মো. আবু তাহের
গত ৮ জানুয়ারী ২০১২ইং ডাকাতের গুলিতে নিহত দিদার হত্যা মামলার ১৫ নং আসামী জয়নাল আবেদীন পিতা-মৃত আবদুল হাকিম গতকাল আনুমানিক ২
ঘটিকার সময় নিহত দিদারের গ্রাম দেবাঙ্গাপাড়া গ্রামের পার্শ্বের গ্রাম সিপাহীর পাড়া গ্রামে ধৃত আসামী জয়নালের বড় ভাইয়ের শ্বাশুর বাড়ী গোলাম কুদ্দুস প্রকাশ রকট এর বাড়ী থেকে গ্রেফতার হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানা পুলিশ এ গ্রেফতার অভিযান চালায়। ৮ জানুয়ারী যুবলীগ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের ছেলে ও বর্তমান বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এম. ফোরকানের প্রথম পুত্র এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বর্তমান ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাশেদ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের বড় ভাই দিদারকে হত্যা করার ১মাস ২২ দিন পর এই প্রথম একজন আসামী গ্রেফতার হলো। দিদারকে হত্যার পর থেকে আজ অব্দি দিদারের হত্যাকারীরা তার জীবিত দুই ভাইকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিল বলে নিহত দিদারের পিতা জানায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানায় দিদারকে হত্যা করার পর এই আসামী গুলো ব্যাপক স্বাধীনতা পেয়েছিল। এলাকায় ডাকাতি, পানের বরজের পান চুরি, গরু-ছাগল চুরি করা সহ নানা রকম অসামাজিক কার্যকলাপে এরা ব্যতি ব্যস্ত থাকে। এদের ভয়ে এলাকাবাসী মুখ খুলতে চায় না। দিদারের মৃত্যুর পর এলাকার কোন কোন লোক এদের সরাসরি ডাকাতির স্বীকার হয়েও থানায় মামলা করতে বা জিডি করতে সাহস পাইনি। দিদার বেঁচে থাকতে এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করতো বলেই এরা সংঘবদ্ধ হয়ে দিদারকে হত্যা করে বলে এলাকাবাসী জানায়। এদের অত্যাচারে এলাকার অনেক মানুষ গৃহহারা হয়েছে। মদ ব্যবসা এদের অন্যতম পেশা বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেন। দিদারের মৃত্যুর পর দিদারের হত্যাকারীরা বীরদর্পে এলাকায় সশস্ত্র অবস্থান করছে এবং দিদারের পরিবারকে বার বার হত্যার হুমকি দিচ্ছে। উল্লেখ্য এ বিষয়ে দিদারের পিতা-মহেশখালী থানায় জিডি করেছেন এবং কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত ভাবে অবহিত করেছেন। ইতিপূর্বে গত ৩১ জানুয়ারী দিদারের হত্যাকারীরা নিহত দিদারের ছোট ভাই বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত মেম্বার মোঃ আলমগীরের বসতবাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

0 Comments