এম. শফিক হোছাইন
কক্সবাজার জেলাব্যাপী রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মটর সাইকেলের ছড়াছড়ি চলছে। এসব-এর মধ্যে শত-শত মটর সাইকেল বিনা বাধায় অবাধে শহরসহ গ্রামীণ জনপদে চলাচল করছে। চোরাই পথে ও অতি সহজে বিভিন্ন কোম্পানীর মটর সাইকেল বাজারে থাকায় সুযোগ বুঝে আগ্রহীরা অবাধে ক্রয় করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় মটর সাইকেল বাহন এখন অপরাধ কাজেও ব্যবহার করা হচেছ বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
সুত্র জানিয়েছে, কক্সবাজার শহর, ঈদগাহ, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুদিয়ার সর্বত্র এখন মটর সাইকেলের চাহিদা অত্যন্ত বেড়েছে। ফলশ্র“তিতে সাম্প্রতিক সময়ে যারা মটর সাইকেল ব্যবহার করছে তাদের প্রায়ই একটি বড় অংশ তরুণ-যুবক। মটর সাইকেল শুধুমাত্র জরুরী কাজে নয় এখন ‘হাওয়া খাওয়ার’ জন্যই ওই শ্রেণীর তরুণরা বেচে নিয়েছে। তবে অবিশ্বাস্য হল্যে সত্য যে, এখন মটর সাইকেল অবাধে নানান অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মটর সাইকেল নিয়ে চলছে আলোচিত মাদক ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, প্রতিপক্ষকে আকস্মিক গিয়ে চুরিকাঘাত-গুলি বর্ষণ ও চরম আঘাত করাসহ ইত্যাদি অপরাধ কাজে হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে।
একাধিক মহল জানিয়েছে, পুরো কক্সবাজার জেলা জুড়ে যে’হারে মটর সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে বলার অপেক্ষা রাখে না। যে কেউ অতি সহজে, যে কোন বয়সের তরুণ-যুবক মটর সাইকেল নিয়ে মাঠ-ঘাট ইচ্ছে মতো চষে বেড়াচ্ছে। মটর সাইকের হাঁকিয়ে ‘ওরা’ অপরাধীরা টুস-টাস ফুটাচ্ছে, আর সর্বত্র আতংক ছড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের প্রায়ই মটর সাইকেল রেজিছ্রেশন বিহীন চলছে। রেজিষ্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ড্রাইভিং লাইন্সেস প্রয়োনীয় যোগ্যতা ও দক্ষতা বলতে প্রায়ই মটর সাইকেল চালনাকারীদের নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ বা আইন শৃংখলা বাহিনীর থেমে-থেমে অভিযান নিয়ে জনমনে সন্দেহ রয়েছে। এতে সচেতন মহল নবাগত পুলিশ সুপার ও কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
সরেজমিনে টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও ঈদগাহসহ শহরের বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, এক শ্রেণীর নায়ক-নায়ক ভাব তরুণরা সাজ-গোজে বাংলা সিনেমার নায়ক-ভিলেনের মতো, দু’ চোখে কালো ফ্রেমের চমশা, অত্যাধুনিক মোবাইল ফোনসেট নিয়ে যেভাবে বেপরোয়া হয়ে মটর সাইকেল চালায় তাদের কর্মকান্ড দারুণ সন্দেহ জনক। এদের রহস্যবৃত চলাফেরা, শহরের লালাদিঘীর পাড় থেকে হুট করে হলিডে মোড়, সেখান থেকে কলাতলী, বাস টার্মিনাল হয়ে আবার লিংক রোড ঘোরাফেরাসহ গোপনীয় স্থানে বৈঠক অনেকটাই অপরাধের জানান দেয় বলে সচেতন মহল মত প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য যে, সীমান্তের টেকনাফ উপজেলার আনাচে-কানাচেও এখন মটর সাইকেল-এর অবাধ ছড়াছড়ি চলছে। যে কেউ সহজ লভ্যভাবে মটর সাইকেল ব্যবহারে ঝুঁকছেন। টেকনাফ উপজেলা আইন শৃংখলা সভায় সম্প্রতি মটর সাইকেল নিয়েও গুরুত্বপুর্ণ আলোচনা করা হয়। এতে কতিপয় বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
