জিয়াবুল হক
টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লান পাড়ার এক অসহায় নারী যৌতুকের কারণে ঘরছাড়া হয়ে এখন বিচারের আশায় পথে পথে ঘুরছে। জানা যায় , টেকনাফ
হ্নীলা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ও বর্তমানে টেকনাফ নতুন পল্লান পাড়া বসবাস মৃত আবুল মনজুরের মেয়ে ২আগে খুরশিদার বিয়ে হয়। অসহায় খুরশিদা জানান , নিরাজ্ঞন দাশের ছেলে সুমন দাশ হিন্দুধর্মের লোক ছিল। দীর্ঘ ২ বছর আগে সে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় । বিয়ে করার প্রস্তাবে রাজি হলে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার প্রস্তাব রাখি , সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে ইসলামী শরীআহ মোতাবেক বিয়ে হয় । বর্তমানে একটি কন্যা সন্তানের মা ও বাবা হয়। তাদের নিকটত্বীয় সাইফুল ইসলাম , ছেনুয়ারা বেগম ও মৌলভী জাফরের যোগসাজসে ১ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করছে। থেকে যৌতুকের দাবি ও অন্যত্রে বিয়ে করার কথা বলে হুমকি দেয়। এবং আমাকে প্রতিনিয়ত মারধর করে সঠিকভাবে ভরণপোষণ না দিয়া দৈহিক ও মানসিক নির্যাতন করিয়া আসিতেছিল। সংসারের সুখের জন্য উক্ত নিযার্তন সহ্য করে ছিলাম। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পরে নাম রাখা হয়েছে আবদুর রহিম সুমন যৌতুকের কথা অনিহা প্রকাশ করিলে মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন অংশ জখম করে দেড় ভরি স্বর্ণলকার কেড়ে নিয়ে ঘর থেকে মৌলভী জাফরের বাড়িতে চলিয়া যায়। উক্ত ব্যাপারে স্থাণীয় গন্যমাণ্য লোকজনকে বিচার করে দিবে আশ্বাস দেয়। এবং ১৯মে ২টার কাউন্সিলর বাড়ির সামনে পৌছলে উল্লেখিত আক্রোশে রোহিঙ্গা মৌলভী জাফর ও সাইফুল ইসলাম , ছেনুয়ারাসহ আতর্ংকিত ভাবে আক্রমণ করিয়া এলোপাতালি কিল, ঘুষি মারিয়া শরীরের জখম করে। শরীরের বুকের ভিতর থাকা নগদ ২০হাজার টাকা নিয়ে যায়। বর্তমানে চরমনিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।বামাইয়াদের নির্যাতনের শিকার খুরশিদা বিচারের আশায় টেকনাফ মডেল থানায় একখানা অভিযোগ দায়ের করে।

0 Comments