মোবারক উদ্দিন নয়ন
নতুন শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস তৈরি উপলক্ষ্যে বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলা ব্যাপী টেইলারিং শপ্ গুলোতে বেড়েছে কর্মব্যসত্দতা। নতুন নতুন স্কুল ড্রেস তৈরির অর্ডার ক্রমাগত বাড়তে থাকায় কাজের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন টেইলারিং শপের কাটিং মাষ্টার, দর্জি, আয়রনম্যান সহ সংশ্লিষ্টরা।
পর্যটন নগরীর অভিজাত ড্রেসমেকিং শপ থেকে শুরু করে অলীগলির অখ্যাত টেইলার্স গুলো এখন দিনরাত মহাব্যসত্দ সময় কাটাচ্ছে। আর অর্ডারের ক্রমাগত চাপে টেইলারিং চার্জ প্রচলিত রেটের চেয়ে একটু বেশি আদায় করা হচ্ছে বলে জানান একাধিক অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী।
কক্সবাজার কেজি এন্ড মডেল হাইস্কুলের ছাত্র মাহাবুব ফাত্তাহ বলেন যে, সমপ্রতি একসেট নতুন ড্রেস তৈরি করতে নির্ধারিত দামের চেয়ে ১'শ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারের প্যান্টগার্ডেন টেইলার্সের মালিক বিধূ দে জানান,কারিগর সংকটের কারণে বর্তমানে টেইলারিং ব্যবসায় প্রচন্ড মন্দাভাব বিরাজ করছে। অনেক মালিক সু-দুর বগুড়া সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্জি এনে কোন রকমের ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন। আবার অনেকেই কারিগর সংকটের কারণে অন্য ব্যবসায় ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর টেইলার্স মালিক জানান যে, বছরের দু' ঈদের সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে ব্যবসা তেমন হয় না। অন্যদিকে বছরের প্রারম্ভে কাজের চাপ পড়ে বলে চার্জ একটু বেশি নেয়া হচ্ছে।
নতুন শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস তৈরি উপলক্ষ্যে বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলা ব্যাপী টেইলারিং শপ্ গুলোতে বেড়েছে কর্মব্যসত্দতা। নতুন নতুন স্কুল ড্রেস তৈরির অর্ডার ক্রমাগত বাড়তে থাকায় কাজের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন টেইলারিং শপের কাটিং মাষ্টার, দর্জি, আয়রনম্যান সহ সংশ্লিষ্টরা।
পর্যটন নগরীর অভিজাত ড্রেসমেকিং শপ থেকে শুরু করে অলীগলির অখ্যাত টেইলার্স গুলো এখন দিনরাত মহাব্যসত্দ সময় কাটাচ্ছে। আর অর্ডারের ক্রমাগত চাপে টেইলারিং চার্জ প্রচলিত রেটের চেয়ে একটু বেশি আদায় করা হচ্ছে বলে জানান একাধিক অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রী।
কক্সবাজার কেজি এন্ড মডেল হাইস্কুলের ছাত্র মাহাবুব ফাত্তাহ বলেন যে, সমপ্রতি একসেট নতুন ড্রেস তৈরি করতে নির্ধারিত দামের চেয়ে ১'শ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।
জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারের প্যান্টগার্ডেন টেইলার্সের মালিক বিধূ দে জানান,কারিগর সংকটের কারণে বর্তমানে টেইলারিং ব্যবসায় প্রচন্ড মন্দাভাব বিরাজ করছে। অনেক মালিক সু-দুর বগুড়া সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্জি এনে কোন রকমের ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন। আবার অনেকেই কারিগর সংকটের কারণে অন্য ব্যবসায় ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর টেইলার্স মালিক জানান যে, বছরের দু' ঈদের সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে ব্যবসা তেমন হয় না। অন্যদিকে বছরের প্রারম্ভে কাজের চাপ পড়ে বলে চার্জ একটু বেশি নেয়া হচ্ছে।

0 Comments