আবুল কালাম আজাদ
বাহারছড়া সমূদ্র উপকূলবর্তী ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া, নোয়াখালী ও বড়ডেইল এলাকার সমূদ্র উপকূলরের খাল ও পাহাড়ী ছড়া এবং আকডে ধরা পাথর উত্তোলনের এক মহৌৎসব চলছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের রাজারছড়া ও বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নোয়াখালী ও বড়ডেইল এলাকার ৬/৭ জন পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গত চারবছর ধরে মহাজোট সরকারের আমলে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে এ ব্যবসা করে আসছে। বাহারছড়া ইউনিয়নের নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রাজারছড়া ও কচ্ছপিয়া নোয়াখালী বড়ডেইল এলাকার একটি শক্তিশালী পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গঠিত বীরদর্পে এ ব্যবসা করে আসছে। এর মধ্যে রাজারছড়া এলাকার মোঃ হোছন, আহমদ হোসেন ও আব্দুর রহমান এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা। এরা মহাজোট সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর থেকে কোমর বেঁধে নেমেছে পাহাড়ী ও সমূদ্র উপকূলের আকড়ে ধরা পাথর উত্তোলন এবং সংগ্রহ করে সরকারী ও বেসরকারী স্থাপনা নির্মান কাজে সরবারহ করে আসছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতার নাম ভাংগিয়ে ওরা প্রাকৃতিক পরিবেশ ধবংস করে নিজেদের স্বার্থে বশিভূত হয়ে নির্বিচারে পাহাড়ী ও সমূদ্রের পাথর উত্তোলন করে আসছে। বাহারছড়া কচ্ছপিয়া, বড়ডেইল ও নোয়াখালী এলাকার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে এবং তৎসংলগ্ম সমূদ্রে উপকূলের খালের ছড়ার আকড়ে ধরা পাথর উত্তোলন ও সংগ্রহ করার জন্য ২০/৩০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, টেকনাফের রাজারছড়ার পরিবেশ বিধবংসের হোতা মোঃ হোছন আহমদ হোসেন ও আব্দুর রহমান। প্রতিদিন ২০/২৫ টি জীপগাড়ী কচ্ছপিয়া, বড়ডেইল ও নোয়াখালী সমূদ্র উপকূলীয় এলাকা থেকে পাথর সরবারহ করে টেকনাফের গোদার বিল ফায়ারসার্ভিস, শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও বিভিন্ন সরকারীও বেসরকারী স্থাপনা নির্মাণ কাজে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি ঘনফুট পাথরের মূল্য ১১০ থেকে ১২০ টাকা। ১টি জীপ গাড়ীতে ৮০ থেকে ৯০ ঘনফুট পাথর বোঝাই করা হয় এবং এই ভাবে দৈনিক ২০/২৫ টি জীপগাড়ী পাথর বোঝাই করে স্থাপনা নির্মাণ কাজে সরাসরী নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে গত চার বছর ধরে কোটি কোটি টাকার পাথর ব্যবসা করে ওরা কাটি কাটি টাকা কামিয়েছে। সূত্রে জানা যায়, পাথর ব্যবসা নির্ভিগ্নে করার উদ্দেশ্যে পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ঘাটে ঘাটে নজরানা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে শামলাপুর বনবীট বন কর্মকর্তা মামুনকে ১৭ শত টাকা, বড়ডেইল বনবীট কর্মকর্তাকে প্রতি গাড়ীতে ৩ শত টাকা। পুলিশ ফাঁড়িকে ৫শত টাকা, এবং পরিবেশ কর্মকর্তার জন্য ৩ শত টাকা। এসব টাকার সংগ্রহের জন্য নিয়োযিত আছেন, কচ্ছপিয়া এলাকার জনৈক্য মেম্বারের ভাই বলে একাদিক সূত্রে থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্য মতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিধবংসীকারী হোতারা গত চার বছর ধরে পাথর ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রশ্ন উঠেছে, ওরা কোন ক্ষমতার বলে এবং কার ইশারা ইঙ্গিতে এ ব্যবসা করে আসছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং সমূদ্র উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিকভাবে গড়া পাথর নিবির্চারে উত্তোলন এবং পাচারের প্রেক্ষিতে ইলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে। পাথর উত্তোনের ফলে পাহাড় ও সমূদ্র ভাংগন দেখা দিতে পারে ভবিষ্যতে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার সচেতন মহল প্রতিবাদ করলে ঐসব সিন্ডিকেটের হুতারা হুমকি দিয়ে বলেন, মামলাও হামলা দিয়ে শাসিয়ে দেব। এ ভয়ে কেউ মুখ খোলছেননা। ফলে বাধ্য হয়ে সংবাদকর্মীর শরাপন্ন হচ্ছেন, এলাকার সচেতন মহল বিশেষ লোকেরা এলাকাবাসী প্রাকৃতিক ধবংসের লীলাখেলা থেকে সমূদ্র উপকূলীয় ও পাহাড়ী এলাকাকে রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।