কক্সবাজার জেলাব্যাপী রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মটর সাইকেলের ছড়াছড়ি চলছে। এসব-এর মধ্যে শত-শত মটর সাইকেল বিনা বাধায় অবাধে শহরসহ গ্রামীণ জনপদে চলাচল করছে। চোরাই পথে ও অতি সহজে বিভিন্ন কোম্পানীর মটর সাইকেল বাজারে থাকায় সুযোগ বুঝে আগ্রহীরা অবাধে ক্রয় করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় মটর সাইকেল বাহন এখন অপরাধ কাজেও ব্যবহার করা হচেছ বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
সুত্র জানিয়েছে, কক্সবাজার শহর, ঈদগাহ, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুদিয়ার সর্বত্র এখন মটর সাইকেলের চাহিদা অত্যন্ত বেড়েছে। ফলশ্র“তিতে সাম্প্রতিক সময়ে যারা মটর সাইকেল ব্যবহার করছে তাদের প্রায়ই একটি বড় অংশ তরুণ-যুবক। মটর সাইকেল শুধুমাত্র জরুরী কাজে নয় এখন ‘হাওয়া খাওয়ার’ জন্যই ওই শ্রেণীর তরুণরা বেচে নিয়েছে। তবে অবিশ্বাস্য হল্যে সত্য যে, এখন মটর সাইকেল অবাধে নানান অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মটর সাইকেল নিয়ে চলছে আলোচিত মাদক ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, প্রতিপক্ষকে আকস্মিক গিয়ে চুরিকাঘাত-গুলি বর্ষণ ও চরম আঘাত করাসহ ইত্যাদি অপরাধ কাজে হরহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে।
একাধিক মহল জানিয়েছে, পুরো কক্সবাজার জেলা জুড়ে যে’হারে মটর সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে বলার অপেক্ষা রাখে না। যে কেউ অতি সহজে, যে কোন বয়সের তরুণ-যুবক মটর সাইকেল নিয়ে মাঠ-ঘাট ইচ্ছে মতো চষে বেড়াচ্ছে। মটর সাইকের হাঁকিয়ে ‘ওরা’ অপরাধীরা টুস-টাস ফুটাচ্ছে, আর সর্বত্র আতংক ছড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের প্রায়ই মটর সাইকেল রেজিছ্রেশন বিহীন চলছে। রেজিষ্ট্রেশন, রুট পারমিট ও ড্রাইভিং লাইন্সেস প্রয়োনীয় যোগ্যতা ও দক্ষতা বলতে প্রায়ই মটর সাইকেল চালনাকারীদের নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ বা আইন শৃংখলা বাহিনীর থেমে-থেমে অভিযান নিয়ে জনমনে সন্দেহ রয়েছে। এতে সচেতন মহল নবাগত পুলিশ সুপার ও কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
সরেজমিনে টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও ঈদগাহসহ শহরের বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, এক শ্রেণীর নায়ক-নায়ক ভাব তরুণরা সাজ-গোজে বাংলা সিনেমার নায়ক-ভিলেনের মতো, দু’ চোখে কালো ফ্রেমের চমশা, অত্যাধুনিক মোবাইল ফোনসেট নিয়ে যেভাবে বেপরোয়া হয়ে মটর সাইকেল চালায় তাদের কর্মকান্ড দারুণ সন্দেহ জনক। এদের রহস্যবৃত চলাফেরা, শহরের লালাদিঘীর পাড় থেকে হুট করে হলিডে মোড়, সেখান থেকে কলাতলী, বাস টার্মিনাল হয়ে আবার লিংক রোড ঘোরাফেরাসহ গোপনীয় স্থানে বৈঠক অনেকটাই অপরাধের জানান দেয় বলে সচেতন মহল মত প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য যে, সীমান্তের টেকনাফ উপজেলার আনাচে-কানাচেও এখন মটর সাইকেল-এর অবাধ ছড়াছড়ি চলছে। যে কেউ সহজ লভ্যভাবে মটর সাইকেল ব্যবহারে ঝুঁকছেন। টেকনাফ উপজেলা আইন শৃংখলা সভায় সম্প্রতি মটর সাইকেল নিয়েও গুরুত্বপুর্ণ আলোচনা করা হয়। এতে কতিপয় বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

0 Comments