বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানের থানছিতে যাত্রীবাহী বাস দেড় হাজার ফুট পাহাড়ের নিচে খাদে পড়ে পাঁচ পর্যটকসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ২৮ জন যাত্রী। আশঙ্কাজনক ১৪ জনকে সদর হাসাপতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও স্থানীরা জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৭টার সময় থানছি উপজেলা সদর থেকে বান্দরবান শহরগামী
পাহাড়িকা নামে একটি যাত্রীবাহী বাস বলিপাড়ার লাইনঝিড়ি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় দেড় হাজার ফুট নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে পাঁচ পর্যটকসহ ১৬ জন যাত্রী নিহত হন। বান্দরবান সদর হাসপাতালে আনার পথে আরো এক যাত্রী মারা গেছে। নিহত পাঁচ পর্যটকরা হলেন সাইফুল ইসলাম, সুজন, তরিকুল ইসলাম, রেজাউল করিম, সাইফুল হোসেন। এ ছাড়াও স্থানীয় নিহতদের মধ্যে ১০ জনের নাম পাওয়া গেছে, এরা হলেন মা সা তু মার্মা, উ হ্লা চিং মার্মা, ক্য উ চিং মার্মা, চিং চা অং মার্মা, সেশান ত্রিপুরা, কান্তি দাশ, রিং তু চাকমা, গাড়ি চালক সুভাশ দাশ, ফান্সি ত্রিপুরা, কি কি নু মার্মা। এদিকে বান্দরবান পুলিশ সুপার মো. কামরুল আহসান জানিয়েছেন, দুপুর ৩টায় উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা এ পর্যন্ত ২৮ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বান্দরবান হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। বান্দরবান সদর হাসপাতালের উপস্থিত ডাক্তার তাহামুদুল হক জানিয়েছেন, সর্বশেষ বান্দরবান হাসপাতালে ২৯ জনকে আনা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মারা গেছে। এছাড়াও আশঙ্কাজনক ১৪ জনকে সদর হাসাপতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
বান্দরবানের থানছিতে যাত্রীবাহী বাস দেড় হাজার ফুট পাহাড়ের নিচে খাদে পড়ে পাঁচ পর্যটকসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ২৮ জন যাত্রী। আশঙ্কাজনক ১৪ জনকে সদর হাসাপতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও স্থানীরা জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৭টার সময় থানছি উপজেলা সদর থেকে বান্দরবান শহরগামী
পাহাড়িকা নামে একটি যাত্রীবাহী বাস বলিপাড়ার লাইনঝিড়ি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় দেড় হাজার ফুট নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে পাঁচ পর্যটকসহ ১৬ জন যাত্রী নিহত হন। বান্দরবান সদর হাসপাতালে আনার পথে আরো এক যাত্রী মারা গেছে। নিহত পাঁচ পর্যটকরা হলেন সাইফুল ইসলাম, সুজন, তরিকুল ইসলাম, রেজাউল করিম, সাইফুল হোসেন। এ ছাড়াও স্থানীয় নিহতদের মধ্যে ১০ জনের নাম পাওয়া গেছে, এরা হলেন মা সা তু মার্মা, উ হ্লা চিং মার্মা, ক্য উ চিং মার্মা, চিং চা অং মার্মা, সেশান ত্রিপুরা, কান্তি দাশ, রিং তু চাকমা, গাড়ি চালক সুভাশ দাশ, ফান্সি ত্রিপুরা, কি কি নু মার্মা। এদিকে বান্দরবান পুলিশ সুপার মো. কামরুল আহসান জানিয়েছেন, দুপুর ৩টায় উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা এ পর্যন্ত ২৮ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বান্দরবান হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। বান্দরবান সদর হাসপাতালের উপস্থিত ডাক্তার তাহামুদুল হক জানিয়েছেন, সর্বশেষ বান্দরবান হাসপাতালে ২৯ জনকে আনা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মারা গেছে। এছাড়াও আশঙ্কাজনক ১৪ জনকে সদর হাসাপতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


0 Comments