কক্সবাজার, ১৭ এপ্রিল ॥
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পরিণতি রাজনীতিবিদদের জন্য লজ্জাজনক বলে মনে করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ। তাঁর মতে সুরঞ্জিতের
আরো অনেক আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল। তবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পদত্যাগে বাধ্য করানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এরশাদ। কক্সবাজার সাগর পাড়ের অভিজাত হোটেল ওশান প্যারাডাইসে মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিক এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ একথা বলেন।
আরো অনেক আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল। তবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে পদত্যাগে বাধ্য করানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এরশাদ। কক্সবাজার সাগর পাড়ের অভিজাত হোটেল ওশান প্যারাডাইসে মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিক এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পদত্যাগ যেহেতু দেশের জনগণেরও দাবি ছিল। তাই পদত্যাগে এত দেরী করায় তিনি দেশের ভাবমূর্তি অপূরণীয় ক্ষতি করেছেন। সে সাথে সুরঞ্জিত সেনের অর্থ কেলেংকারীর কারণে দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে নষ্ঠ হয়েছে বলে মনে করেন এরশাদ।
আর ডিসিসি নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টিও অনাকাঙ্খিত এবং এটিকে দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখবেন না বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি। তাঁরমতে, নির্বাচন যখন একবার ঘোষণা করা হয় তখন সবাই প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামে। কিন্তু কোন কারণে নির্বাচন স্থগিত হলে এটা স্বাভাবিকভাবে দেখা হয়না। এতে দেশের মানুষের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। যারা হয়তো এ মুহুর্তে নির্বাচন হলে পরাজয়ের আশংকা করেছেন তারাই নির্বাচন স্থগিত করার পেছনে কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন এরশাদ।
কক্সবাজার প্রসংগে এক প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, কক্সবাজার শহরকে অপরিকল্পিত এবং গিঞ্জি পরিবেশে গড়ে তোলা হচ্ছে । কক্সবাজারের উন্নয়নে তিনি একটি মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন জানিয়ে বলেন, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কক্সবাজারের উন্নয়ন করা উচিত। অন্যথায় কক্সবাজার শৈল্পিকতা হারাবে এবং ভ্রমণ অযোগ্য শহরে পরিণত হবে।
গতকাল সোমবার সকালে কক্সবাজার সফরে আসেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ। সফরে তাঁর সাথে পুত্র এরিক, পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি সোলাইমান আলম শেঠ সহ পরিবার ও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা ছিলেন।


0 Comments