নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের স্থাপিত বাতিঘরের (লাইট হাউস) প্রায় ৩০ কোটি টাকার সরকারী জমি দখল করে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতারা। রাতারাতি জমিটি দখল করে সেখানে কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, শহর আওয়ামীলীগের ১২ নং ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুসহ একাধিক আওয়ামীলীগ নেতার
নামে বেশ কয়েকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত শনিবার বাতিঘর কর্তৃপক্ষ কক্সবাজার সদর মডেল থানায়
কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহন করেনি। তবে দিনভর নানা নাটকীয়তার পর গভীর রাতে মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান এর নাম বাদ দিয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানায়।
এদিকে এসব জায়গা দখলের নেপথ্যে স্বয়ং নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের কয়েকজন দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, শহরের কলাতলীতে পাহাড়ের উপর স্থাপিত নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের বাতিঘরের নিজস্ব সড়কের প্রবেশ মুখে থাকা বাতিঘরের ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ১ একর ২০ শতক খালি জায়গাটি গত শুক্রবার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নেন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা। অথচ ওই জমিটি বাতিঘর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বসবাস করে তাতে সবজি চাষ করে জীবিকা নিবার্হ করে আসছে চট্রগ্রামের মীরসরাই এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। বাতি ঘরের পানির পাম্প ঘরের পাশে একটি ঝুপড়ি ঘরে ওই পরিবারের লোকজন বসবাস করছেন। জায়গার অন্যান্য অংশে ওই পরিবারের সদস্যরা সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। গরীব ও মেধাবী হওয়ায় ওই পরিবারের ২ কন্যা সন্তান বিভিন্ন সময় সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছেন। এলাকাবাসি জানিয়েছেন, মোহাম্মদ উল্লাহর ২ কন্যা যথাক্রমে ফারহানা ও জয়নাব মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে আলোচিত। সবজি ক্ষেতের পাশাপাশি পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এর মধ্যে ফারহানা সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পেয়েছিলেন। এর পর ফারহানাকে নিয়ে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে সারাদেশে আলোচিত হয়। এর প্রেক্ষিতে কক্সবাজারে ছুটে আসেন চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসি। তিনি ফারহানার পড়াশুনার ব্যয়ভার বহনের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। ফারহানা বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর তাদের বসবাসের ঘর ও সবজি চাষের জমি গত শুক্রবার দখল করে নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নেতৃত্বে একদল লোক কয়েকটি সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে ওই জায়গাটি দখল করে নেন। জমির মালিক দাবী করে সাইনবোর্ডটিতে মুজিবুর রহমান, আবদুল কাইয়ুম, শাহজাহান সিরাজ, আরিফুল ইসলাম, কাজী মোরশেদ আহমদ বাবু, ইব্রাহিম নামের ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর চট্রগ্রামের প্রধান বাতি রক্ষক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, ৫.২৭ একর জমি বাতি ঘরের নামে প্রস্তাবিত। ১৯৬৯ সাল থেকে বাতিঘরটি এসব জমি নিয়ে স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু গত শুক্রবার মুজিব-বাবু নামের কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বাতিঘরের প্রায় দেড় একর জমি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নিয়েছে। এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা আমলে নেয়নি। পরে বাতিঘরের প্রকৌশলী বাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নাম উল্ল্যেখ করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। কক্সবাজার থানায় ২৪৯ নং দিয়ে জিডিটি নথিভূক্ত করা হয়।
ওই জায়গায় বসবাসকারী মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী পারভীন জানান, প্রতিবছর ১২-১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ইজারা দিয়ে বাতিঘর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমিটি নিয়ে সেখানে গত ১৬ বছর ধরে তারা বসবাস এবং সবজি চাষ করে আসছেন। বাতিঘরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিবছর এ টাকা নিয়ে আসতো। গত ১৬ বছর ধরে জায়গাটি সরকারী এবং বাতিঘরের জেনে আসলেও শুক্রবার সাইন বোর্ড দিয়ে অন্য লোকজন জায়গাটি তাদের দাবি করে দখল করেছেন। এছাড়া বাতিঘরের লোকজন তাদেরকে জমিটি থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এতে সবজি চাষের মাঝা-মাঝি সময় ক্ষেত নিয়ে কোথায় যাবেন তা নিয়ে তারা শংকায় রয়েছেন বলে জানান।
স্থানীয় লোকজন জানান, স্থানীয় বাসিন্দা ও কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নেতৃত্বে একদল যুবক কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান এর নামে জায়গাটি দখল করে নিয়েছেন। এতে বাতিঘরের কয়েকজন কর্মকর্তাও জড়িত রয়েছেন।
এ বিষয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবু জানান, জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানাধিন এবং এটি তারা ক্রয় করেছেন। এ ব্যাপারে আদালতে মামলা রয়েছে। এ সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র তাদের রয়েছে।
কক্সবাজার বাতিঘরের ইনচার্জ ও মেকানিক মুস্তাফিজুর রহমান জানান, জায়গাটি বাতিঘরের। কিন্তু তা গত শুক্রবার প্রভাবশালী লোকজন সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নিয়েছেন। ঘটনাটি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারনে তিনি কিছু বলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানের সাথে বেশ কয়েক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ কামরুল হাসান সাধারণ ডায়েরীর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের স্থাপিত বাতিঘরের (লাইট হাউস) প্রায় ৩০ কোটি টাকার সরকারী জমি দখল করে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতারা। রাতারাতি জমিটি দখল করে সেখানে কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, শহর আওয়ামীলীগের ১২ নং ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুসহ একাধিক আওয়ামীলীগ নেতার
