ডেস্ক রিপোর্ট : চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয় লাভের পর সরকারবিরোধী আন্দোলনের নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে ১৮ দলীয় জোটের বাইরে মহাঐক্যজোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে দলটি।
বিএনপির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ১৮ দলীয় জোটে জামায়াত ইসলামী থাকায় এর বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনে বিএনপিকে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসছে স্বাধীনতার স্বপক্ষের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
এ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি শর্তে জামায়াত ১৮ দলের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনে বিএনপিকে তাদের সম্মতির কথা জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৮ দলের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোটের নাম প্রাথমিকভাবে ‘মহাঐক্যজোট’ ঠিক করা হয়েছে। তবে নামটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে সূত্র জানায়।
নতুন এই জোটে যোগ দিচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, আ স ম আবদুর রবের জেএসডিসহ আরো কয়েকটি দল।
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন ওই জোটে দেখা যেতে পারে এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টিকেও। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠন প্রসঙ্গে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘১৮ দলীয় জোটে জামায়াত থাকায় আমরা ওই জোটে একীভূত হব না। তবে এর বাইরে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন জোটে আমরা যোগ দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘নতুন এই জোটের প্রধান কাজ হবে সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও জনদুর্ভোগের চিত্রগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা। এর মধ্যদিয়ে আগামী নির্বাচনে জোটের পক্ষে জনস্রোত তৈরি করা।’
কবে নাগাদ নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ হবে জানতে চাইলে ওই নেতা বলেন, ‘আসছে রমজানজুড়ে ইফতার মাহফিল ও বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে জোটের প্রাথমিক পথচলা শুরু হবে। আর ঈদের পরপরই নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।’
গত ৪ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিকল্পধারার যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, ‘১৮ দলের বাইরে বিএনপির সঙ্গে আলাদা রাজনৈতিক জোট করবে বিকল্পধারা। এ বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে, তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।’
এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেকটি অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করতে শিগগিরই বিএনপির সঙ্গে আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল যোগ দিবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী বিশ্বাস ধারণ করে এমন সব দলকে আমরা পাশে চাই। আমাদের দরজা সবার উন্মুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি আদায় করতে চাই। সেটা ১৮ দলের ব্যানারে কিংবা তার বাইরে গিয়ে আলাদা রাজনৈতিক জোটের মাধ্যমেও হতে পারে।’
কবে নাগাদ আলাদা জোটের আত্মপ্রকাশ হবে- জানতে চাইলে সাবেক এই সেনাপ্রধান বলেন, ‘এই ব্যাপারটা আমি আসলে জানি না। এই নিয়ে দলীয় ফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি ম্যাডাম ভালো জানেন।’
বিএনপির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ১৮ দলীয় জোটে জামায়াত ইসলামী থাকায় এর বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনে বিএনপিকে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসছে স্বাধীনতার স্বপক্ষের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
এ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি শর্তে জামায়াত ১৮ দলের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনে বিএনপিকে তাদের সম্মতির কথা জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৮ দলের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোটের নাম প্রাথমিকভাবে ‘মহাঐক্যজোট’ ঠিক করা হয়েছে। তবে নামটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে সূত্র জানায়।
নতুন এই জোটে যোগ দিচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, আ স ম আবদুর রবের জেএসডিসহ আরো কয়েকটি দল।
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন ওই জোটে দেখা যেতে পারে এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টিকেও। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠন প্রসঙ্গে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘১৮ দলীয় জোটে জামায়াত থাকায় আমরা ওই জোটে একীভূত হব না। তবে এর বাইরে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন জোটে আমরা যোগ দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘নতুন এই জোটের প্রধান কাজ হবে সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও জনদুর্ভোগের চিত্রগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা। এর মধ্যদিয়ে আগামী নির্বাচনে জোটের পক্ষে জনস্রোত তৈরি করা।’
কবে নাগাদ নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ হবে জানতে চাইলে ওই নেতা বলেন, ‘আসছে রমজানজুড়ে ইফতার মাহফিল ও বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে জোটের প্রাথমিক পথচলা শুরু হবে। আর ঈদের পরপরই নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।’
গত ৪ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিকল্পধারার যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, ‘১৮ দলের বাইরে বিএনপির সঙ্গে আলাদা রাজনৈতিক জোট করবে বিকল্পধারা। এ বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে, তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।’
এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেকটি অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করতে শিগগিরই বিএনপির সঙ্গে আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল যোগ দিবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী বিশ্বাস ধারণ করে এমন সব দলকে আমরা পাশে চাই। আমাদের দরজা সবার উন্মুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি আদায় করতে চাই। সেটা ১৮ দলের ব্যানারে কিংবা তার বাইরে গিয়ে আলাদা রাজনৈতিক জোটের মাধ্যমেও হতে পারে।’
কবে নাগাদ আলাদা জোটের আত্মপ্রকাশ হবে- জানতে চাইলে সাবেক এই সেনাপ্রধান বলেন, ‘এই ব্যাপারটা আমি আসলে জানি না। এই নিয়ে দলীয় ফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি ম্যাডাম ভালো জানেন।’

0 Comments