ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
চকরিয়া সাহারবিল এলাকায় জমি জবর দখলের কু- মানসে সন্ত্রাসীদের হামলায় মহিলা সহ ৪ ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের আহমদ কবিরের পুত্র শেখ মোক্তার আহমদের নামে পূর্ব বড় ভেওলা মৌজায় তার ক্রয়কৃত জমির নামজারী খতিয়ান ২৪৬২ লিপি আছে এবং ওই জমির সরকারী খাজনা ও পরিশোধ আছে। ওই জমিতে শেখ মোক্তার আহমদ গং বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ গাছালির রোপন করে বনায়ন পরিবেশ সৃষ্টি করে। জমি গুলি দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের ভোগ দখলেও রয়েছে। গতকাল সোমবার ৬ ফ্রেব্রুয়ারী শেখ মোক্তার আহমদের স্ত্রী বুলবুল জন্নাত সাহারবিল দক্ষিণ নয়াপড়াস্থ তার স্বামী সৃজিত বাগানের খামার বাড়ীতে যায়। দুর্লোভের বশভর্তি হয়ে ওই জমি জবর দখলের কু-মানসে প্রতিপক্ষ আহমদ হোছেনের পুত্র মনছুর আহমদ, মৃত মফিজুর রহমানের পুত্র নুর মোহাম্মদ, আহমদের হোছাইনের পুত্র আবু ছৈয়দ ও নুরুল হক প্রকাশ (ডাইলা) আবু নছর, মোজাম্মেল হক, সাহাব উদ্দিন সহ ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী লাঠিয়াল খামার বাড়ীতে হানা দিয়ে বুলবুল জন্নাতকে মাথার চুল টানা হেছড়া করে বাগান থেকে বাহির করে দেওয়ার চেষ্টা কালে সংবাদ পেয়ে স্বামী শেখ মোক্তার আহমদ, শ্বশুর আহমদ কবির ও ভাতিজা শাহ জাহান ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে একই লাঠিয়াল গং তাদেরকে ও কুপিয়ে রক্তাত্ত আহত করে। ধারালো দা দিয়ে হামলার সময় ভাতিজা শাহ জাহান মাথা রক্ষা করতে হাত দিয়ে বাধা প্রদান করলে দায়ের কুপে তার একটি আঙ্গুল কেটে গেছে বলে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে শেখ মোক্তার আহমদ ও পিতা আহমদ কবিরকে আশংকা জনক অবস্থায় চকরিয়া সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে। আহতদের পারিবারিক সদস্য সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাকারীরা হামলার স্বীকার মহিলার মোবাইল সেট স্বর্ণালংকার অন্যান্য আহতদের নিকট থেকে মোবাইল সেট নগদ টাকা ছিনতাই ও খামারের আসবাবপত্র ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, মনজুুর আলমের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় ১০৯/২০০০ইং হত্যা মামলা চলমান রয়েছে।
চকরিয়া সাহারবিল এলাকায় জমি জবর দখলের কু- মানসে সন্ত্রাসীদের হামলায় মহিলা সহ ৪ ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের আহমদ কবিরের পুত্র শেখ মোক্তার আহমদের নামে পূর্ব বড় ভেওলা মৌজায় তার ক্রয়কৃত জমির নামজারী খতিয়ান ২৪৬২ লিপি আছে এবং ওই জমির সরকারী খাজনা ও পরিশোধ আছে। ওই জমিতে শেখ মোক্তার আহমদ গং বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ গাছালির রোপন করে বনায়ন পরিবেশ সৃষ্টি করে। জমি গুলি দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের ভোগ দখলেও রয়েছে। গতকাল সোমবার ৬ ফ্রেব্রুয়ারী শেখ মোক্তার আহমদের স্ত্রী বুলবুল জন্নাত সাহারবিল দক্ষিণ নয়াপড়াস্থ তার স্বামী সৃজিত বাগানের খামার বাড়ীতে যায়। দুর্লোভের বশভর্তি হয়ে ওই জমি জবর দখলের কু-মানসে প্রতিপক্ষ আহমদ হোছেনের পুত্র মনছুর আহমদ, মৃত মফিজুর রহমানের পুত্র নুর মোহাম্মদ, আহমদের হোছাইনের পুত্র আবু ছৈয়দ ও নুরুল হক প্রকাশ (ডাইলা) আবু নছর, মোজাম্মেল হক, সাহাব উদ্দিন সহ ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী লাঠিয়াল খামার বাড়ীতে হানা দিয়ে বুলবুল জন্নাতকে মাথার চুল টানা হেছড়া করে বাগান থেকে বাহির করে দেওয়ার চেষ্টা কালে সংবাদ পেয়ে স্বামী শেখ মোক্তার আহমদ, শ্বশুর আহমদ কবির ও ভাতিজা শাহ জাহান ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে একই লাঠিয়াল গং তাদেরকে ও কুপিয়ে রক্তাত্ত আহত করে। ধারালো দা দিয়ে হামলার সময় ভাতিজা শাহ জাহান মাথা রক্ষা করতে হাত দিয়ে বাধা প্রদান করলে দায়ের কুপে তার একটি আঙ্গুল কেটে গেছে বলে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে শেখ মোক্তার আহমদ ও পিতা আহমদ কবিরকে আশংকা জনক অবস্থায় চকরিয়া সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে। আহতদের পারিবারিক সদস্য সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাকারীরা হামলার স্বীকার মহিলার মোবাইল সেট স্বর্ণালংকার অন্যান্য আহতদের নিকট থেকে মোবাইল সেট নগদ টাকা ছিনতাই ও খামারের আসবাবপত্র ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, মনজুুর আলমের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় ১০৯/২০০০ইং হত্যা মামলা চলমান রয়েছে।

0 Comments