মোবারক উদ্দিন নয়ন
কঙ্বাজার ঈদগাঁও থেকে প্রকাশ্যে দিবালোকে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুন্ডির ১০ লাখ ৬০
হাজার টাকা লুট হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারী পৌনে ২টায় বাজারের হাসপাতাল সড়কের ২য় তলার একটি অফিসে এ ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীদের বাঁধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছে ৩ জন। ঘটনার প্রতিবাদে বাজারের বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা মহাসড়ক অবরোধ ও কিছুক্ষনের জন্য দোকান পাঠ বন্ধ রাখে। রাতে অবশ্য জনগণের সহযোগিতায় র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আংশিক টাকা ও মোবাইল সহ ছিনতাইয়ে জড়িত ২জনকে আটক করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, গতকাল দুপুরে পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব নাইক্ষ্যংদিয়ার মৃত ছাবের আহমদ সওদাগরের পুত্র রুহুল আমিন ও তার নিকট আত্মীয় এনামূল হক ঈদগাঁও বাজারের হাসপাতাল সড়ক সংলগ্ন একটি বিল্ডিংয়ের ২য় তলাস্থ অফিসে অবস্থান করছিল। আকস্মিক ২ ছিনতাইকারী উক্ত অফিসে ঢুকে প্রথমে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মি করে ১০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও কয়েকটি মোবাইল লুট করে বের হয়ে বাহির থেকে দরজাটি আবার বন্ধ করে দেয়। পরে ফ্লিম ষ্ট্যাইলে চলে আসার সময় অফিসের ভেতরে আটকা পড়া যুবকরা চিল্লাচিলি্ল শুরু করে। স্থানীয় দোকানদাররা দ্রুত এগিয়ে এসে দেখতে পায় যে, লুটপাটকারীরা টিভিএস এফাচি মোটর সাইকেল যোগে দ্রুত চলে যেতে চাইলে গাড়ির চেঁইন ছিড়ে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ে পালাতে পারে নি। ইতোমধ্যে কয়েকজন ব্যবসায়ী তাদের গতিরোধ করতে চাইলে তারা প্রকাশ্যে রিভলবার ঠেকিয়ে তাদের মারধর করে দ্রুত জাগির পাড়ার দিকে চলে যায়। আহত ব্যবসায়ীরা হচ্ছে শাহনেওয়াজ মিন্টু, আবদুর রহিম ও শামশুল আলম। বাজারের মক্কা ফার্মেসীর মালিক মোরশেদুর রহমান জানায়, লুন্টিত টাকার মধ্যে ২লাখ তার নিজের এবং বাকী টাকা তার চাচাতো ভাই রুহুল আমিনের। কঙ্বাজারের জমিক্রয়ের বায়না নামার জন্য সে স্থানীয় ফাষ্টসিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে তারা গতকাল এ টাকা উত্তোলন করে। ঘটনার পর পর বাজারের বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা দোকানপাট সাময়িক বন্ধ রেখে বিক্ষুভ মিছিল যোগে ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে গিয়ে চট্টগ্রাম-কঙ্বাজার মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ঘন্টাব্যাপী যানচলাচল বন্ধ থাকে।
খবর পেয়ে মডেল থানার ওসি, রামু থানা ও র্যাব-৭ এর একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করে এবং ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি জব্দ করে। এদিকে রাতে র্যাব ও পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে জনতার সহায়তায় জাগির পাড়া থেকে ছিনতাইকারী ২ জনকে নগদ ৩৬ হাজার টাকা ও ২টি মোবাইল সহ আটক করে ঈদগাঁও তদনত্দ কেন্দ্রে সোপর্দ করে। তাদের দেখতে মুহুর্তে হাজার হাজার লোকজন তদনত্দ কেন্দ্রে জড়ো হন। এ সময় সোনালী ব্যাংকের পরিচালক সাইমুম সরওয়ার কমল ও বাজারের সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন সওদাগর মসজিদের মাইকে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শানত্দ করেন। আটককৃতরা হচ্ছে ঈদগাঁও সাতঘরিয়া পাড়ার (বর্তমানে বাসষ্টেশনের বাসিন্দা) আবদুর রওফের পুত্র আল আমিন (৩০) এবং ভাদীতলার মাওলানা সিরাজের পুত্র শহিদ উল্লাহ (২৮)। ঘটনার খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার তোফাইল আহমদ, মডেল থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার ঈদগাঁওতে আসেন। ঘটনার পরপর বাজারে র্যাব টহল দেয়। রাতে এ রিপোর্ট লিখার সময় ছিনতাইকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ। তবে কোন অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা যায় নি।