বাহারছড়া সমূদ্র উপকূলবর্তী ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া, নোয়াখালী ও বড়ডেইল এলাকার সমূদ্র উপকূলরের খাল ও পাহাড়ী ছড়া এবং আকডে ধরা পাথর উত্তোলনের এক মহৌৎসব চলছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের রাজারছড়া ও বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নোয়াখালী ও বড়ডেইল এলাকার ৬/৭ জন পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গত চারবছর ধরে মহাজোট সরকারের আমলে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে এ ব্যবসা করে আসছে। বাহারছড়া ইউনিয়নের নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রাজারছড়া ও কচ্ছপিয়া নোয়াখালী বড়ডেইল এলাকার একটি শক্তিশালী পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গঠিত বীরদর্পে এ ব্যবসা করে আসছে। এর মধ্যে রাজারছড়া এলাকার মোঃ হোছন, আহমদ হোসেন ও আব্দুর রহমান এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা। এরা মহাজোট সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর থেকে কোমর বেঁধে নেমেছে পাহাড়ী ও সমূদ্র উপকূলের আকড়ে ধরা পাথর উত্তোলন এবং সংগ্রহ করে সরকারী ও বেসরকারী স্থাপনা নির্মান কাজে সরবারহ করে আসছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতার নাম ভাংগিয়ে ওরা প্রাকৃতিক পরিবেশ ধবংস করে নিজেদের স্বার্থে বশিভূত হয়ে নির্বিচারে পাহাড়ী ও সমূদ্রের পাথর উত্তোলন করে আসছে। বাহারছড়া কচ্ছপিয়া, বড়ডেইল ও নোয়াখালী এলাকার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে এবং তৎসংলগ্ম সমূদ্রে উপকূলের খালের ছড়ার আকড়ে ধরা পাথর উত্তোলন ও সংগ্রহ করার জন্য ২০/৩০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, টেকনাফের রাজারছড়ার পরিবেশ বিধবংসের হোতা মোঃ হোছন আহমদ হোসেন ও আব্দুর রহমান। প্রতিদিন ২০/২৫ টি জীপগাড়ী কচ্ছপিয়া, বড়ডেইল ও নোয়াখালী সমূদ্র উপকূলীয় এলাকা থেকে পাথর সরবারহ করে টেকনাফের গোদার বিল ফায়ারসার্ভিস, শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ি ও বিভিন্ন সরকারীও বেসরকারী স্থাপনা নির্মাণ কাজে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি ঘনফুট পাথরের মূল্য ১১০ থেকে ১২০ টাকা। ১টি জীপ গাড়ীতে ৮০ থেকে ৯০ ঘনফুট পাথর বোঝাই করা হয় এবং এই ভাবে দৈনিক ২০/২৫ টি জীপগাড়ী পাথর বোঝাই করে স্থাপনা নির্মাণ কাজে সরাসরী নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে গত চার বছর ধরে কোটি কোটি টাকার পাথর ব্যবসা করে ওরা কাটি কাটি টাকা কামিয়েছে। সূত্রে জানা যায়, পাথর ব্যবসা নির্ভিগ্নে করার উদ্দেশ্যে পাথর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ঘাটে ঘাটে নজরানা দিয়ে আসছে। এর মধ্যে শামলাপুর বনবীট বন কর্মকর্তা মামুনকে ১৭ শত টাকা, বড়ডেইল বনবীট কর্মকর্তাকে প্রতি গাড়ীতে ৩ শত টাকা। পুলিশ ফাঁড়িকে ৫শত টাকা, এবং পরিবেশ কর্মকর্তার জন্য ৩ শত টাকা। এসব টাকার সংগ্রহের জন্য নিয়োযিত আছেন, কচ্ছপিয়া এলাকার জনৈক্য মেম্বারের ভাই বলে একাদিক সূত্রে থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্য মতে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিধবংসীকারী হোতারা গত চার বছর ধরে পাথর ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রশ্ন উঠেছে, ওরা কোন ক্ষমতার বলে এবং কার ইশারা ইঙ্গিতে এ ব্যবসা করে আসছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং সমূদ্র উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিকভাবে গড়া পাথর নিবির্চারে উত্তোলন এবং পাচারের প্রেক্ষিতে ইলাকায় প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে। পাথর উত্তোনের ফলে পাহাড় ও সমূদ্র ভাংগন দেখা দিতে পারে ভবিষ্যতে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার সচেতন মহল প্রতিবাদ করলে ঐসব সিন্ডিকেটের হুতারা হুমকি দিয়ে বলেন, মামলাও হামলা দিয়ে শাসিয়ে দেব। এ ভয়ে কেউ মুখ খোলছেননা। ফলে বাধ্য হয়ে সংবাদকর্মীর শরাপন্ন হচ্ছেন, এলাকার সচেতন মহল বিশেষ লোকেরা এলাকাবাসী প্রাকৃতিক ধবংসের লীলাখেলা থেকে সমূদ্র উপকূলীয় ও পাহাড়ী এলাকাকে রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ঠদের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।

0 Comments