নামে বেশ কয়েকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত শনিবার বাতিঘর কর্তৃপক্ষ কক্সবাজার সদর মডেল থানায়
কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহন করেনি। তবে দিনভর নানা নাটকীয়তার পর গভীর রাতে মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান এর নাম বাদ দিয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানায়।
এদিকে এসব জায়গা দখলের নেপথ্যে স্বয়ং নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের কয়েকজন দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, শহরের কলাতলীতে পাহাড়ের উপর স্থাপিত নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের বাতিঘরের নিজস্ব সড়কের প্রবেশ মুখে থাকা বাতিঘরের ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ১ একর ২০ শতক খালি জায়গাটি গত শুক্রবার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নেন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা। অথচ ওই জমিটি বাতিঘর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বসবাস করে তাতে সবজি চাষ করে জীবিকা নিবার্হ করে আসছে চট্রগ্রামের মীরসরাই এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। বাতি ঘরের পানির পাম্প ঘরের পাশে একটি ঝুপড়ি ঘরে ওই পরিবারের লোকজন বসবাস করছেন। জায়গার অন্যান্য অংশে ওই পরিবারের সদস্যরা সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। গরীব ও মেধাবী হওয়ায় ওই পরিবারের ২ কন্যা সন্তান বিভিন্ন সময় সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছেন। এলাকাবাসি জানিয়েছেন, মোহাম্মদ উল্লাহর ২ কন্যা যথাক্রমে ফারহানা ও জয়নাব মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে আলোচিত। সবজি ক্ষেতের পাশাপাশি পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এর মধ্যে ফারহানা সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পেয়েছিলেন। এর পর ফারহানাকে নিয়ে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে সারাদেশে আলোচিত হয়। এর প্রেক্ষিতে কক্সবাজারে ছুটে আসেন চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসি। তিনি ফারহানার পড়াশুনার ব্যয়ভার বহনের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। ফারহানা বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর পর তাদের বসবাসের ঘর ও সবজি চাষের জমি গত শুক্রবার দখল করে নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নেতৃত্বে একদল লোক কয়েকটি সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে ওই জায়গাটি দখল করে নেন। জমির মালিক দাবী করে সাইনবোর্ডটিতে মুজিবুর রহমান, আবদুল কাইয়ুম, শাহজাহান সিরাজ, আরিফুল ইসলাম, কাজী মোরশেদ আহমদ বাবু, ইব্রাহিম নামের ৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর চট্রগ্রামের প্রধান বাতি রক্ষক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, ৫.২৭ একর জমি বাতি ঘরের নামে প্রস্তাবিত। ১৯৬৯ সাল থেকে বাতিঘরটি এসব জমি নিয়ে স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু গত শুক্রবার মুজিব-বাবু নামের কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বাতিঘরের প্রায় দেড় একর জমি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নিয়েছে। এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা আমলে নেয়নি। পরে বাতিঘরের প্রকৌশলী বাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নাম উল্ল্যেখ করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। কক্সবাজার থানায় ২৪৯ নং দিয়ে জিডিটি নথিভূক্ত করা হয়।
ওই জায়গায় বসবাসকারী মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী পারভীন জানান, প্রতিবছর ১২-১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ইজারা দিয়ে বাতিঘর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমিটি নিয়ে সেখানে গত ১৬ বছর ধরে তারা বসবাস এবং সবজি চাষ করে আসছেন। বাতিঘরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিবছর এ টাকা নিয়ে আসতো। গত ১৬ বছর ধরে জায়গাটি সরকারী এবং বাতিঘরের জেনে আসলেও শুক্রবার সাইন বোর্ড দিয়ে অন্য লোকজন জায়গাটি তাদের দাবি করে দখল করেছেন। এছাড়া বাতিঘরের লোকজন তাদেরকে জমিটি থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এতে সবজি চাষের মাঝা-মাঝি সময় ক্ষেত নিয়ে কোথায় যাবেন তা নিয়ে তারা শংকায় রয়েছেন বলে জানান।
স্থানীয় লোকজন জানান, স্থানীয় বাসিন্দা ও কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবুর নেতৃত্বে একদল যুবক কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান এর নামে জায়গাটি দখল করে নিয়েছেন। এতে বাতিঘরের কয়েকজন কর্মকর্তাও জড়িত রয়েছেন।
এ বিষয়ে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ আহমদ বাবু জানান, জায়গাটি ব্যক্তি মালিকানাধিন এবং এটি তারা ক্রয় করেছেন। এ ব্যাপারে আদালতে মামলা রয়েছে। এ সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র তাদের রয়েছে।
কক্সবাজার বাতিঘরের ইনচার্জ ও মেকানিক মুস্তাফিজুর রহমান জানান, জায়গাটি বাতিঘরের। কিন্তু তা গত শুক্রবার প্রভাবশালী লোকজন সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দখল করে নিয়েছেন। ঘটনাটি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারনে তিনি কিছু বলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে কক্সবাজার শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানের সাথে বেশ কয়েক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ কামরুল হাসান সাধারণ ডায়েরীর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।


0 Comments