদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা এমপিদের ওপর চড়াও হন। বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ না করা, দলের নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দিয়ে সব ক্ষেত্রে আত্মীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে নিজে এবং আত্মীয়-স্বজনদের সম্পৃক্ততার কারণে এমপিরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। একটি দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ ও বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় , জনবিচ্ছিন্ন এ ধরনের এমপিরা দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন না।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাবেক এক সচিবের নেতৃত্বে একটি টিম, দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের রিপোর্ট এবং সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা বর্তমান এমপিদের হালহকিকত জানতে সারাদেশে পৃথকভাবে জরিপ চালায় বলে জানা গেছে। এসব জরিপের পৃথক পৃথক সুপারিশ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছে। তিনি জরিপের ফলাফল মূল্যায়ন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা এসব কাজে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন। এদিকে অবসরপ্রাপ্ত একজন সামরিক কর্মকর্তা ও গবেষকের নেতৃত্বেও পৃথক একটি টিম সারাদেশে জরিপ কার্যক্রম চালাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওই টিমকে এ কাজে সহযোগিতা করছে। খুব শিগগিরই অবসরপ্রাপ্ত ওই সামরিক কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন টিমের কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। এ কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, সরকারি দলের এমপিদের করুণ দশার কথা।
গত বছর ১৯ মে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের এমপি ক্যাপ্টেন (অব.) গিয়াস উদ্দীনের গাড়ি ভাংচুর করে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তিনি পিস্তল উঁচিয়ে জনতাকে ধাওয়া করেন। আগের বছর গফরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গিয়াস উদ্দীনের উদ্দেশ্যে জুতা ছুঁড়ে মা

Post a Comment

0 Comments