কঙ্বাজার ঈদগাঁও থেকে প্রকাশ্যে দিবালোকে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুন্ডির ১০ লাখ ৬০
হাজার টাকা লুট হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারী পৌনে ২টায় বাজারের হাসপাতাল সড়কের ২য় তলার একটি অফিসে এ ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীদের বাঁধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছে ৩ জন। ঘটনার প্রতিবাদে বাজারের বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা মহাসড়ক অবরোধ ও কিছুক্ষনের জন্য দোকান পাঠ বন্ধ রাখে। রাতে অবশ্য জনগণের সহযোগিতায় র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আংশিক টাকা ও মোবাইল সহ ছিনতাইয়ে জড়িত ২জনকে আটক করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, গতকাল দুপুরে পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব নাইক্ষ্যংদিয়ার মৃত ছাবের আহমদ সওদাগরের পুত্র রুহুল আমিন ও তার নিকট আত্মীয় এনামূল হক ঈদগাঁও বাজারের হাসপাতাল সড়ক সংলগ্ন একটি বিল্ডিংয়ের ২য় তলাস্থ অফিসে অবস্থান করছিল। আকস্মিক ২ ছিনতাইকারী উক্ত অফিসে ঢুকে প্রথমে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মি করে ১০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও কয়েকটি মোবাইল লুট করে বের হয়ে বাহির থেকে দরজাটি আবার বন্ধ করে দেয়। পরে ফ্লিম ষ্ট্যাইলে চলে আসার সময় অফিসের ভেতরে আটকা পড়া যুবকরা চিল্লাচিলি্ল শুরু করে। স্থানীয় দোকানদাররা দ্রুত এগিয়ে এসে দেখতে পায় যে, লুটপাটকারীরা টিভিএস এফাচি মোটর সাইকেল যোগে দ্রুত চলে যেতে চাইলে গাড়ির চেঁইন ছিড়ে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ে পালাতে পারে নি। ইতোমধ্যে কয়েকজন ব্যবসায়ী তাদের গতিরোধ করতে চাইলে তারা প্রকাশ্যে রিভলবার ঠেকিয়ে তাদের মারধর করে দ্রুত জাগির পাড়ার দিকে চলে যায়। আহত ব্যবসায়ীরা হচ্ছে শাহনেওয়াজ মিন্টু, আবদুর রহিম ও শামশুল আলম। বাজারের মক্কা ফার্মেসীর মালিক মোরশেদুর রহমান জানায়, লুন্টিত টাকার মধ্যে ২লাখ তার নিজের এবং বাকী টাকা তার চাচাতো ভাই রুহুল আমিনের। কঙ্বাজারের জমিক্রয়ের বায়না নামার জন্য সে স্থানীয় ফাষ্টসিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে তারা গতকাল এ টাকা উত্তোলন করে। ঘটনার পর পর বাজারের বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা দোকানপাট সাময়িক বন্ধ রেখে বিক্ষুভ মিছিল যোগে ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে গিয়ে চট্টগ্রাম-কঙ্বাজার মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ঘন্টাব্যাপী যানচলাচল বন্ধ থাকে।
খবর পেয়ে মডেল থানার ওসি, রামু থানা ও র্যাব-৭ এর একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করে এবং ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি জব্দ করে। এদিকে রাতে র্যাব ও পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে জনতার সহায়তায় জাগির পাড়া থেকে ছিনতাইকারী ২ জনকে নগদ ৩৬ হাজার টাকা ও ২টি মোবাইল সহ আটক করে ঈদগাঁও তদনত্দ কেন্দ্রে সোপর্দ করে। তাদের দেখতে মুহুর্তে হাজার হাজার লোকজন তদনত্দ কেন্দ্রে জড়ো হন। এ সময় সোনালী ব্যাংকের পরিচালক সাইমুম সরওয়ার কমল ও বাজারের সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন সওদাগর মসজিদের মাইকে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শানত্দ করেন। আটককৃতরা হচ্ছে ঈদগাঁও সাতঘরিয়া পাড়ার (বর্তমানে বাসষ্টেশনের বাসিন্দা) আবদুর রওফের পুত্র আল আমিন (৩০) এবং ভাদীতলার মাওলানা সিরাজের পুত্র শহিদ উল্লাহ (২৮)। ঘটনার খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার তোফাইল আহমদ, মডেল থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার ঈদগাঁওতে আসেন। ঘটনার পরপর বাজারে র্যাব টহল দেয়। রাতে এ রিপোর্ট লিখার সময় ছিনতাইকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ। তবে কোন অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা যায় নি।


0 Comments