Advertisement

কেঁচো খুঁড়তেই সাপ ... ...


শামসুল আলম শারেক, টেকনাফ ॥
এ যেন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসার মত অবস্থা। গতকাল বিভিন্ন পত্রিকায় “হ্নীলায় স্বামী-স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি মামলা” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্বামী শফিউল¬াহর কথিত পিতা: মৃত অলি হোছন ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার থেকে শরণার্থী হিসেবে আসা রোহিঙ্গা বলে দাবী তুলেছেন উখিয়ার পালংখালী এলাকার মৃত হাজী আনর আলীর পুত্র আবু তাহের। তিনি সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে জানান, টেকনাফের রঙ্গিখালীর অসুস্থ স্ত্রীকে ফেলে পালিয়ে যাওয়া শফি উল¬াহ একজন বার্মাইয়্যা নাগরিক। অন্যান্য
রোহিঙ্গার মত শফি উল¬াহও অমানবিক-প্রতারণামূলক আচরণকারীর একজন। শফি উল¬াহ ১৯৭৮ সালে সীমান্ত অতিক্রম করে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে চলে আসে। পরবর্তীতে সে আমার বাড়ীতে থাকার আশ্রয় প্রার্থনা করলে মানবিক বিচেনায় এনে তাকে আমার বাড়ীর কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করার শর্তে আশ্রয় দিয়ে থাকি। বিগত ১৫ বছর পূর্বে সে আমার বাড়ী থেকে চলে গিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের রঙ্গিখালীতে অবস্থান নেয়। পরে বাংলাদেশী পরিচয়ে ১৯৯৬ সালে রঙ্গিখালী এলাকার মরহুম মাওলানা আবদুর রহমানের মেয়ে রওশন আক্তারকে বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে অবস্থান করে। এভাবে সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর শফি উল¬াহ সম্পূর্ণ প্রতারণা ও জালিয়াতি করে আমার পিতা আনর আলী ও আমার মাতা অজিফা খাতুনের নাম ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয় পত্র সম্পাদন করে। যার আইডি নং-২২১৯০৩১৬১৭৭০০। আমি এ ব্যাপারে উপজেলা, জেলা হয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর অভিযোগ দাখিল করি। গত ১৫ জানুয়ারী স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় “হ্নীলায় স্বামী-স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি মামলা” শিরোনামে প্রকাশিত খবর দেখে শফি উল¬াহর অবস্থান জানতে পারি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, একজন রোহিঙ্গা যেমন যার কাছে আশ্রয় পায়; পরে তাকেই ঘয়েল করে। তেমনি শফি উল¬াহও অন্যান্য রোহিঙ্গার মত শফি উল¬াহও অমানবিক-প্রতারণামূলক আচরণকারীর একজন। সে আমার পরিবারে কাছে আশ্রয় পেয়ে আমার পিতা-মাতার নাম ব্যবহার করে আমাদের যেমন সর্বনাশ করেে তেমিন ঘরজামাই হিসেবে সুসময়ে স্ত্রীর কাছে আশ্রয় পেয়ে অসুস্থ স্ত্রীর দুঃসময়ে স্ত্রীর সর্বস্ব খুইয়ে নিয়ে উল্টো মামলা করে তার সর্বনাশ করেছে। আমি এই প্রতারক রোহিঙ্গা শফি উল¬াহর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনসহ সংশি¬ষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

Post a Comment

0 Comments