এসএম হান্নান শাহ
চকরিয়ায় জেল ফেরত হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পৌর এলাকার হালকাকারায় লাদেন বাহিনী বীরদর্পে দখল বাণিজ্য শুরু করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় ৬টি পরিবারের খরিদা ও পৈত্রিকভাবে দখলীয় প্রায় ৫কোটি টাকা মূল্যের ৩কানি জমি গত দুই মাসে দখল করে নিয়েছে এ বাহিনী। দখল বেদখলের এসব ঘটনায় বাহিনী প্রধান ওবাইদুল হক তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে ইতোমধ্যে একাধিক মামলা রুজু হয়েছে। তারা এসব মামলায় পুলিশি গ্রেফতার এড়িয়ে দিব্যি এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছে জবর দখল বাণিজ্য। এতে করে ভূক্তভোগী পরিবারসহ এলাকার সাধারণ মানুষ এ বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, জমি বিরোধের জেরধরে (...)পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডের হালকাকারা গ্রামের আহমদ হোসেন সওদাগরকে জবাই করে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দী করে মাতামুহুরী ব্রীজের নীচে গায়েব করার ঘটনার মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের জন্মদেয় দখলবাজ ওবাইদুল হক ওরফে লাদেন বাহিনীর পরিবার। এরপর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামীরা আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ হত্যা মামলার আসামী সৈয়দ মিয়া, শহিদুল্লাহ, লাল মিয়াসহ অন্য আসামীরা গেল ২/৩বছর পূর্বে কারাভোগের পর এলাকায় ফিরলে তাদের ভাই ওবাইদুল হক ওরফে লাদেন পৈত্রিক সম্পত্তি দাবী করে স্থানীয় ৬টি পরিবারের খরিদা ও পৈত্রিকভাবে ভোগ দখলীয় জমি দখলে অপচেষ্টা শুরু করে। এক পর্যায়ে লাদেন বাহিনী হালকাকারা গ্রামের অধ্যাপক জুবাইদুল হক, মাওলানা মোছলেম আহমদ, জাকের হোসেন গং, দুদুমিয়া বেন্ডার, আনোয়ার হোসেন ও মোজাহের কোম্পানী গংয়ের প্রায় ৫কোটি টাকা মূল্যে ৩কানি জমি দখল করে নেন। সর্বশেষ রবিবার অধ্যাপক জুবাইদুল হকের জমি জবর দখল করে রাতা-রাতি নির্মাণ করে বসতবাড়ি। এ জমিটি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন পৌরসভা মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় পৌর মেয়র ঢাকায় অবস্থান করার সুযোগ তড়িঘড়ি করে দখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন লাদেন বাহিনী।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লাদেন বাহিনী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের জড়ো করে এসব দখল বাণিজ্য করলেও পরে ভূক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে ওই জমি ছেড়ে দেয়। ইতোমধ্যে এলাকায় এরকম কয়েকটি ঘটনাও করেছে এ বাহিনীর সদস্যরা। অভিযোগ উঠেছে, লাদেন বাহিনীর প্রধান ওবাইদুল হক হালকাকারা গ্রামের এক প্রবাসীকে জমি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে ৪লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। টাকা নেয়ার প্রায় ৬মাস সময় অতিবাহিত হলেও ওই প্রবাসীকে জমি বিক্রি কিংবা নেয়া টাকা ফেরত দেয়নি। এরকম একাধিক প্রতারণা ও দখল বেদখলে জড়িত থাকার অভিযোগে ওবাইদুলহক সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে।
চকরিয়ায় জেল ফেরত হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পৌর এলাকার হালকাকারায় লাদেন বাহিনী বীরদর্পে দখল বাণিজ্য শুরু করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় ৬টি পরিবারের খরিদা ও পৈত্রিকভাবে দখলীয় প্রায় ৫কোটি টাকা মূল্যের ৩কানি জমি গত দুই মাসে দখল করে নিয়েছে এ বাহিনী। দখল বেদখলের এসব ঘটনায় বাহিনী প্রধান ওবাইদুল হক তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে ইতোমধ্যে একাধিক মামলা রুজু হয়েছে। তারা এসব মামলায় পুলিশি গ্রেফতার এড়িয়ে দিব্যি এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছে জবর দখল বাণিজ্য। এতে করে ভূক্তভোগী পরিবারসহ এলাকার সাধারণ মানুষ এ বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, জমি বিরোধের জেরধরে (...)পৌরসভা ২নং ওয়ার্ডের হালকাকারা গ্রামের আহমদ হোসেন সওদাগরকে জবাই করে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দী করে মাতামুহুরী ব্রীজের নীচে গায়েব করার ঘটনার মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের জন্মদেয় দখলবাজ ওবাইদুল হক ওরফে লাদেন বাহিনীর পরিবার। এরপর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামীরা আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ হত্যা মামলার আসামী সৈয়দ মিয়া, শহিদুল্লাহ, লাল মিয়াসহ অন্য আসামীরা গেল ২/৩বছর পূর্বে কারাভোগের পর এলাকায় ফিরলে তাদের ভাই ওবাইদুল হক ওরফে লাদেন পৈত্রিক সম্পত্তি দাবী করে স্থানীয় ৬টি পরিবারের খরিদা ও পৈত্রিকভাবে ভোগ দখলীয় জমি দখলে অপচেষ্টা শুরু করে। এক পর্যায়ে লাদেন বাহিনী হালকাকারা গ্রামের অধ্যাপক জুবাইদুল হক, মাওলানা মোছলেম আহমদ, জাকের হোসেন গং, দুদুমিয়া বেন্ডার, আনোয়ার হোসেন ও মোজাহের কোম্পানী গংয়ের প্রায় ৫কোটি টাকা মূল্যে ৩কানি জমি দখল করে নেন। সর্বশেষ রবিবার অধ্যাপক জুবাইদুল হকের জমি জবর দখল করে রাতা-রাতি নির্মাণ করে বসতবাড়ি। এ জমিটি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন পৌরসভা মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় পৌর মেয়র ঢাকায় অবস্থান করার সুযোগ তড়িঘড়ি করে দখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন লাদেন বাহিনী।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লাদেন বাহিনী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের জড়ো করে এসব দখল বাণিজ্য করলেও পরে ভূক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে ওই জমি ছেড়ে দেয়। ইতোমধ্যে এলাকায় এরকম কয়েকটি ঘটনাও করেছে এ বাহিনীর সদস্যরা। অভিযোগ উঠেছে, লাদেন বাহিনীর প্রধান ওবাইদুল হক হালকাকারা গ্রামের এক প্রবাসীকে জমি বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে ৪লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। টাকা নেয়ার প্রায় ৬মাস সময় অতিবাহিত হলেও ওই প্রবাসীকে জমি বিক্রি কিংবা নেয়া টাকা ফেরত দেয়নি। এরকম একাধিক প্রতারণা ও দখল বেদখলে জড়িত থাকার অভিযোগে ওবাইদুলহক সহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে।

0 Comments